নতুন বছরের প্রথম দিন। ছুটির মেজাজে রাজ্যবাসী। কলকাতার রাজপথে জনজোয়ার। মধ্য কলকাতা থেকে দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ভিড় পর্যটকদরে। চিড়িখানা থেকে ভিক্টোরিয়া, ইকো পার্ক থেকে গঙ্গাবক্ষে নৌক বিহারে ভিড় জমালেন অনেকে। শীতের মিঠে রোদ গায়ে মেখে জনতা ঘুরল সর্বত্র। পর্যটকদের পাশাপাশি খুশি ব্যবসায়ীরাও।
২১১
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই চিড়িয়াখানায় ভিড় জমিয়েছিল আট থেকে আশি। বাঘ, শিম্পাজি, বিরল সাপ থেকে নানান জন্তু দেখে খুশি কচিকাঁচারা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে আলিপুর চিড়িয়াখানায়।
শহরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। বছরের প্রথম দিনে প্রেমিক-প্রেমিকার হাত ধরে হাজির তরুণ-তরুণীর দল। শুধু নতুন প্রজন্মই নয়, ভিড় জমান অনেকেই। এই চত্বরে পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন ছোট ব্যবসায়ীরা। ভিড় হওয়ায় খুশি তাঁরাও।
৪১১
আজ মেলা বসেছিল ময়দানে। কচিকাঁচাদের ভিড়ে তাঁদের হাসির শব্দে যেন প্রাণ ফিরে পেল ময়দান। ছবিতে দেখা যাচ্ছে ছোটেদের নাগরদোলায় ভিড়। চুটিয়ে মুহূর্ত উপভোগ করছে তারা।
৫১১
ময়দান, চিড়িয়াখানার পাশাপাশি অনেকে ভিড় জমিয়েছিলেন রেস কোর্সেও। রেড রোডে আর সিটিসি রেস কোর্সে ডার্বি দেখতে ভিড় জমান অনেকে।
'দে দে পাল তুলে দে...'। গোধূলিতে হালকা কুয়াশায় প্রিয়জনের হাত ধরে গঙ্গার পাড়ে নৌকা বিহারে দেখা গেল অনেককে। বছর প্রথম দিনে প্রিয়জনের সঙ্গে একান্তে সময় কাটালেন অনেক যুগল।
৭১১
চোখে পড়ার মতো ভিড় ছিল নিউটাউনের ইকো পার্কেও। সকাল থেকে ভিড় জমাতে থাকেন পর্যটকরা। পৃথিবীর সাত আশ্চর্যের রেপ্লিকার সামনে ভিড় জনতার।
কলকাতাবাসী ও শহরতলীর মানুষরা কল্পতরু উৎসবে মা কালীর আশীর্বাদ পেতে ভিড় করেছিলেন দক্ষিণেশ্বরে। প্রথম দিন দেবীর আশীর্বাদ নিয়ে শুরু করলেন তাঁরা। সকাল থেকে ভক্তদের আগমনে গমগম করছিল এই মন্দির।
১১১১
শুধু দক্ষিণেশ্বর নয়। কাশীপুর উদ্যানবাটীতেও ভিড় জমিয়ে ছিলেন প্রচুর ভক্ত। মহাপ্রয়াণের কয়েক দিন আগে কাশীপুর উদ্যানবাটীতে এই দিনেই কল্পতরু হয়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। নিজের ভক্তদের সব মনোবাঞ্ছা তিনি পূরণ করেছিলেন এই দিনে। ভক্তরা সেই বিশ্বাস থেকেই ১ জানুয়ারি পালন করেন কল্পতরু উৎসব।
বিনোদুনিয়ায় কঠোর পরিশ্রমের পর সাফল্য মেলা যেমন কঠিন তেমনই সেই সাফল্যকে ধরে রাখা ততোধিক কঠিন। যাঁরা তা পেরেছেন তাঁরা আজ দর্শকের মনে রাজত্ব করছেন আর যাঁরা তা পারেননি তাঁরা চলে গিয়েছেন অন্তরালে। বলিউডে এহেন নায়িকার সংখ্যা কম নয়। অভিনয় হোক বা যৌন আবেদন,একসময়ে পর্দায় ঝড় তোলা নায়িকারা জনপ্রিয়তা পেয়েও চলে গিয়েছেন লোকচক্ষুর অন্তরালে। কোন কোন নায়িকারা রয়েছেন সেই তালিকায়?
