কঙ্গনা রানাউত বরাবরই আধ্যাত্মিক। দেশের বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্র চষে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। কখনও শুটের ফাঁকে আবার কখনও বা জীবনের বিশেষ দিনে ঈশ্বরের শরণাপন্ন হন অভিনেত্রী।
২১০
এবার জন্মদিনেও ধর্ম-কর্মে মন কঙ্গনার। ২৩ মার্চ ৩৭ বছরে পা রাখলেন অভিনেত্রী। শনিবার সেই প্রেক্ষিতেই শক্তিপীঠে পুজো দিলেন কঙ্গনা রানাউত।
প্রথমে মা বগলামুখীর দর্শন করে পরে গেলেন জোয়ালা দেবীর মন্দিরে। সেখান থেকেই একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে সেই শক্তিপীঠের বর্ণনা দিলেন কঙ্গনা।
৪১০
ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, "এই বছরেও আমি জন্মদিনে মা শক্তির দর্শন করলাম। হিমাচলের বিশ্বখ্যাত বগলামুখীর দর্শন করে পরিবারের সঙ্গে শক্তিপীঠ জ্বালাদেবীর মন্দিরে গিয়েছিলাম।"
৫১০
এই পোস্টেই কঙ্গনার সংযোজন, "এই প্রাচীন শক্তিপীঠে মা সতীর জিহ্বা পরেছিল। এখানে আদিকাল ধরে জ্যোতির প্রজ্জ্বলন। জল কিংবা কোনও পদার্থ এই প্রদীপের আগুন নেভাতে পারে না।"
সেই শক্তিপীঠ নিয়ে প্রচলিত কাহিনিও শোনালেন অভিনেত্রী। লিখেছেন, "পুরোহিতমশাই যখন লোটা থেকে ওই জ্যোতিতে জল ঢাললেন, তখন সেই জলও আগুনে পরিণত হল। মায়ের এই দিব্যরূপের দর্শন করে সকলেই হতবাক হয়ে মা শক্তির পুজো করা শুরু করেন।"
৭১০
ছোটবেলায় কঙ্গনা নিয়ম করে জোয়ালা দেবীর দর্শন করতেন। সেই কথা মনে করেই বলিউড অভিনেত্রী জানালেন, "আজ বহু বছর পর মায়ের ডাক এল। তাই সকলের মঙ্গলকামনা করে এলাম। জয় মাতা দি।"
৮১০
কঙ্গনাকে দেখা গেল আদ্যোপান্ত ট্র্যাডিশনাল পোশাকে। ললাটে হলুদ তিলক। কঙ্গনার সঙ্গে দেখা গেল তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও। পিসির কোলে চড়ে দেবীদর্শন সারলেন তাঁর ছোট্ট ভাইঝি।
৯১০
এদিকে শোনা যাচ্ছে, লোকসভা ভোটের পরই নাকি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন কঙ্গনা রানাউত। ভুল করে ফাঁস করে দেন তাঁর ফ্যাশন ডিজাইনার।
১০১০
কঙ্গনার পাত্র কে? সেটা অবশ্য খোলসা করেননি ওই ফ্যাশন ডিজাইনার। সূত্র বলছে, কঙ্গনার হবু স্বামী বলিউডের কেউ নন। বিদেশে থাকেন এবং জনপ্রিয় ব্যবসায়ী। (ছবি: ইনস্টাগ্রাম)
হুগলির তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। টিকিট পাওয়ার পর থেকে প্রচারে ব্যস্ত তৃণমূলের তারকা প্রার্থী। কখনও রোড শো, তো কখনও পায়ে হেঁটে প্রচার করছেন তিনি।
২৯
শনিবার সকালে প্রথমে বেড়াবেড়ি পঞ্চায়েতের দক্ষিণপাড়ায় হুডখোলা গাড়িতে রোড শো করেন। সারেন জনসংযোগ।
দুদিনের ভুটান সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পড়শি দেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পারোতে শুক্রবার দুপুরে পৌঁছন তিনি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।
২৯
বিমানবন্দরে সৌজন্য বিনিময় করেন দুদেশের প্রধানমন্ত্রী।