‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রশংসায় অখিলেশ-মহুয়া, লক্ষ লক্ষ সদস্যের তালিকায় এই সেলেবরাও!
জনপ্রিয়তার নিরিখে মাত্র কয়েকদিনে শিরোনামে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ক্রমশ হু হু করে বাড়ছে তার জনপ্রিয়তা।
নয়া এই রাজনৈতিক ফ্রন্টটির আদর্শবাণী হল- ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক, অলস। ইতিমধ্যেই তারা নিট কেলেঙ্কারি-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রতিবাদেও সরব হয়েছে। সেকারণেই সোশাল মিডিয়ায় হু হু করে বাড়ছে ফলোয়ার। আম আদমি পার্টির ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা ১.৯ মিলিয়ন। তৃণমূলের মাত্র ৫৩৭কে অর্থাৎ ৫ লক্ষ ৩৭ হাজার। কংগ্রেসের ১৩.২ মিলিয়ন ফলোয়ার। তাই ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা যে চরম, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
আরও পড়ুন:
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক। সূত্রের খবর, এর আগে তিনি আম আদমি পার্টি (আপ)-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে অভিজিৎ আপের হয়ে সমাজমাধ্যমে প্রচারের কাজ করেছিলেন। তাঁর ডাকেই নয়া দলে মজে বলিউড সেলেবরাও। জন্মের পাঁচ দিনের মধ্যেই প্রত্যেক মিনিটে হুহু করে বাড়ছে এই জনতা দলের সদস্য সংখ্যা!
ফলোয়ারের তালিকায় কে নেই? কীর্তি আজাদ, মহুয়া মৈত্রর মতো তৃণমূলের তাবড় সাংসদরা আগেই এই দলে নাম লেখানোর ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। বলিউড তারকাদের মধ্যে অনুরাগ কাশ্যপ, দিয়া মির্জা, কঙ্কনা সেনশর্মা, এষা গুপ্তা, ফতিমা সানা শেখ, পরিচালক কুণাল কোহলি থেকে কৌতুকশিল্পী কুণাল কামরাও রয়েছেন। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও সমর্থন করেছে নয়া দলকে। প্রশংসা করেছেন অখিলেশ যাদব।
কেন্দ্রের নির্দেশেই বন্ধ করা হয়েছে সিজেপির এক্স অ্যাকাউন্ট। কারণ আইবির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে এই অ্যাকাউন্টটি জাতীয় সুরক্ষার জন্য বিপজ্জনক। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের কথায়, এই অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও অন্যায় মন্তব্য করা হয়নি, উসকানিমূলক পোস্টও করা হয়নি। কিছু সামাজিক ইস্যুতে পোস্ট করা হয়েছে স্রেফ। তাহলে কেন রুখে দেওয়া হচ্ছে এই অ্যাকাউন্টের কার্যাবলী? জবাব নেই কারোর কাছেই।
আরও পড়ুন:
খানিকটা একই কথা বলেছেন শশীও। তাঁর মতে, ‘যুবসমাজ যে কতখানি হতাশ হয়ে পড়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা দেখেই বুঝতে পারছি। তাদের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়াটা বিপর্যয় বলা যেতে পারে। সিজেপির অ্যাকাউন্ট চলতে দেওয়া উচিত।’খানিকটা একই কথা বলেছেন শশীও। তাঁর মতে, ‘যুবসমাজ যে কতখানি হতাশ হয়ে পড়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির জনপ্রিয়তা দেখেই বুঝতে পারছি। তাদের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়াটা বিপর্যয় বলা যেতে পারে। সিজেপির...
একসময় আন্না হাজারের নেতৃত্বে 'ইন্ডিয়ান এগেনস্ট করাপশন' আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। সেই আন্দোলন থেকেই উত্থান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। এবং তাঁর দল আম আদমি পার্টির। ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র ভবিষ্যৎ কী? তারা ভোটে অংশ নেবে? যদিও এই মুহূর্তে প্রতিষ্ঠাতা অভিজিতের দাবি, এখনই সেসব বলার সময় আসেনি। আগে সকলকে সংঘবদ্ধ করাই লক্ষ্য তাঁর।