Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Indian Murdered in Sharjah

কর্নাটকের বাসিন্দার দেহ ৯ খণ্ড সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে! নিখোঁজ স্ত্রী-পুত্র

গাড়ির ভেতর ওই ব্যক্তির দেহ উদ্ধারের পর থেকেই ঘনিয়েছে রহস্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৫:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৫:১৪

options
link
কর্নাটকের বাসিন্দার দেহ ৯ খণ্ড সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে! নিখোঁজ স্ত্রী-পুত্র zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

কর্নাটকের বাসিন্দা এক ব্যক্তির রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর শারজায় (Indian Murdered in Sharjah)। গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছে তাঁর ৯ টুকরো দেহ। সন্ধান মিলছে না মৃতের স্ত্রী ও ছেলের। সব মিলিয়ে ঘনাচ্ছে রহস্য।

জানা গিয়েছে, উদুপি জেলার ওই বাসিন্দা খুন হয়েছেন গত জুলাইয়ে। ওই সময় থেকেই স্বাভাবিক ভাবে তাঁর কোনও খোঁজ পায়নি পরিবার। তারা উদ্বেগ প্রকাশ করার পর মাস দুয়েক পেরিয়ে অবশেষে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য সামনে এসেছে। এদিকে তাঁর স্ত্রী ও কিশোর পুত্রের হদিশ পাওয়া যাচ্ছে না বলে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে অবশ্য দাবি করা হচ্ছেষ তাঁরা ইতিমধ্যেই শারজা ছেড়ে চলে গিয়েছেন। যদি সেটাই হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমানে তাঁরা কোথায় সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রয়াত প্রশান্তের স্ত্রী টিনা বা তাঁর কিশোর পুত্রের সম্ভাব্য যোগসূত্র এখনও মেলেনি। জানা গিয়েছে, শারজা বিমানবন্দরে ১৪ বছর ধরে কর্মরত ছিলেন প্রশান্ত। তাঁর সঙ্গে থাকতেন স্ত্রী ও দশম শ্রেণির পড়ুয়া পুত্র। টিনাও উদুপির বাসিন্দা এবং তিনি এখানকারই একটি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রকাশের ভাই অনিল জানাচ্ছেন, গত ২০ জুলাই তিনি দাদাকে ফোন করেছিলেন। প্রকাশ ফোন ধরেননি। তবে একটি টেক্সট মেসেজ পাঠিয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি ভালো আছেন। এহেন মেসেজে খটকা লাগে অনিলের। কেননা প্রকাশ সাধারণত ভয়েস মেসেজের মাধ্যমেই যোগাযোগ করতেন। প্রায় এক সপ্তাহ পর অনিল যখন আবারও ফোন করার চেষ্টা করেন, তখনও প্রকাশ কোনও সাড়া দেননি। এরপরই আশঙ্কা বাড়তে থাকে তাঁকে ঘিরে। দাদা শারজাতেই আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখতে পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করেন তিনি। দেখা যায়, প্রকাশ সেদেশেই আছে। এরপর তিনি সেখানে প্রকাশের নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ।

অবশেষে ওমানের দিকে যাওয়ার পথে পার্ক করা একটি গাড়ির ভিতর প্রকাশের মৃতদেহ পাওয়া যায়। অনিল জানাচ্ছেন, দেহটি ৯টি টুকরো করা হয়েছিল। যা ভরা ছিল দু’টি ব্যাগে। পরবর্তী সময়ে ওই দেহাবশেষ প্রকাশের বলেই শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। টিনা কোনওভাবে এর সঙ্গে জড়িত কিনা দেখা হচ্ছে সেটাও। তবে প্রকাশের পরিবার জানিয়েছে যে, ওই দম্পতির মধ্যে কোনও বিবাদ বা মতপার্থক্যের বিষয়ে তারা কিছুই জানত না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.