Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
SAI

কেবল ভারতীয়রা নন, সাইয়ের সেন্টারে এশিয়াডের প্রস্তুতি বিদেশি অ্যাথলিটদের

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উন্নত হয়েছে ভারতীয় ক্রীড়ার পরিকাঠামো। যে পরিকাঠামোয় এখন ট্রেনিং সারতে আসছেন বিদেশি ক্রীড়াবিদরা।

শিলাজিৎ সরকার
শিলাজিৎ সরকার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৩:৫৪

link
শিলাজিৎ সরকার
শিলাজিৎ সরকার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১৩:৫৪

options
link
কেবল ভারতীয়রা নন, সাইয়ের সেন্টারে এশিয়াডের প্রস্তুতি বিদেশি অ্যাথলিটদের zoom
সাইয়ের গুয়াহাটি সেন্টারে অনুশীলনে নেপালের বক্সাররা।
Advertisement

এমনিতে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের বিদেশে ট্রেনিং নতুন কোনও বিষয় নয়। তারকা জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়া দীর্ঘদিন ধরেই সরকার দক্ষিণ আফ্রিকা ও তুরস্কে অনুশীলন করেন। মীরাবাঈ চানুও বিভিন্ন সময়ে ট্রেনিং করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। এর বাইরে দলগত খেলাতেও বিদেশে ‘এক্সপোজার ট্যুর’ নতুন কিছু নয়।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উন্নত হয়েছে ভারতীয় ক্রীড়ার পরিকাঠামো। যে পরিকাঠামোয় এখন ট্রেনিং সারতে আসছেন বিদেশি ক্রীড়াবিদরা। সম্প্রতি সাইয়ের গুয়াহাটি সেন্টারে এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি সারতে এসেছিল নেপালের বক্সিং টিম। যেখানে ছিলেন সাত বক্সার– রামিশা শ্রেষ্ঠা (৫১ কেজি), অস্মিতা দুওয়াল (৫৪ কেজি), কুসুম তামাং (৬৫ কেজি), চন্দ্র বাহাদুর থাপা (৫৫ কেজি), খগেন্দ্র রোকা মাগার (৬০ কেজি), দান বাহাদুর দারলামি (৭০ কেজি) এবং রবিন নেপাল (৯০ কেজি)। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সে দেশের দুই বক্সিং কোচ দীপক মহারাজন এবং রাজ শ্রেষ্ঠা। এশিয়ান গেমসের জন্য ১০ আগস্ট গুয়াহাটি আসে নেপালের বক্সিং দল। তাদের শিবির চলে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সে দেশের দুই কোচের পাশাপাশি ভারতের নরেন্দ্র রানা, ত্রিদীপ বোরা এবং পর্ণামিকা বোরার কোচিংয়ে অনুশীলন করেছেন সাত বক্সার। খেলেছেন প্রস্তুতি ম্যাচও। সাইতে ট্রেনিং প্রসঙ্গে রামিশা বলছিলেন, “আমাদের কাছে এই সুযোগ দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা। এখানের পরিকাঠামো, কোচিং এবং সুযোগ-সুবিধা আমাদের টেকনিক ও শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করেছে। সাইয়ের কোচেরা যেভাবে সাহায্য করেছেন, ওঁদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। এশিয়ান গেমসের আগে এই ক্যাম্প আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।”

আবার তিরুবনন্তপুরমে সাইয়ের পরিকাঠামো ব্যবহার করে মহাদেশের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি হয়েছেন মালয়েশিয়ার দুই অ্যাথলিটও। তাঁরা হলেন ওয়ান মহম্মদ ফাজরি এবং উমর ওসমান। দু’জনকে ৮০০ মিটার দৌড়ের জন্য সেখানে প্রস্তুত করেছেন ভারতের প্রাক্তন অ্যাথলিট মহম্মদ আজহারউদ্দিন। তাঁর বক্তব্য, “তিরুবনন্তপুরম সাই ক্যাম্পাস থেকে উঠে এসে অ্যাথলিটরা ভারতের হয়ে অলিম্পিকেও সুযোগ পেয়েছে। তাই এই সেন্টারের আমার কাছে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আমার মতে, এই ট্রেনিং সেন্টার সৌভাগ্য বয়ে আনে। আমরা এশিয়ান গেমসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। তাই ট্রেনিংয়ের জন্য কোনও ইউরোপীয় দেশে যাওয়ার পরিবর্তে এই সেন্টারকেই বেছে নিয়েছি।” ভারতে এসে সব মিলিয়ে প্রায় এক মাস ট্রেনিং করেছেন এই দুই অ্যাথলিট। পাশাপাশি সোনিপথ সাইয়ে এসে এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি সেরেছে ইরানের মহিলা কবাডি দলও।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.