Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
US-Iran Conflict

রাষ্ট্রসংঘে ট্রাম্পের দূতের সঙ্গে ৩ ঘণ্টার বৈঠক আরাঘাচির, হরমুজ খুলতে দিলেন শর্ত

রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, রাষ্ট্রসংঘের উপর থেকে সমস্ত বিশ্বাস, আস্থা হারিয়ে গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৪:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৪:০২

options
link
রাষ্ট্রসংঘে ট্রাম্পের দূতের সঙ্গে ৩ ঘণ্টার বৈঠক আরাঘাচির, হরমুজ খুলতে দিলেন শর্ত zoom
রাষ্ট্রসংঘে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
Advertisement

যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে আমেরিকাকে (US) ৭ শর্ত দেওয়া হয়েছিল আগেই। এবার রাষ্ট্রসঙ্গে ট্রাম্পের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ৩ ঘণ্টার বৈঠক সেরে হরমুজ খুলতে আমেরিকাকে শর্ত দিয়ে দিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রসংঘে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, রাষ্ট্রসংঘের উপর থেকে সমস্ত বিশ্বাস, আস্থা হারিয়ে গিয়েছে।

ইরানের (Iran) সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, অধিবেশনের ফাঁকে মঙ্গলবার মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেন আরাঘাচি। সেখানে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি হরমুজ খোলার বিষয়ে কথা হয় দু’জনের। সূত্রের খবর, বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিকে আরাঘাচি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, আমেরিকাকে নৌ অবরোধ তুলতে হবে, বিদেশে ইরানের যে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তা ফেরাতে হবে এবং হামলা বন্ধ করতে হবে ইরান-সহ বাকি অঞ্চলগুলিতে। তবে বৈঠকের পর আমেরিকার তরফে স্পষ্ট কোনও বার্তা সামনে আসেনি। উইটকফ অবশ্য বলেন, “বৈঠকের পর বেশ ভালো অনুভব করছি।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিকে আরাঘাচি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, আমেরিকাকে নৌ অবরোধ তুলতে হবে, বিদেশে ইরানের যে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তা ফেরাতে হবে এবং হামলা বন্ধ করতে হবে ইরান-সহ বাকি অঞ্চলগুলিতে।

পাশাপাশি মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শীর্ষ এই আন্তর্জাতিক মঞ্চকে তোপ দাগতে ছাড়েননি আরাঘাচি। তিনি বলেন, ”আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই আন্তর্জাতিক মঞ্চকে ব্যবহার করে ইরানি জনগণের বৈধতা, অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করা। তবে চলতি অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল, ‘পুনরায় আস্থা প্রতিষ্ঠা’। এর অর্থ সর্বজনীনভাবে স্বীকার করে নেওয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘের ওপর থেকে আস্থা হয় কমে গেছে, নয়তো একেবারে হারিয়ে গেছে।” একইসঙ্গে বলেন, “কিছু দেশ নিজেদের এমনভাবে উপস্থাপন করে যেন আন্তর্জাতিক সংস্থা, আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবজাতির বিবেককে তোয়াক্কা না করে পার পেয়ে যাওয়ার অধিকার কেবল তাদেরই আছে।”

একদিকে যখন আরাঘাচির সঙ্গে ট্রাম্পের দূতের বৈঠক চলছে অন্যদিকে তখন ইরান ইস্যুতে রণংদেহি মেজাজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণে রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “হয় শান্তিচুক্তি হবে অথবা ইরানকে নরকে পাঠাব।” ট্রাম্প বলেন, “আমাকে এবার একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইরানের সঙ্গে কি এমন কোনও চুক্তি হবে, যা দেশটিকে পুনর্গঠন করতে এবং অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সাহায্য করবে। হয়তো মধ্যপ্রাচ্য, এমনকী বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্র হয়ে উঠবে?” এরপরেই তাঁর উক্তি, “নাকি আমি ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিকে নিশ্চিহ্ন করে দেবো। এবং তা করব দ্রুত— যাতে তারা আর কখনওই মানুষ ও দেশকে হত্যা ও ধ্বংস করার সুযোগ না পায়?”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.