‘ছুটি ছুটি’ থেকে প্যাকেট পেপসি, মোবাইল ছাড়াও কতটা স্মার্ট ছিল নয়ের দশকের গ্রীষ্মকাল?
তপ্ত দুপুর। গাছেদের আদর। চিলেকোঠায় পায়রার বকম বকম। আইসক্রিম কলের ঠান্ডা বরফ। আর হাফটিকিটে গোটা যাত্রাপালা। সঙ্গে আদার চাটনি দিয়ে বাদামভাজা। রূপকথার ঝুলি ওই খুলল বুঝি? গরমে ঘামাচির চুলকানি ছাপিয়েও শৈশবের ‘নব্বই’ আজও অমলিন। কেমন ছিল সেদিনের গ্রীষ্মকাল?
আরও পড়ুন:
ফ্রিজ তখন বিলাসিতা। ঠান্ডা জলের তৃষ্ণা মেটাতে ভরসা মাটির কলসি বা কুঁজো। সেই মাটির পাত্রের সোঁদা গন্ধ আর স্নিগ্ধ শীতলতা আজও অম্লান। কোনও রাসায়নিক ছাড়াই জল থাকত একদম ফ্রেশ। এই আদি অকৃত্রিম পদ্ধতিতে জল খাওয়ার তৃপ্তি বোতলবন্দি পানীয়ের চেয়ে বহুগুণ বেশি আকর্ষণীয় ছিল। একই সঙ্গে লাল-সবুজ রঙের প্যাকেট পেপসি হোক বা মটকা কুলফি, তার লোভ সামলানো মুশকিল!