Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
করোনা ভাইরাস

ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জাপানের বন্দরে আটকে থাকা জাহাজ

৫ ভারতীয় ও ৪০ মার্কিন নাগরিকের শরীরে করোনা ভাইরাসের থাবা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০, ০৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০, ০৯:২৯

options
link
ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জাপানের বন্দরে আটকে থাকা জাহাজ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাপানের ইয়োকোহামা বন্দরে আটকে থাকা বিলাসবহুল জাহাজের যাত্রীদের মধ্যে ক্রমশই ছড়িয়ে পড়ছে করোনা সংক্রমণ। অন্তত ৫ ভারতীয় এবং ৪০ জন মার্কিন নাগরিকের শরীরে বাসা বেঁধেছে নোভেল করোনা ভাইরাস। খবরটি নিশ্চিত করেছে মার্কিন প্রশাসন। বিশেষ বিমান পাঠিয়ে আক্রান্ত মার্কিনীদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আমেরিকার তরফে।

ফেব্রুয়ারির গোড়া থেকে সাড়ে তিনশোরও বেশি যাত্রী নিয়ে জাপানের ইয়োকোহামা বন্দরে আটকে পড়েছে ডায়মন্ড প্রিন্স নামে এই প্রমোদতরী। যেখানে অন্যান্য নাগরিকদের পাশাপাশি রয়েছেন বেশ কয়েকজন ভারতীয়। জাহাজে এক ব্যক্তিকে করোনা ভাইরাস পজিটিভ বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তখনই উদ্বেগ বাড়ছিল সংক্রমণ নিয়ে। সেই উদ্বেগ সত্যি করে ধীরে ধীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে থাকে জাহাজের অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যেও। জাপানে আটকে পড়া বাংলার দুই বাসিন্দা SOS-এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন, যাতে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জিমে তালা? বাড়িতে শরীরচর্চায় আপনার গুরু হতেই পারেন চিনের এই নাগরিক]

এরপর দেখা যায়, জাহাজের অন্তত ৫ ভারতীয়ের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে। জাহাজের মধ্যেই তাঁদের পৃথক থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও ভয় কাটছে না। জাপান থেকে করোনা আক্রান্ত ভারতীয়দের উদ্ধার করতে এবং সংক্রমণ থেকে এখনও যাঁরা নিরাপদ দূরত্বে আছেন, তাঁদের যথাযথ নিরাপত্তা দিতে কেন্দ্র কী সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছে, তা এখনও অজানা। তবে নিজের দেশের নাগরিকদের সুরক্ষায় মার্কিন প্রশাসন বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ইতিমধ্যেই।

বিশেষ বিমান পাঠিয়ে ডায়মন্ড প্রিন্সেসে আটকে থাকা নাগরিকদের দেশে ফেরাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। জাপানের হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা করিয়ে দেশের ফেরার পরও ১৪ দিন তাঁদের পৃথক থাকতে হবে। সোমবার সকালের দিকে অন্য একটি জাহাজে তাঁদের সরিয়ে নেওয়া হলেও, সেখানে তাঁদের কোনও শারীরিক পরীক্ষা হয়নি বলে অভিযোগের সুরে জানিয়েছেন মার্কিন যাত্রী সারা অ্যারন। তিনি বলছেন, “এখান থেকে যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরতে চাই। আমাদের ঠিকমতো কোয়ারেন্টাইনে থাকা দরকার, যা এখানে মোটেই হচ্ছে না।” তবে উদ্ধারকারী দলের সকলেরই আপাদমস্তক উচ্চমানের সুরক্ষাবর্মে ঢাকা, যাতে তাঁরাও না আক্রান্ত হয়ে পড়েন।

[আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণ রুখতে ‘নোটবন্দি’র পথে চিন, বাজারে আসছে জীবাণুমুক্ত নতুন ইউয়ান]

এই পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় জাপান প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে অন্যান্য দেশ। অভিযোগ উঠছে, করোনা পরীক্ষার জন্যও যথোপযুক্ত পরিকাঠামোও নেই জাপানে। অপ্রতুল মেডিক্যাল কিট, দক্ষ চিকিৎসকের অভাবে এ নিয়ে যথাযথ মোকাবিলা করে উঠতে পারছে না জাপান। নিজেদের দেশেই করোনা সংক্রমণ রুখতে ব্যর্থ জাপান। সেক্ষেত্রে বিদেশিদের কতটা নিরাপত্তা দিতে পারবে, তা নিয়ে গভীর সংশয় থাকছেই। ফলে এই মুহূর্তে চিনের ইউহানের পাশাপাশি করোনা নিয়ে বিশ্ববাসীর নজরে জাপানের ইয়োকোহামায় আটকে থাকা জাহাজ ডায়মন্ড প্রিন্সেস।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.