৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গঙ্গারামের জন্য মন্দির তৈরির সিদ্ধান্ত নিল ছত্তিশগড়ের বাওয়ামোহাত্রা গ্রামের মানুষজন৷ নিশ্চয়ই ভাবছেন এতে আবার আশ্চর্য হওয়ার কী আছে? কারণ, ভাল কোনও মানুষের জন্য আগেও মন্দির হয়েছে৷ এর মধ্যে নতুনত্ব কিছুই নেই৷ কিন্তু গঙ্গারামের পরিচিতি জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন৷ কারণ, গঙ্গারাম হল ‘ভাল’ কুমির৷

[আরও পড়ুন: প্লাস্টিকের বোতল ডাস্টবিনে ফেলল কাক! নেটদুনিয়ায় ‘হিরো’ ঝাড়ুদার পাখি]

গ্রামেরই একটি পুকুরে বাস করত গঙ্গারাম৷ প্রায় ১৩০ বছর বয়সি সে৷ বয়সের ভারে ন্যুব্জই হয়ে গিয়েছিল কুমিরটি৷ গত ৮ জানুয়ারি মৃত্যু হয় তার। স্বজনহারানোর মতোই সেদিন দুঃখ পেয়েছিলেন গ্রামবাসীরা৷ বনদপ্তরের কর্মীরা গঙ্গারামের দেহ উদ্ধার করতে আসেন৷ কিন্তু কুমিরকে ছাড়তে চাননি তাঁরা৷ অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া গ্রামেই করতে চেয়েছিলেন তাঁরা৷ গ্রামবাসীর ভালবাসার কাছে হার মেনে নেন বনকর্মীরা৷ তাই তো এলাকারই পুকুরের পাশে ‘ভাল’ কুমিরকে সমাধিস্থ করা হয়৷ আর সেই জায়গাতেই তার নামে ‘গঙ্গারাম মগরমাছ কা মন্দির’ তৈরির সিদ্ধান্ত নেন ওই গ্রামের বাসিন্দারা৷

Crocodile-Temple

[আরও পড়ুন: যুবকের পশ্চাদদেশে মৌচাক! ভাইরাল ভিডিও দেখে তাজ্জব নেটিজেনরা]

গঙ্গারামকে ‘ভাল’ কুমির বলেই বিশ্বাস করেন স্থানীয়রা৷ তাঁরা ভাবেন, গঙ্গারাম গ্রামে থাকা মানে কোনও ক্ষতি সে হতে দেবে না৷ বেঁচে থাকাকালীন যেমন গ্রামকে রক্ষা করেছে গঙ্গারাম, তেমন মৃত্যুর পরেও তার অন্যথা হবে না৷ তাই তার মৃত্যুর পর গঙ্গারামের নামে মন্দির তৈরির সিদ্ধান্ত নেন গ্রামবাসীরা৷ তাঁদের সিদ্ধান্ত ওই মন্দিরে থাকবে দেবী নর্মদার মূর্তিও। তাই চলছে জোরকদমে চাঁদা সংগ্রহের কাজ৷ যার যেমন সামর্থ্য তেমনই টাকা দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা৷ রীতিমতো গ্রামে উৎসবের মেজাজে মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে বলেও ভাবনাচিন্তা স্থানীয়দের৷ গ্রামবাসীদের চাঁদার টাকা থেকেই প্রীতিভোজেরও আয়োজন করা হবে ওইদিন৷

ইতিমধ্যেই লোকমুখে রটে গিয়েছে ‘ভাল’ কুমিরের মন্দিরের কথা৷ যে শুনছেন সেই তাজ্জব হয়ে যাচ্ছেন৷  ভয়ংকর সরীসৃপ প্রাণীর জন্যও যে মন্দির তৈরি হতে পারে, তা ভাবতেও পারছেন না অনেকেই৷ 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং