মাত্র ৩২ বছর বয়সেই ফুটবল থেকে অবসর প্রবীর দাসের (Prabir Das)। ১৪ বছরের ফুটবল কেরিয়ারে ভারতের একাধিক সফল ক্লাবে খেলেছেন। বিশেষ করে মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত পছন্দের সোদপুরের এই সাইডব্যাক। ফেসবুকে আবেগপ্রবণ দীর্ঘ বার্তায় ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন প্রবীর। আচমকা কেন এই সিদ্ধান্ত, সেটারও কারণ জানিয়েছেন।
সেইল অ্যাকাডেমি থেকে উত্থান প্রবীরের। ২০১২ সালে পৈলান অ্যারোজে সই করেন। এরপর ডেম্পো হয়ে চলে আসেন মোহনবাগানে। তিন বছর সবুজ-মেরুন জার্সিতে সমর্থকদের অন্যতম প্রিয় ফুটবলার হয়ে ওঠেন। সেই সময় আই লিগ ও ফেডারেশন কাপ জেতেন। আইএসএলে গোয়া, এটিকে, বেঙ্গালুরু এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স, মুম্বই সিটির হয়ে খেলেছেন। এর মধ্যে এটিকে’র হয়ে আইএসএল ও বেঙ্গালুরুর হয়ে ডুরান্ড জিতেছেন। ভারতের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯, অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ে খেলেছেন।
আরও পড়ুন:
সোশাল মিডিয়ায় প্রবীর লিখেছেন, ‘আমার এই মুহূর্তের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা মুশকিল। সব ফুটবলারই জানে, এই দিনটা আসবে। কিন্তু তৈরি ছিলাম না। ফুটবলই আমার জীবন। সেই স্বপ্নের জন্য বাড়ি ছেড়েছিলাম। তারপর মোহনবাগানে নিজের ঘরে ফিরে এসেছি। সবাই জানে, মোহনবাগান আমার কাছে মায়ের সমান। সমর্থকদের ভালোবাসা আমার কাছে চিরকালের সম্পদ হয়ে থাকবে।’ অবসরের ছবিতে সব ক্লাবের ছবি দিয়েছেন। যেখানে মাঝে বড় করে মোহনবাগানের জার্সি পরা ছবি।
কিন্তু হঠাৎ অবসর কেন? তিনি জানিয়েছেন, ‘কেরালার হয়ে প্রাক-মরশুমে হঠাৎ করে শরীরের বাঁদিকে অসাড়তা অনুভব করি। পরে জানি, গুরুতর স্নায়ুরোগে ভুগছি। তখন আমার লড়াইটা শুধু মাঠে ফেরার ছিল না। ছিল, নিজের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার লড়াই। এই অন্ধকার সময়ে আমার স্ত্রী গীতশ্রী পাশে ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আমি মাঠে ফিরেছি। আমি অবসর নিচ্ছি বটে, তবে ফুটবলকে বিদায় জানাব না। ফুটবল আমাকে সব দিয়েছে, আমি চেষ্টা করব কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার।’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
খুলেছিল অর্জুনের হস্তক্ষেপে, সমস্যা না মেটায় দু’মাসেই বন্ধ জুটমিল! চাকরিহারা হাজারের বেশি শ্রমিক
-
‘লোক দেখানো’, পাকিস্তান মাসুদ আজহারের মাথার দাম বাড়াতেই তীব্র কটাক্ষ ভারতের
-
‘মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদে নন্দীগ্রামে জিততে চাই’, ঋত শিবিরের প্রার্থীর মন্তব্যে ‘বকলেস’ কটাক্ষ কালীঘাটের
-
দুর্গাপুজোয় বেলগাছ ছাড়াই সম্ভব দেবীর আবাহন? কী বলছে শাস্ত্র
-
ডুরান্ড জিতে আরও ভয়ংকর ইস্টবেঙ্গল! জর্ডনে এসিএল ২-এ নামার আগে হুঙ্কার হাবাসের