মাত্র ৪০ মিনিট, কেন রশ্মিকাকে বিয়েতে সাজাতে এত কম সময় পেলেন মেকআপ আর্টিস্ট?
বিয়ে থেকে রিসেপশন – প্রতিক্ষেত্রেই সাজসজ্জায় সেলেব দম্পতির নিজেদের সংস্কৃতির ছাপ স্পষ্ট। আর সে কারণেই তাঁদের সাজসজ্জা যেন অন্য মাত্রা পেয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
তনভি নাকি আশাই করেননি রশ্মিকার বিয়ের সাজ এত ভাইরাল হবে। অভিনেত্রী নাকি তনভিকে বারবার বলেছেন, মেকআপ যেন কোনওভাবেই উগ্র না হয়ে যান। অর্থাৎ তিনি যেমন, তেমনই যেন দেখতে লাগে বিয়ের সাজে। সেইমতো কাজ শুরু করেন তনভি। বেস মেকআপের পরই চোখসজ্জার কাজ শুরু করেন। রশ্মিকার চোখ এতই সুন্দর যে আর বিশেষ সাজানোর প্রয়োজন পড়েনি বলেই মত রূপটান শিল্পীর।
যতই তাড়াহুড়ো থাক না কেন। সাজগোজের ক্ষেত্রে বিয়ে নিয়মরীতি মানতে ভোলেননি সেলিব্রিটি যুগল। তাঁদের মেকআপ খুঁটিয়ে দেখলে চোখে পড়ে, বর-বউ দুজনের গালেই একরত্তি কালো টিকা। প্রথম দর্শনে যা তিল ভেবে ভুল হয়ে যায়! ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে কিন্তু গালে এমন কালো টিকা এঁকে দেওয়া অত্যন্ত সাধারণ ব্যাপার। বিশেষত, বিয়ের সাজের এ এক অবিচ্ছিন্ন অঙ্গই বলা চলে।
এই কালো টিকার নাম ‘দৃষ্টি বট্টু’। গুরুজনেরা নবদম্পতির মঙ্গল কামনায় এমন টিকা দিয়ে থাকেন। হিন্দু শাস্ত্রে এই কালো টিকার গুরুত্ব অপরিসীম। মনে করা হয়, আমাদের চারপাশে যে অশুভ শক্তি মিশে থাকে হাওয়া বাতাসে, তার কুনজর মানুষ, প্রাণী এমনকী জিনিসের প্রতিও পড়তে পারে। এই নেগেটিভ এনার্জির হাত থেকে বাঁচাতে, রক্ষাকবচের মতো কাজ করে কালো টিকা বা দৃষ্টি বট্টু।
বিজয়-রশ্মিকার বিয়েতে গোপনীয়তা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 'বীরোশ' ছাড়া অন্য কেউ যাতে ছবি ভাইরাল করতে না পারেন, সেদিকে সকলের নজর ছিল। সে কারণে রশ্মিকাকে সাজানোর সময় 'নো ফোন পলিসি' মেনে চলেন রূপটান শিল্পী তনভিও। সাজগোজ করানোর পর দু'জনের বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। বহুদিন পর কারও বিয়ের অনুষ্ঠানে এতটা মজা করেন বলেই জানান রূপটান শিল্পী।