Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গিনেস

টানা ১২৬ ঘণ্টা নেচে বিশ্বরেকর্ড, গিনেস বুকে নাম লেখালেন এই যুবতী

এই সাফল্য মহিলাদের বড় স্বপ্ন দেখতে সাহায্য করবে, বলছেন ওই যুবতীর বাবা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০১৯, ১৬:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০১৯, ১৬:৪৩

options
link
টানা ১২৬ ঘণ্টা নেচে বিশ্বরেকর্ড, গিনেস বুকে নাম লেখালেন এই যুবতী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানা ১২৬ ঘণ্টা নেচে বিশ্বরেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে নাম তুললেন নেপালের এক যুবতী। ১৮ বছরের ওই যুবতীর নাম বন্দনা নেপাল। বিশ্বরেকর্ড গড়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধির জন্য, শনিবার কাটমান্ডুতে নিজের সরকারি বাসভবনে ডেকে তাঁকে সম্মানিত করেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি।

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের তরফে শুক্রবার তাঁকে এই বিশ্বরেকর্ডের সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে একথা জানান পূর্ব নেপালের ধানকুটা জেলার বাসিন্দা বন্দনা। এতদিন পর্যন্ত গিনেস বুকে ‘দীর্ঘতম একক নৃত্যে’র রেকর্ডটি ছিল কলামন্ডলাম হেমলতা নামে এক ভারতীয় যুবতীর দখলে। ২০১১ সাল ১২৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট নেচে ওই বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। কিন্তু, ১২৬ ঘণ্টা নেচে সেই রেকর্ড ভাঙলেন বন্দনা নেপাল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 Bandana Nepal

গতবছর নভেম্বর মাসের ২৩ তারিখ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত কাঠমাণ্ডুর একটি রেস্তরাঁয় নেচে এই রেকর্ড গড়েন বন্দনা। এই রেকর্ড তৈরির সময় ওই হলে বন্দনার আত্মীয় ও সাংবাদিকরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গিনেস বুকের প্রতিনিধিরা এবং নেপালের বন ও পরিবেশমন্ত্রী শক্তি বসনেত। নাচের সময় নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ঘণ্টায় কেবল জল খাওয়া ও ফ্রেশ হওয়ার জন্য পাঁচ মিনিট সময় নিয়েছিলেন বন্দনা। ওই অনুষ্ঠানের এক আয়োজক জানান, নেপালের সংস্কৃতিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র নেপালি গানেই নাচ করেন বন্দনা।

[আরও পড়ুন- কলম্বোয় ফিদায়েঁ হামলার আগে কাশ্মীর-কেরলে ভ্রমণ! চাঞ্চল্যকর তথ্য শ্রীলঙ্কার]

এপ্রসঙ্গে বন্দনার বাবা রাম নেপাল বলেন, “আমার মেয়ে যে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে তাতে আমি খুবই গর্বিত। যদিও আমি মনে করি, এটা শুধুমাত্র ওর সাফল্য নয়। তবে এই কৃতিত্ব অর্জনের মধ্যে দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে নেপালের নাম উজ্জল করেছে ও। এটা আমাদের সকলের কাছেই খুব গর্বের। আমার মেয়ের এই সাফল্য নেপালের অন্য নাগরিকদেরও অনুপ্রাণিত করবে। বিশেষ করে নেপালের কিশোরী ও মহিলারা আরও বড় স্বপ্ন দেখতে সাহস পাবে।”

[আরও পড়ুন- ‘অন্ধ শত্রুতা’ থেকে ভারতকে রক্তাক্ত করেছে পাকিস্তান, দাবি প্রাক্তন CIA প্রধানের]

৬৩ বছর বয়সী ঠাকুমা বলেন, “আমাদের সময়ে মেয়েরা প্রকাশ্যে নাচ করা তো দূরের কথা হাসতে পর্যন্ত পারত না। কিন্তু, এখন সময় বদলে গিয়েছে। বিশ্বের মানচিত্রে নিজের নাম তুলে ধরার জন্য নাতনির কৃতিত্বে আমি গর্বিত।”

বন্দনার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঁচ বছর বয়স থেকেই নাচের প্রতি প্রবল আকর্ষণ ছিল তাঁর। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নাচ শেখার জন্য নেপালের পাশাপাশি ভারতেও গিয়েছিলেন তিনি। তবে প্রথম প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন নিজের দাদার সঙ্গেই। বর্তমানে নাচের পাশাপাশি কাটমান্ডুতে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করছেন বন্দনা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.