মহাদেবকে তুষ্ট করতে রাশি মেনে জপ করুন শিবমন্ত্র, কাটবে জীবনের ঘোর অন্ধকার
প্রতিটি রাশির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও অধিপতি গ্রহ রয়েছে। সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট মহেশ মন্ত্র জপ করলে আশাতীত ফল মেলে। শ্রাবণে রাশি মেনে ঠিক কোন মন্ত্র জপবেন? জেনে নিন।
মেষ ও বৃষ রাশির জাতকদের জন্য শিবপুজোয় রয়েছে বিশেষ মন্ত্র। মেষ রাশির ব্যক্তিরা ভোলেনাথের আরাধনায় ‘ওঁ কালভৈরবায় নমঃ’ মন্ত্র জপ করুন। এতে শুভ ফল মিলবে। অন্যদিকে, বৃষ রাশির জাতক-জাতিকারা মহাদেবের চরণে ‘ওঁ ভোলেনাথায় নমঃ’ জপ করলে পার্থিব ও ভৌত সুখ-সমৃদ্ধি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। দেবাদিদেবের কৃপায় দূর হয় জীবনের সমস্ত জটিলতা।
আরও পড়ুন:
মিথুন ও কর্কট রাশির ভক্তদের জন্য শাস্ত্রীয় বিধান অত্যন্ত ফলপ্রসূ। মিথুন রাশির জাতকেরা ‘ওঁ গোবিন্দায় নমঃ’ মন্ত্র উচ্চারণ করলে সমস্ত শুভ কাজ বিঘ্নহীনভাবে সম্পন্ন হয়। কর্কট রাশির ক্ষেত্রে ‘ওঁ চন্দ্র মৌলেশ্বরায় নমঃ’ মন্ত্র জপ করা পরম কল্যাণকর। চন্দ্রশেখরের করুণায় চিত্ত শান্ত হয় এবং জীবনে অপার আনন্দের সঞ্চার ঘটে। জপেই মেলে মুক্তি।
সিংহ ও কন্যা রাশির জাতকদের জন্য রয়েছে মহাশিবের কৃপালাভের মন্ত্র। সিংহ রাশির ব্যক্তিরা ‘ওঁ নমঃ শিবায় রুদ্রায় নমঃ’ জপ করলে কর্মজীবনের সমস্ত বাধা ও জটিলতা থেকে মুক্তি পান। আবার কন্যা রাশির ক্ষেত্রে ‘ওঁ নমো ভগবতে রুদ্রায়’ মন্ত্র জপ বিশেষ ফলদায়ী। আশুতোষের এই রুদ্ররূপের ধ্যানে জীবনে সুখ ও শান্তির প্রসার ঘটে।
তুলা ও বৃশ্চিক রাশির শিবভক্তদের সাধনায় বিশেষ মন্ত্র উল্লেখ রয়েছে। তুলা রাশির জাতক-জাতিকারা ‘ওঁ ত্রিলোকেশ্বরায় নমঃ’ মন্ত্র জপ করলে জীবনে কাঙ্ক্ষিত স্থায়িত্ব ও সমতা ফিরে আসে। অন্যদিকে, বৃশ্চিক রাশির ব্যক্তিরা শ্রাবণে ‘ওঁ মৃত্যুঞ্জয়ায় নমঃ’ মন্ত্র উচ্চারণ করলে যাবতীয় বাধা কাটে। পরমেশ্বরের আশীর্বাদে ভক্তের জীবনে আনন্দের দ্যুতি ছড়ায়। দূর হয় দৈনন্দিন সংকট।
আরও পড়ুন:
কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকারা শ্রাবণ মাসে মহেশ্বরকে সন্তুষ্ট করতে ‘ওঁ শিবায় নমঃ’ মন্ত্র জপ করুন। এই মন্ত্রোচ্চারণে জীবনে পরম শুভ ফলপ্রাপ্তি ঘটে। ভোলেবাবার আশীর্বাদে জীবনের নানা দিক থেকে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। মনের গহিনের সৎ ইচ্ছাগুলো পূর্ণ হয়। ভক্তিভরে জপ করলে ভক্ত লাভ করেন চিরন্তন মানসিক শক্তি ও আত্মিক প্রশান্তি।
মীন রাশির ভক্তদের ক্ষেত্রে শিবপুজোয় ‘ওঁ ত্রিলোকনাথায় নমঃ’ মন্ত্র জপ করা বাঞ্ছনীয়। এই মন্ত্রোচ্চারণে জীবনের সর্বপ্রকারের বাধা-বিঘ্ন বিনষ্ট হয় এবং সংকট দূর হয়। দেবদেবীর কৃপায় সার্বিক মঙ্গল সূচিত হয়। নিষ্ঠাভরে মহাদেবের আরাধনা ও মূল মন্ত্র জপে প্রতিটি রাশির জাতক পরম প্রাপ্তি লাভ করতে পারেন এই শ্রাবণে।