Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Donald Trump

ইরানের ‘অনুমতি’র দরকার নেই! হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে বিরাট ঘোষণা ট্রাম্পের, ফল মিলবে?

সংঘর্ষবিরতি স্থায়ী করার জন্য শুক্রবার ইসলামাবাদে বৈঠকে বসবে আমেরিকা এবং ইরান। সেই বৈঠকের আগে বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন ট্রাম্প।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৫:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৫:০৪

options
link
ইরানের ‘অনুমতি’র দরকার নেই! হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে বিরাট ঘোষণা ট্রাম্পের, ফল মিলবে? zoom
ফাইল ছবি।

হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে ইরানের ভূমিকা একেবারে নস্যাৎ করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ! সাফ জানিয়ে দিলেন, ইরান থাক বা না থাক হরমুজে জাহাজ চলবেই। উল্লেখ্য, ভারতীয় সময় বুধবার ভোর থেকে সংঘর্ষবিরতি কার্যকর হয়েছে। শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। কিন্তু তেহরানের শর্ত মানতে নারাজ আমেরিকা-সহ একাধিক দেশ।

সংঘর্ষবিরতি স্থায়ী করার জন্য শুক্রবার ইসলামাবাদে বৈঠকে বসবে আমেরিকা এবং ইরান। দুপক্ষের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে পৌঁছেও গিয়েছেন। সেই বৈঠকের আগে বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন ট্রাম্প। ট্রুথ সোশালে তিনি লেখেন, ‘খুব তাড়াতাড়িই গোটা বিশ্ব দেখবে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ নির্বিঘ্নে চলাচল করছে। ইরান সেখানে থাক বা না থাক, তাতে কিছু এসে যায় না।’ উল্লেখ্য, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে বারবার হুঙ্কার দিয়েছেন ট্রাম্প। তাতে অবশ্য বিশেষ সুবিধা করে উঠতে পারেননি।

Advertisement

সংঘর্ষবিরতির পথে হাঁটলেও যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিশাল। ইরানের তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, হরমুজ প্রণালী থেকে যাতায়াত করা জাহাজগুলি থেকে সংগৃহীত অর্থ যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে ব্যবহার করা হবে। 

সংঘর্ষবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ পার হতে এখন থেকে মোটা অঙ্কের টোল ট্যাক্স দিতে হবে জ্বালানিবাহী জাহাজগুলিকে। জ্বালানিবাহী জাহাজ থেকে ব্যারেল পিছু নেওয়া হবে এক ডলার করে। ক্রিপ্টো কারেন্সিতে নেওয়া হবে এই অর্থ। এখানেই শেষ নয়। এতকিছু করেও দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেবে না বলে জানিয়ে দেয় ইরান। ট্রাম্পের দাবি, শুল্ক মেটানো হলেও মাত্র ১০টি জাহাজ এখনও পর্যন্ত হরমুজ পেরিয়েছে সংঘর্ষবিরতির পর। তারপরেই ট্রাম্পের হুঙ্কার, ইরান যাই বলুক না কেন হরমুজে অবাধ চলাচল করবে তেলবাহী জাহাজ। খুব শীঘ্রই সেই দিন আসছে। 

প্রসঙ্গত, সংঘর্ষবিরতির পথে হাঁটলেও যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিশাল। ইরানের তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, হরমুজ প্রণালী থেকে যাতায়াত করা জাহাজগুলি থেকে সংগৃহীত অর্থ যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে ব্যবহার করা হবে, কারণ এই সংঘাত দেশটির প্রতিরক্ষা, প্রশাসনিক ও বেসামরিক পরিকাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। জ্বালানি তেলের ব্যারেল পিছু ইরানকে দিতে হবে এক ডলার। এবং এই অর্থ বিট কয়েনের মতো ক্রিপ্টো কারেন্সির মাধ্যমে পাঠাতে হবে ইরানকে। প্রতিটি জাহাজকে ইমেলের মাধ্যমে জাহাজে থাকা পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেশ করতে হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.