Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
হোয়াটসঅ্যাপ

সাবধান! করোনা নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়া এই মেসেজগুলি বিশ্বাস করবেন না

মেসেজ ফরোয়ার্ড করার আগে সত্যতা যাচাই করুন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২০, ২০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২০, ২০:০২

options
link
সাবধান! করোনা নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়া এই মেসেজগুলি বিশ্বাস করবেন না zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষা করতে অমুক কাজটা করুন। তমুক কাজটা করবেন না। এই উপায়ে করোনা রুখে দেওয়া সম্ভব। হোয়াটসঅ্যাপে এধরনের মেসেজ কি আপনিও পেয়েছেন? যা বার্তাই পাচ্ছেন, তাতে চোখ বন্ধ করে ভরসা করবেন না। সত্যতা যাচাই না করেই বন্ধুমহলকে সতর্ক সে মেসেজ ফরোয়ার্ডও করবেন না। কারণ এই মেসেজিং অ্যাপে ছড়িয়ে পড়া বার্তাগুলি বেশিরভাগই ভিত্তিহীন।

গোটা বিশ্বে এখনও পর্যন্ত ৯৩ হাজারের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে (COVID-19) আক্রান্ত। চিন থেকে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি প্রভাব ফেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, ইটালি-সহ প্রায় ৬০টি দেশে। ব্যতিক্রমী নয় ভারতও। এদেশে এখনও পর্যন্ত ৩৩ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে এই মারণ রোগ। স্বাভাবিকভাবেই তাই আতঙ্ক বাড়ছে। আর তাই হোয়াটসঅ্যাপেও এখন এই নিয়েই চলছে আলোচনা। সেই চর্চার মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ছে নানা মেসেজ। যেখানে করোনা থেকে বাঁচার নানা উপায় বাতলে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে তার বেশিরভাগই ভুয়ো।

Advertisement

whatsapp

[আরও পড়ুন: ট্রাইকে ডেটার দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিল Jio, কী প্রভাব পড়বে গ্রাহকদের উপর?]

সম্প্রতি একটি মেসেজ অনেকেই পেয়েছেন। যাতে লেখা, সাধারণকে সচেতন করার জন্য ইউনিসেফ নাকি বার্তা পাঠাচ্ছে। করোনা ভাইরাস নিয়ে সেখানে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। সঙ্গে এও বলা আছে, বাতাস থেকে করোনা ছড়ায় না। এ তথ্য কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল। অন্য একটি মেসেজে বলা হয়েছে, শুকনো স্থানে এই ভাইরাসের ব্যাপ্তি বেশি। তাই প্রত্যেক ১৫ মিনিট অন্তর জল পান করা জরুরি। এই তথ্যেরও কোনও সত্যতা নেই।

না কেশে ১০ সেকেন্ডের জন্য শ্বাসরোধ করে থাকলে উপকৃত হবেন। এই পন্থারও উল্লেখ আছে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে। যা একেবারেই ভিত্তিহীন। অনেকে মেসেজে আবার ঠান্ডা পানীয় খেতে নিষেধ করা হচ্ছে। রসুন জল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু WHO-এর তরফে এমন কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি। আরেকটি মেসেজ তো ইউজাররা বিশ্বাস করে তা ব্যবহারও শুরু করে দিয়েছেন। তা হল মাস্কের ব্যবহার। মাস্ক পরলেই নাকি করোনা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। এ তথ্যও সঠিক নয়। করোনায় আক্রান্তদেরই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি হাসপাতাল কর্মীদেরও N95 মাস্ক মুখের সঙ্গে সেঁটে পরে থাকতে হবে। আক্রান্ত নন, এমন ব্যক্তি মাস্ক পরলে তিনি যে পুরোপুরি করোনা থেকে দূরে থাকবেন, এমন ভাবাটা ভুল। তাই মেজেসগুলি ফরোয়ার্ড করার আগে দু’বার ভাবুন।

[আরও পড়ুন: নগদ থেকেও ছড়াতে পারে করোনা! সংক্রমণ এড়াতে ডিজিটাল লেনদেনের পরামর্শ WHO’র]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.