সন্তানধারণের প্ল্যানিং করছেন? আমাদের লাইফস্টাইল আজকের দিনে এতটাই পালটে গিয়েছে যে গর্ভধারণের আগে মহিলারা নানা সমস্যায় পড়েন। বিশেষ করে আজকের সময়ে ঘরে ঘরে পলিসিস্ট, থাইরয়েড ও অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধিতে মহিলারা নানা সমস্যায় ভুগছেন। তাই এজন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়ায় দরকার। ঠিক কোন খাবারগুলি এড়িয়ে চলা প্রয়োজন তা আমাদের জেনে নেওয়া দরকার। আপনিও যদি একই সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে আজই এই ৫টি খাবার তালিকা থেকে দূরে...
২৮
সবার প্রথমে চা-কফিকে দূরে সরিয়ে রাখুন। পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই এটি ক্ষতিকারক। অতিরিক্ত চা বা কফি পানে আমরা উচ্চ মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ করে থাকি যা ইনফার্টিলিটি বা বন্ধ্যাত্ব তৈরি করতে পারে। তাই আগে থাকতেই চা-কফি ছেড়ে দিন কিংবা পরিমাণ কমিয়ে দিন।
প্রেগন্যান্সির প্ল্যান করে থাকলে আগেই ফাস্ট ফুডকে টাটা বাই বাই বলুন। বার্গার, পিৎজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, হট ডগ, চাউমিন, রোল প্রভৃতিতে ট্র্যান্স ফ্যাট রয়েছে। এই ফ্যাট শুধু স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর তা নয়, মহিলাদের গর্ভধারণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
৪৮
রেড মিট ও প্রসেসড মিট একদম নয়। এই ধরনের খাবার গর্ভধারণে সমস্যা তৈরি করে। উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন ও ফ্যাট ইনফার্টিলিটির সমস্যা তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে রেড মিট বা প্রসেসড মিট বেশি খেলে গর্ভধারণের ক্ষমতা ২৮% পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
৫৮
চিনি ও কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত চিনি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ডায়াবেটিস দেখা দিলে সন্তানধারণে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমনকী নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকিও দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
কেক, পেস্ট্রি, ডোনাটে ট্র্যান্স ফ্যাটের পাশাপাশি স্যাচুরেটেড ফ্যাটও রয়েছে। এগুলো বেশি খেলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখে দেয়। গর্ভধারণ ক্ষমতাও কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই খাবারগুলি এড়িয়ে চলুন।
৭৮
কিছু মাছে উচ্চমাত্রার পারদ থাকে, যা শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে সমস্যা তৈরি করতে পারে। হাঙ্গর, সোর্ডফিশ এবং টুনা মাছ এই তালিকায় রয়েছে। এই জাতীয় সামুদ্রিক মাছ এড়িয়ে চলুন।
৮৮
গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল সেবন সম্পূর্ণরূপে পরিহার করা উচিত। এটি ভ্রূণের বিকাশে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
জেলা সফরে বেরিয়ে প্লাবন পরিস্থিতি পরিদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি প্রথমে হুগলির আরামবাগে গিয়েছিলেন। পরে তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। নিজস্ব চিত্র
২৮
আজ, মঙ্গলবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে কামারপুকুরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি ত্রাণ শিবিরে থাকা দুর্গতদের নিজে হাতে খিচুড়ি পরিবেশন করেন। নিজস্ব চিত্র
দুর্গতদের কথা শোনেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিস্থিতি মোকাবিলার আশ্বাস দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকে এভাবে পাশে পেয়ে আপ্লুত দুর্গতরা। ডিভিসির ছাড়া জলে প্লাবিত আরামবাগের বিস্তীর্ণ এলাকা। নিজস্ব চিত্র
৪৮
বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কামারপুকুরে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে গিয়েছিলেন। এদিন সেখানে একটি অতিথি নিবাস ও পার্কিংলটের উদ্বোধন করে ১০ কোটি টাকা অনুদান ঘোষণা করেন তিনি। নিজস্ব চিত্র
