স্টাফ রিপোর্টার: সমর্থক এবং ক্লাব কর্তাদের চাপ নয়। নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে ক্রোমাকে ছেড়ে দিয়ে জনি অ্যাকোস্টাকে সই করালেন ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। শনিবার রিয়াল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে খেলার জন্য জনিকে নিয়েই কাশ্মীরে গেল ইস্টবেঙ্গল।
মরশুমের শুরু থেকেই স্টপার মার্টির সঙ্গে স্ট্রাইকার মার্কোসকেও ছাড়ার জন্য সমর্থকদের পাশাপাশি ক্লাব কর্তাদের তরফ থেকেও প্রবল চাপ আসছিল কোয়েস কর্তাদের উপর। শুরুতে আলেজান্দ্রো এবং বর্তমানে মারিওকেও বোঝানো হচ্ছিল মার্কোসকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। কিন্তু মারিও চাইছিলেন ক্রোমাকে ছেড়ে দিতে। এটা যে শুধু তাঁর বিরুদ্ধাচারণ করার জন্য এমনটা নয়। টেকনিক্যাল কারণেই মার্কোসকে রেখে ক্রোমাকে ছাড়তে চাইছিলেন তিনি।
[আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ ফাইনালে ইতিহাসের দোরগোড়ায় হরমনপ্রীত, রোহিতের রেকর্ড ভাঙার সামনে শেফালি]
আই লিগে এখনও পর্যন্ত ৬টা গোল করেছেন মার্কোস। সঙ্গে অন্তত চারটে গোল হওয়ার ক্ষেত্রে সহকারির ভূমিকা পালন করেছেন। গোল না পেলেও প্রতিনিয়ত শাফল করে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের বিপর্যস্ত করেন। যদি এক স্ট্রাইকারে খেলানো হয়, তাহলে দলে মার্কোসের বিকল্প কিছুতেই ক্রোমা হবেন না। সেকেন্ড স্ট্রাইকার হিসেবেই খেলতে অভ্যস্ত ক্রোমা। তাই মার্কোসকে বাদ দিয়ে এক স্ট্রাইকার হিসেবে ক্রোমাকে ভাবতে না পারাতেই তাঁকে এদিন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ইস্টবেঙ্গল।
জনিকে অবশ্য নেওয়া হল ডার্বির দিকে লক্ষ্য রেখে। আই লিগে এই মুহূর্তে কোনও সুযোগ না থাকলেও ডার্বির দিকে তাকিয়ে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ কর্তারা মনে করছেন, ডার্বিতে মোহনবাগানকে হারাতে পারলে কিছুটা হলেও সম্মান বাঁচানো যাবে। তাই জনি অ্যাকোস্টাকে দিয়ে ডিফেন্স শক্তিশালী করার ভাবনা। তার আগে রিয়াল কাশ্মীর ম্যাচে খেলিয়ে দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে কোস্টারিকার ডিফেন্ডারকে।
[আরও পড়ুন: ২০টি ছক্কা হাঁকিয়ে অপরাজিত ১৫৮ রান, টি-টোয়েন্টিতে ঝড় তুললেন হার্দিক]
সর্বশেষ খবর
-
এবার মাদ্রাসাতেও জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধী টিকা, নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যদপ্তরের
-
বিশ্বকাপের ‘দ্বিতীয়’ উদ্বোধনী মঞ্চে আগুন ধরালেন নোরা, কানাডা কাঁপালেন ‘বাংলাদেশি’ ডিজে
-
জুটত না থালাভর্তি ভাতও! অভাবকে পরাস্ত করে আকাদেমি পুরস্কার পাচ্ছেন ২ ছৌ শিল্পী
-
‘বিদ্রোহী’ শিবিরে যেতেই পদ খোয়ালেন মালা রায়, মহিলা তৃণমূলের নতুন সভানেত্রী কে?
-
সড়কপথে ৩৫০ কিমি পাড়ি, বাংলাদেশ পৌঁছলেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী