কখনও নগ্ন হয়ে সৈকতে, কখনও ড্রাগ নিয়ে গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার! বিতর্কের অপর নাম ব্রিটনি
একবিংশ শতকে গোটা পৃথিবীর সেরা পপ তারকাদের অন্যতম হলেও বিতর্ক তাঁকে ঘিরে কম নেই।
আরও পড়ুন:
তবে জীবনের পথ খুব মসৃণ নয় ব্রিটনির। ব্যক্তিগত জীবনে টানাপোড়েন, অসুস্থতায় বারবার ধাক্কা খেয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে আদালতের রায়ে কার্যত বন্দিজীবন কাটাতে হয় তাঁকে। সেই সময় অবশ্য #freebritney আন্দোলন শুরু হয়। আইনি জটিলতা শেষে ২০২১ সালে অবশ্য জীবনের অধিকার ফিরে পান। এই অমসৃণতাই তাঁকে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছে।
২০২৩ সালে গাড়ি চালানোর সময় ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়েতে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ব্রিটনি। ওই রাস্তায় ৪০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বেগের চেয়ে বেশি গতিবেগে গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ। সেখানে পপ তারকার গাড়ির বেগ ছিল ৬১ মাইল প্রতি ঘণ্টা। যদিও তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, এটা ট্র্যাফিক আইন লঙ্ঘন হলেও অপরাধটির মাত্রা নেহাতই সামান্য।
আরও পড়ুন:
ব্রিটনির জীবনের সবচেয়ে নাটকীয় অধ্যায় রচিত হয়েছিল ২০০৭ সালে। মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স নিজের মাথা মুড়িয়ে ফেলেন পাপারাজ্জিদের সামনে। এই সময় তাঁর ছেলেদের 'কাস্টডি'ও হারাতে হয় তাঁকে। সেবছরই প্রকাশিত হয় তাঁর সিঙ্গল 'গিমমি মোর'। প্রাথমিক ভাবে প্রবল সমালোচনা হয়েছিল গানটির। এরপরই প্রকাশিত তাঁর অ্যালবাম 'ব্ল্যাকআউট' প্রবল জনপ্রিয় হয়।