২৮
যৌন আবেদনে একসময়ে পর্দায় আগুন ধরিয়েছিলেন তনুশ্রী দত্ত। ইমরান হাসমির সঙ্গে 'আশিক বানায়া আপনে' ছবিতে সাহসী দৃশ্যে রীতিমতো আগুন ধরিয়েছিলেন তিনি। বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয়ের পর হঠাৎ করেই বলিউড থেকে উধাও হয়ে যান । তবে বহু বছর পর 'মি টু' বিতর্কে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তনুশ্রী।
ইমরান হাসমির আরও এক নায়িকা উদিতা গোস্বামীর ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই। 'জেহর', 'অকসর'-এর মতো একাধিক ছবিতে আবেদনময়ী হয়ে ধরা দিলেও পরবর্তীতে তাঁকে সেভাবে আর পাওয়া যায়নি পর্দায়। একসময়ে বলিউড থেকে সরে যান উদিতা।
৪৮
'মার্ডার', 'খোয়াইশ'-এর মতো ছবি মল্লিকা শেরাওয়াতকে 'সেক্স সিম্বল' হিসেবে দর্শকের কাছে পরিচিত করেছিল। আইটেম নম্বরেও ঝড় তুলতেন মল্লিকা। সেই নায়িকাও তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর সরে যান বিনোদুনিয়া তথা বলিউড থেকে।
৫৮
'আপনা সপনা মানি মানি', 'নো এন্ট্রি'-এর মতো ছবিতে হটনেসের দিক থেকে তাক লাগিয়েছেন সেলিনা জেটলি। বহু ছবিতে অভিনয়ের পর জনপ্রিয়তা পেয়েও অভিনয়জীবন থেকে সরে যান সেলিনা।
এই তালিকায় রয়েছেন আরও এক অভিনেত্রী অন্তরা মালি। পর্দায় লাস্যময়ীরূপে সকলকে তাক লাগিয়েছেন অন্তরা। পরে সরে যান বলিউড থেকে।
৭৮
তবে শুধুই যৌন আবেদনের দিক থেকেই নয়। অভিনয়েও দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এমন অনেক নায়িকা যারা পরে বলিউড ত্যাগ করেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আয়েশা টাকিয়া।
৮৮
প্রথম দর্শনে তাঁকে দেখে মনে হয় যেন স্বয়ং ঐশ্বর্য। তিনি স্নেহা উল্লাল। সলমনের ছবিতে ডেবিউ করেন স্নেহা। রাইসুন্দরীর মতো মুখের আদল হওয়ায় দর্শকের কাছে খুব কম সময়ে জনপ্রিয়তা পেয়েও টিকে থাকতে পারেননি বিনোদুনিয়ায়। ছবি: সোশাল মিডিয়া
নিঝুম রাত হোক বা ভরদুপুর, সর্বদা সজাগ থাকে কুকুর। নজর রাখে সবকিছুর উপর। প্রায় সকলেরই এমন ধারণা। কিন্তু জানেন কি এই ধারণা একেবারে ভুল? কিছু প্রজাতির কুকুর রয়েছে যারা ঘুমোতে ওস্তাদ। নির্দ্বিধায় বলা যায়, মানুষের চেয়েও বেশি ঘুমোতে পারে তারা। একটানা ১৮ ঘণ্টা ঘুমোলেও অবাক হওয়ার কিছুই নেই!
২৮
নিশ্চয়ই ভাবছেন এই তালিকায় কোন কোন প্রজাতির কুকুর? প্রথম নাম হল, ব্রিটিশ বুলডগ। এদের ইংলিশ বুলডগও বলে। এই প্রজাতির কুকুরকে কোনওকিছুই বিশেষ উদ্বিগ্ন করতে পারে না। বরবর ফুরফুরে মেজাজেই থাকে এরা। ঘুম এদের অত্যন্ত প্রিয়। তথ্য বলছে, দিনে ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে এরা।
তালিকায় রয়েছে বাসেট হাউন্ডও। ছোট পায়ের এই কুকুরটিও অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের। সহজেই যে কারও সঙ্গে মিশে যাওয়ায় এদের জুড়ি মেলা ভার! সাধারণও এরা ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা ঘুমোয়। তবে তা ২০ ঘণ্টা হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কোনও কারণ নেই।
৪৮
ঘুমোতে ওস্তাদ সেন্ট বার্নার্ড প্রজাতির কুকুরও। আকারে বড় হওয়ায় এমনিতেই এদের বেশি বিশ্রামের প্রয়োজন। অন্যথায় শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পূর্ণবয়স্ক সেন্ট বার্নার্ড নিয়মিত ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে।
৫৮
গ্রেট ডেন প্রজাতির কুকুরও দিনের একটা বড় সময় কাটায় ঘুমিয়েই। বিরাট আকার হওয়ায় এদেরও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঘুমের প্রয়োজন। নিয়মিত ১২-১৪ ঘণ্টা ঘুম এদের ক্ষেত্রে খুবই স্বাভাবিক।
আকারে ছোট হলেও ঘুমপ্রিয় প্রজাতিগুলোর মধ্যেই একটি হল শিৎ জু। নিরাপদ বোধ করলে একটানা ১৬ ঘণ্টাও ঘুমোতে পারে এরা।
৭৮
দ্রুততম কুকুরের প্রজাতগুলোর মধ্যে একটি হল গ্রে হাউন্ড। ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে দৌড়াতে সক্ষম এরা। একইভাবে ঘুমেও পারদর্শী এরা। ১৬ থেকে ২২ ঘণ্টা ঘুমোতে পারে নিশ্চিন্তে।
৮৮
ব্রিটিশ প্রজাতির কুকুর এই ম্যাস্টিফও ঘুমোতে ভালোবাসে। দিনে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমোতে পারে এরা। যা এই প্রজাতির গ্রোথের ক্ষেত্রে জরুরিও বটে।