ভারতীয় ক্রিকেটে আসছে প্রজেক্ট ‘স্পেশাল ২৫’, বৈভব-আয়ুষদের তৈরি করতে নয়া ‘মিশন’ বোর্ডের
জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণের তত্ত্বাবধানে। কোচিংয়ের দায়িত্বে আছেন বাংলার সৌরাশিস লাহিড়ী থেকে ওয়াসিম জাফররা।
জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণের তত্ত্বাবধানে। নিত্য শিবির বসছে। খেলা-টেলা চলছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রিকেটার থেকে কোচ–সবাইকে একত্রিত করা হচ্ছে। মুশকিল হল, শুধু শিবির করতে হবে বলে, সেন্টার অফ এক্সলেন্সে পড়ে নেই দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন সফল কোচেরা। তাঁর এ মুহূর্তে বেঙ্গালুরুতে রয়েছেন এক নির্দিষ্ট ‘মিশন’ নিয়ে।
আরও পড়ুন:
সে মিশনের নাম? বলিউড ধার করে, অনায়াসে দেওয়া যায় একটা– ‘স্পেশাল টোয়েন্টি ফাইভ’! বাংলায় ‘স্পেশাল পঁচিশ’। পুরো বিষয়টা কী? সরকারি ভাবে প্রোজেক্টটা হল, দেশের ইমার্জিং স্কোয়াড তৈরি করা। যাঁরা লাল বলের ক্রিকেটে তুখোড় হবেন। কিন্তু শুধুই জনা কয়েককে নিয়ে সেই স্কোয়াড তৈরি করা হচ্ছে না। বরং নির্দিষ্ট একটা পরিকল্পনার মধ্যে দিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ধাপে-ধাপে।
তবে কড়া শর্ত রয়েছে। প্লেয়ারের বয়স হতে হবে পঁচিশ বছরের নিচে। কেউ কেউ রয়েছেন, যাঁরা আইপিএল খেলছেন এ মুহূর্তে। তাঁদের মধ্যে নির্বাচনযোগ্যরা যোগ দেবেন আইপিএল শেষে। তবে তাঁদের প্রোজেক্টে সংযুক্তির মাপকাঠি মোটেও আইপিএল হবে না। আসবেন তাঁরাই, যাঁরা ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফর্ম করেছেন। যেমন বৈভব সূর্যবংশী। আয়ুষ মাত্রে। প্রশান্ত বীর। সমীর রিজভি। শেষের জনের যেমন সিকে নাইডু ট্রফিতে তিনশো আছে!
আরও পড়ুন:
স্টেপ টু- ইমার্জিং প্লেয়ার্স হাই পারফরম্যান্স ক্যাম্প। যা পুরোদমে এখন চলছে বেঙ্গালুরুতে। যেখানে ওয়াসিম জাফর থেকে হৃষিকেশ কানিতকর। সুনীল জোশী থেকে লক্ষ্মীপতি বালাজি। বাংলার সৌরাশিস লাহিড়ী থেকে কর্নাটকের বিনয় কুমাররা রয়েছেন। কোচিং করাচ্ছেন। প্লেয়ারদের তিনটে ক্যাম্পে ভাগাভাগি করে দেওয়া হয়েছে। যা চলবে পঁচিশ দিন ধরে।
ট্রেনিংয়েও প্লেয়ারদের মাঠে রাখা হচ্ছে ন্যূনতম পাঁচ ঘণ্টা। কারণ, ডে’জ ম্যাচে দিনে ছ’ঘণ্টা মতো মাঠে থাকতে হয় ক্রিকেটারদের। মধ্যাহ্নভোজ, চা বিরতির সময়টুকু বাদ দিয়ে। যা খবর, আগামী ৭ মে পর্যন্ত চলবে এই ক্যাম্প। প্লেয়াররা তার পর যে যাঁর বাড়ি ফিরে যাবেন। বেঙ্গালুরুতে তাঁরা ফিরে আসবেন জুনের শেষে কিংবা জুলাইয়ের শুরুতে।