Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
corona

করোনা আবহে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছে গ্রাফিক টি-শার্ট, হিড়িক পড়েছে কেনার

পাওয়া যাচ্ছে অনলাইনেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২০, ১৭:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২০, ১৭:৪৪

options
link
করোনা আবহে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছে গ্রাফিক টি-শার্ট, হিড়িক পড়েছে কেনার zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক। লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। হাল না ছাড়ার নামই জীবন। আর পরিবর্তিত পরিস্থিতি বাঁচতে গেলে সতর্ক থাকা যেমন প্রয়োজন, তেমনই সতর্ক রাখাও প্রয়োজন। পোস্টার কিংবা ব্যানারে নয় সতর্কতার এই বার্তা দেখা যাচ্ছে টি-শার্ট কিংবা মাস্কের ক্ষেত্রেও। অনেকেই অনলাইনে অর্ডার দিয়ে আনাচ্ছেন এমন টি-শার্ট অথবা মাস্ক। তবে বর্ধমান শহরের বাসিন্দাদের জন্য করোনার সতর্কতা মূলক টি-শার্ট তৈরি করছেন স্থানীয় কারিগররাই।

[আরও পড়ুন: বাড়িতে বসেই কম সময়ে পার্লারের মতো নখে আনুন চমক, রইল টিপস]

পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া শহর এবং আশপাশের এলাকায় করোনা সচেতনতার বার্তা লেখা এই ধরনের টি-শার্ট পরার হিড়িক পড়েছে অল্পবয়সীদের মধ্যে। দেদার বিকোচ্ছে এই রঙবেরঙের টি-শার্ট। প্রত্যেকটিতে আলাদা আলাদাভাবে করোনা সচেতনতার বার্তা লেখা রয়েছে। নিজের পছন্দের কথা দেখে টি-শার্ট বেছে নিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Advertisement

কাটোয়ার এক পোশাক তৈরির সংস্থার মালিক তথা ডিজাইনার রিপন দেবনাথ জানিয়েছেন, স্থানীয় এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্য থেকেও এই নতুন ডিজাইনের টি- শার্টের অর্ডার আসছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও বাইরের ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে অনলাইনে কেনাকাটার উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। রিপন দেবনাথ বলেন, “করোনার সচেতনতার জন্য মাস্ক আঁকা এবং সচেতনতার বার্তা লেখা টি-শার্ট সাধারণ মানুষদের সচেতন করতেও কাজে দেবে বলে আশা করছি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই খুব ভাল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।”

[আরও পড়ুন: ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর চাবিকাঠি এসেনশিয়াল অয়েল, জেনে নিন ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি]

কীভাবে তৈরি হচ্ছে এই কম্পিউটারের মাধ্যমে তার নকশা তৈরি করে নেওয়া হচ্ছে। তারপর সেগুলি প্রিন্ট আউট বের কর স্কিন প্রিন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন সুতির টি-শার্টের উপর ছাপানো হচ্ছে। এভাবেই তৈরি হয়ে যাচ্ছে রংবেরঙের টি-শার্ট। তাও আবার সম্পূর্ণ স্থানীয় উদ্যোগে।

কয়েক মাস কেটে গেল। কবে আবার জীবন স্বাভাবিক ছন্দ ফিরে পাবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। যতদিন না সেই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর মিলছে, ততদিন নিউ নর্মালকেই আপন করে নেওয়া বাঞ্ছনীয়। আর তাতে রংবেরঙের এই মন ভাল করা টি-শার্ট গুলি থাকলে মন্দ কি?  

ছবি: জয়ন্ত দাস

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.