BREAKING NEWS

২৬ চৈত্র  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল ২০২০ 

Advertisement

ফের গুগল প্লে-স্টোর থেকে উধাও জনপ্রিয় এই চ্যাটিং অ্যাপ, আপনি ব্যবহার করেন?

Published by: Sulaya Singha |    Posted: February 16, 2020 5:03 pm|    Updated: February 16, 2020 5:03 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নানা কারণে গুগল প্লে-স্টোর (Google Play Store) থেকে গায়েব হয়ে যায় বিভিন্ন অ্যাপ। কারও বিরুদ্ধে থাকে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ, আবার কোনও অ্যাপ থেকে ছড়ায় ভাইরাস। তাই গুগল প্লে-স্টোর প্রতিনিয়তই লক্ষ্য রাখে কোন অ্যাপটি ইউজারের জন্য ক্ষতিকর। আর এসবের মধ্যেই ফের উধাও হয়ে গেল একটি জনপ্রিয় চ্যাটিং অ্যাপ।

9to5Google-এর খবর অনুযায়ী, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে নাকি গুগল প্লে-স্টোরে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না ToTok অ্যাপটি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার প্লে-স্টোর থেকে উধাও এই অ্যাপ। গত বছর ডিসেম্বরে অ্যাপ স্টোর ও প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল এই অ্যাপটি। কিন্তু জানুয়ারিতেই চুপিসারে ToTok-কে ফিরিয়ে আনে গুগল। এবার নতুন করে গুগল নিশ্চিত করেছে যে তারা প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটিকে মুছে ফেলেছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন সেটি উধাও হল? যদিও এবিষয়ে মুখে কুলুপ গুগলের।

[আরও পড়ুন: ৫০০০ টাকার কম মূল্যের স্মার্টফোন আর বিক্রি হচ্ছে না ভারতে, কেন জানেন?]

জানা গিয়েছে, প্লে স্টোরের নির্দিষ্ট কিছু পলিসি না মানায় প্রথমবার প্লে স্টোর থেকে সরানো হয়েছিল ToTok-কে। মনে করা হচ্ছে, একই কারণে এবারও গায়েব হয়েছে অ্যাপটি। তাই বর্তমানে অ্যাপ স্টোর এবং প্লে স্টোর- কোনও প্ল্যাটফর্ম থেকেই ToTok ডাউনলোড করা যাবে না।

বিনামূল্যে, দ্রুত এবং নিরাপদ চ্যাটিংয়ের আদর্শ প্ল্যাটফর্ম ToTok। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ছাড়াও মধ্য প্রাচ্য এবং মার্কিন মুলুকের লক্ষাধিক মানুষ এই অ্যাপ ব্যবহার করেন। প্লে স্টোর থেকে উধাও হওয়ার আগে মার্কিন মুলুকেই সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হয়েছিল এই অ্যাপ। তবে ভারতে এর জনপ্রিয়তা খুব একটা নেই। একটি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই অ্যাপের মাধ্যমে ইউজারদের উপর নজরদারি চালাত সংযুক্তি আরব আমিরশাহীর সরকার। যদিও এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে ToTok। কোম্পানির তরফে বলা হয়েছিল, ইউজারের গোপনীয়তা বজায় রাখাই তাদের লক্ষ্য। তাঁরা অ্যাপের মাধ্যমে কী ডেটা শেয়ার করছে, তা সম্পূর্ণ তাঁদের নিয়ন্ত্রণেই থাকে।

[আরও পড়ুন: নেটদুনিয়ায় হেনস্তার শিকার কমবয়সিরাই, ‘ডিজিটাল শিষ্টাচারে’ পিছিয়ে ভারত]

Advertisement

Advertisement

Advertisement