মাচো মানে ঘরের কাজ নয়! মিথ ভেঙেই ভাইরাল, জানেন সঞ্জয়ের ক্রিয়েটর হওয়ার নেপথ্যে করোনা?
উপার্জনের জন্য এখন কনটেন্ট তৈরি করেন অনেকেই। তবে নিজগুণে যারা নেটদুনিয়ার মন জিতে নেন তাঁদের সংখ্যা যে খুব কম, তা বলাই বাহুল্য। সেই প্রিয়দের তালিকাতেই রয়েছেন সঞ্জয় বড়াই।
একটি পডকাস্টে খোলামেলা আড্ডায় ক্রিয়েটর হওয়ার জার্নি শেয়ার করেছেন সঞ্জয়। সেখান থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আদতে বারুইপুরের বাসিন্দা সঞ্জয়। তবে পেশাগত কারণে অর্থাৎ স্কুলের চাকরির সুবাদে তিনি থাকেন কলকাতার ফ্ল্যাটে। মফস্বলের আর পাঁচটা ছেলে যেমন বাড়ির কাজে মোটামুটি অভ্যস্ত, সঞ্জয়ের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একেবারে সেরকমই। তবে সেই কাজ নেটদুনিয়ার সামনে তুলে ধরে যে পরিচিতি তৈরি করা যায় তা ভাবতেও পারেননি তিনি।
আরও পড়ুন:
ব্যাপারটা ঠিক কী? করোনা কালে আর পাঁচজনের মতোই বাড়িতে আটকে পড়েছিলেন তিনি। ছিল না সাহায্য করার কেউ। ফলে রান্না থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ তাঁকেই করতে হত। সেই কাজ করার সময়ই একদিন তাঁর মনে হয় ভিডিও করলে কেমন হয়! যেমন ভাবা তেমন কাজ। গোটাটা রেকর্ড করে ফেলেন তিনি। সোশাল মিডিয়ায় তা আপলোড করতেই কেল্লাফতে। বাড়তে থাকে ফলোয়ার।
সমাজ এখনও ভাবতেই পারে না যে একজন পুরুষ সংসারের কাজ সামলাতে পারেন মহিলাদের মতোই। সেই ধারণাই বদলে দিয়েছেন সঞ্জয়। ছিমছাম ফ্ল্যাট, স্কুল থেকে ফিরে তার রান্নাঘরে গিয়ে কখনও কফি বানানো, কখনও আবার রান্না, কখনও গাছের পরিচর্যার ভিডিও দেখতে ভালোবাসেন সকলেই। তবে শুধু যে ঘরকন্নার ভিডিও করেন সঞ্জয়, তা কিন্তু নয়। সঞ্জয়ের মধ্যে লুকিয়ে অনন্য প্রতিভা। তাঁর হাতের কাজ যে কাউকে মুগ্ধ করে।
আরও পড়ুন:
সঞ্জয়ের গুণে মুগ্ধ নেটদুনিয়া। মায়েরা জামাই হিসেবে যেমন পাত্র পছন্দ করে, নিঃসন্দেহে বলা যায় এই যুবক ঠিক তেমনই। যদিও সঞ্জয়ের কথায়, তিনি কখনই ভাবেননি যে ক্রিয়েটর হবেন। তবে যেভাবে মানুষের ভালোবাসা তিনি পাচ্ছেন, তাতে তিনি আপ্লুত। সঞ্জয় বলেন, "আমি কোনওদিন টাকা বা খ্যাতির জন্য ভিডিও করা শুরু করিনি। তবে এখন যেভাবে মানুষ ভালোবাসা দিচ্ছেন। দেখা হলে কথা বলছেন, তাতে আমি আপ্লুত।"