৫৮
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "হিন্দু ধর্ম বোঝার জন্য অন্য কোথাও যাওয়ার দরকার নেই। এখানেই শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রী মা সারদাদেবী, স্বামী বিবেকানন্দের কর্মক্ষেত্র। এই কামারপুকুরে এলেই তা উপলব্ধি করা যাবে। তাঁরা সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিয়ে গিয়েছেন।” নিজস্ব চিত্র
কামারপুর থেকে মুখ্যমন্ত্রী এদিন দুপুরের পর ঘাটাল পৌঁছন। ডিভিসির জলে প্রায় দেড়মাস জলের তলায় ঘাটালের বিস্তীর্ণ এলাকা। পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন উপস্থিত ছিলেন সাংসদ দেবও।
৭৮
বর্ষা শেষ হলেই ঘাটালকে প্লাবনমুক্ত করার কাজ পুরোদমে শুরু হবে। এই দফায় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করা হল। বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
৮৮
ড্রেজিং ও অন্যান্য কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘাটালের প্লাবন পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ফের কেন্দ্রকে দুষেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী একটি শিশুকে পরম স্নেহে কোলে নিয়েছিলেন।
ওভালে নাটকীয় ম্যাচে ৬ রানে জিতে সিরিজ ড্র করেছে শুভমান গিলের টিম ইন্ডিয়া। উৎকণ্ঠা ও নাটকীয়তায় ভরপুর ছিল সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই। শেষ পর্যন্ত যে গিলের 'নতুন ভারত' ২-২ ব্যবধানে সিরিজ ড্র করেছে, তা অনেকে নৈতিক জয় হিসেবেই দেখছে। একনজরে দেখা যাক, ভারতের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে জয়ের পরিসংখ্যান।
২৮
ওভালে ৬ রানে জয়ই ভারতের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে কম ব্যবধানে জয়। প্রথম ইনিংসে ভারত করেছিল ২২৪ রান। জবাবে ইংল্যান্ড করে ২৪৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ৩৯৬ রান করে। কিন্তু ইংল্যান্ডের ইনিংস থেমে যায় ৩৬৭ রানে।
পঞ্চম দিন শুরুর আগে ভারতের দরকার ছিল ৪ উইকেট। ইংল্যান্ডের ৩৫ রান। সেখান থেকে পেস ব্যাটারির চার্জে ইংল্যান্ডকে ছারখার করে অবিশ্বাস্য জয় পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা মহম্মদ সিরাজ।
৪৮
সর্বনিম্ন রানের জয়ের তালিকায় তারপরই আছে ২০০৪ সালে ওয়াংখেড়েতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে জয়। সেই ম্যাচে ১৩ রানে জিতেছিল রাহুল দ্রাবিড়ের দল। ৭ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন স্পিনার মুরলি কার্তিক।
৫৮
১৯৭২ সালে ভারতীয় দল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২৮ রানে জিতেছিল। ম্যাচটি হয়েছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে ধস নামিয়েছিলেন বিষাণ সিং বেদি। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নেন ভগবৎ চন্দ্রশেখর।
২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাত্র ৩১ রানে জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। অ্যাডিলেডে বিরাট কোহলির নেতৃত্বে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ হয়েছিল। দুই ইনিংসে ১২৩ ও ৭১ রান করে ম্যাচের সেরা হন চেতেশ্বর পূজারা।
৭৮
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২০০২ সালে আরও একটি টানটান লড়াই শেষে জেতে ভারত। পোর্ট অফ স্পেনের সেই ম্যাচে অধিনায়ক ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ভারত সেই ম্যাচ জিতেছিল ৩৭ রানে। ম্যাচের সেরা হন ভিভিএস লক্ষ্মণ। সেঞ্চুরি করেছিলেন শচীন তেণ্ডুলকর।
৮৮
২০০৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৪৯ রানে জিতেছিল ভারত। অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড় ৮১ ও ৬৪ রান করে ম্যাচের সেরা হন। সিরিজের সেরাও হন তিনি।