টি-২০ বিশ্বকাপে চাপ, ফুটবল বিশ্বকাপে অনিশ্চয়তা, খেলোয়াড়দের প্রাণ সংশয়! যুদ্ধে বিধ্বস্ত খেলার মাঠ
ক্রীড়াজগতে স্থায়ী ক্ষতি করে যাবে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ।
আরও পড়ুন:
মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের মতো আমিরশাহীও পুড়ছে যুদ্ধের আগুনে। যার জেরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়ছেন ক্রিকেট বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ। আসলে ভারত থেকে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার বহু বিমানের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে কাজ করে দুবাই। সেই দুবাইয়েই এই মুহূর্তে পরিষেবা বন্ধ রেখেছে দেশের প্রথম সারির বিমানসংস্থাগুলি।
আকাশপথে যাতায়াতে সমস্যায় ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ, সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত কর্মী ও বিশ্বকাপের আয়োজনের দায়িত্বে থাকা কর্মী, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কর্মী এবং বিভিন্ন দেশের বোর্ডের আধিকারিকরা। যদিও আইসিসি জানিয়েছে, তাঁরা বিকল্প যাতায়াতের বন্দোবস্ত করছে। তাতেও বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্তদের ভোগান্তি কমছে না। তাছাড়া আইসিসির সদর দপ্তর দুবাইয়ে। সেই অফিস চালানোও এখন সংশয়ে।
এ তো গেল পরোক্ষ ব্যাপার। যুদ্ধের প্রভাব সরাসরিই ক্রিকেটবিশ্বে পড়া শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই আমিরশাহীতে ইংল্যান্ড এ দল ও পাকিস্তান এ দলের ম্যাচ বাতিল হয়েছে। ইংল্যান্ডের দলের সঙ্গে গিয়ে আটকে জনি বেয়ারস্টো, ফ্লিনটফদের মতো তারকারা। আগামী ১৩ মার্চ থেকে আমিরশাহীতেই আফগানিস্তানের সঙ্গে সিরিজ খেলার কথা শ্রীলঙ্কার। সেই সিরিজেও এখন ঘোরতর অনিশ্চয়তা।
আরও পড়ুন:
এই যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো-কে নিয়েও উদ্বেগে তাঁর ভক্তকূল। সৌদির রাজধানী রিয়াধে একের পর এক বোমা পড়ার আওয়াজ শোনা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রিয়াধেই আটকে রয়েছেন রোনাল্ডো এবং আল নাসেরের অন্যান্য ফুটবলাররা। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আল নাসেরের আসন্ন বেশ কয়েকটি ম্যাচ বাতিল হতে পারে বলেও সূত্রের খবর।
এর আগে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্পের খামখেয়ালিপনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেই বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দিয়েছিল ফ্রান্স-জার্মানি। সঙ্গে আরও একধিক ইউরোপীয় দেশ হুমকি দিয়ে রেখেছে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে বিশ্বকাপে যাবে না তাঁরা। ফলে একের পর এক বড় দেশ বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দেওয়ায় টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে।
সিন্ধু ছাড়াও ইরানের যুদ্ধের জেরে আটকে পড়েছেন ভারতের মহিলা কুস্তিগিররা। অন্তত ১৬ জন কুস্তিগির এবং তাঁদের কোচরা আলবেনিয়া পাড়ি দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই তিনটি রুপো এবং দু’টি ব্রোঞ্জ জিতেছেন ভারতের কুস্তিগিররা। কিন্তু আপাতত হোটেল খালি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের। যেহেতু আকাশসীমা বন্ধ, তাই অবিলম্বে আলবেনিয়া থেকে ফিরে আসাও কার্যত অসম্ভব। এছাড়াও ভারতের ভলিবল দল, বাস্কটে বল দল বিভিন্ন দেশে আটকে যুদ্ধের জন্যই। তাঁদের নিরাপদে দেশে ফেরানোই...