Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
Lightning

দু’ঘণ্টার দুর্যোগে শয়ে শয়ে বজ্রপাতের সাক্ষী কলকাতা, নেপথ্যে কোন অশনি সংকেত?

সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ২১:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৫, ২০২৬, ২১:১৮

options
link
দু’ঘণ্টার দুর্যোগে শয়ে শয়ে বজ্রপাতের সাক্ষী কলকাতা, নেপথ্যে কোন অশনি সংকেত? zoom
নিজস্ব ছবি।

ভরদুপুরেই যেন ঘনাল সন্ধ্যা! আকাশ কালো করে নামল বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার দুপুরের এই ছবিটা সেদিক থেকে কোনও ব্যতিক্রম নয়। বরং বর্ষাকালের এক চিরচেনা দৃশ্যই। কিন্তু সেই বৃষ্টিতে প্রকৃতির যে রুদ্ররোষ প্রত্যক্ষ করল কলকাতা, তা সাম্প্রতিক অতীতে দেখা যায়নি। এক পরিসংখ্যান বলছে, ঘণ্টাদুয়েকের মধ্যে বাজ পড়েছে ৩৭৭টিরও বেশি। আবহবিদদের লাইটনিং ডিটেক্টরের ওই তথ্য ঘিরে স্বাভাবির ভাবেই ঘনিয়েছে উদ্বেগ। কেন এমন ভয়ংকর বজ্রপাত?

আলিপুর হাওয়া অফিস বলছে, একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার উপরে বিস্তৃত। তার জেরে সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে বলেও জানানো হয়েছে। বজ্রপাতের সময় সুরক্ষিত জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আসলে বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে বৃষ্টি নামছে। ফলে ঘনঘন বজ্রপাত হচ্ছে। এদিন কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে কিউমুলোনিম্বাস মেঘের যে স্তম্ভ তৈরি হয়েছিল সেই মেঘ থেকেই লাগাতার বজ্রপাত হয়ে গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Why Kolkata witnesses hundreds of lightning strikes
‘দিনদুপুরেই রাতদুপুর’

উল্লেখ্য, এবারের বর্ষায় রয়েছে এল নিনোর ভ্রূকুটি। এবারের এল নিনোকে ডাকা হচ্ছে ‘গডজিলা’ এল নিনো বলেও। এহেন নামকরণের নেপথ্যেই রয়ে গিয়েছে ভয়াবহতার আশঙ্কা-মেঘ! প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের হাজার কিলোমিটার দূরে উষ্ণ হয়ে ওঠা জলের একটা অংশেই ‘গোকুলে’ বেড়ে উঠে এবার ভারতের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে চলেছে। যার জেরে পূর্বাভাস স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, আসন্ন জুন-সেপ্টেম্বর বর্ষা মরশুমে দেশে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ কম হতে পারে। একদিকে কম বৃষ্টি, অন্যদিকে উৎপাদন খরচের বৃদ্ধি– এই দুইয়ের মাঝে পড়ে কৃষি অর্থনীতি বিপর্যস্ত হতে পারে। তবে এদিনের বৃষ্টিতে এল নিনোর প্রভাব নেই। খরার আশঙ্কার মাঝেই প্রবল বৃষ্টিতে ভাসল মহানগরী। দুর্যোগ রাজ্যজুড়েই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.