Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bardhaman

এমডি-কার্ডিওলজিস্ট, সব ডিগ্রিই ভুয়ো! বর্ধমানে প্রকাশ্যে ‘ডাক্তারবাবু’র জালিয়াতি

'ভুয়ো' চিকিৎসকের কীর্তি প্রকাশ্যে এনে মুখ্যমন্ত্রী-সহ সংশ্লিষ্ট কর্তাদের কাছে তদন্তের দাবি জনৈক বাসিন্দার।

সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৮:২৪

link
সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৮:২৪

options
link
এমডি-কার্ডিওলজিস্ট, সব ডিগ্রিই ভুয়ো! বর্ধমানে প্রকাশ্যে ‘ডাক্তারবাবু’র জালিয়াতি zoom
১৯ সেপ্টেম্বর, শনিবার। বর্ধমানে 'ভুয়ো' চিকিৎসকের কুকীর্তি ফাঁস করতে সাংবাদিক সম্মেলন স্থানীয় বাসিন্দার, নিজস্ব ছবি
Advertisement

রাজ্যে ফের ‘ভুয়ো’ চিকিৎসকদের কুকীর্তি প্রকাশ্যে আসছে। সোনারপুরের পর এবার বর্ধমানে খোঁজ মিলল ‘ভুয়ো’ ডিগ্রিধারী ডাক্তারের। এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ‘ভুয়ো’ এমডি ডিগ্রি নিয়ে দিনের পর দিন প্র্যাকটিস করার অভিযোগ ঘিরে শোরগোল। একইসঙ্গে তিনি ‘হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ২টি আলাদা রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। অনলদেব বসু নামে ওই চিকিৎসকের কুকীর্তি প্রকাশ্যে এনে মুখ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, জেলাশাসক ও পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে ইমেল করে অভিযোগ জানিয়েছেন বর্ধমান শহরের বাসিন্দা শিবপ্রসাদ দে। ঘটনার তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার ওই ‘ভুয়ো’ চিকিৎসক সম্পর্কে সকলকে জানাতে সাংবাদিক বৈঠক করেন শিবপ্রসাদবাবু। তিনি বলেন, ‘‘চিকিৎসক অনলদেব বসু এমডি ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা করছেন। কিন্তু তাঁর ওই ডিগ্রি নেই।” তিনি দাবি করেন, ওই চিকিৎসক ২২৯০২-এমসিআই এবং ৭৭২৬৪-ডব্লুবিএমসি এই দু’টি রেজিস্ট্রেশন নম্বরের উল্লেখ রয়েছে। ওই নম্বরগুলির বৈধতা যাচাইয়েরও দাবি জানিয়েছেন তিনি। শিবপ্রসাদবাবুর অভিযোগ, ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ওই চিকিৎসকের অধীনে বর্ধমানের খোসবাগানে একটি নার্সিংহোমে তাঁর বাবাকে ভর্তি করিয়েছিলেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি মৃত্যু হয় বাবার। ঘটনায় চিকিৎসায় গাফিলতি ও ওই চিকিৎসকের ভুয়ো ডিগ্রি নিয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছিলেন শিবপ্রসাদবাবু।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তার ভিত্তিতে তদন্ত করে ২০১৭ সালের ১২ জুন সিএমওএইচ অর্থাৎ জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক ও নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিয়েছিল। ২০২৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মেডিক্যাল কাউন্সিল ওই চিকিৎসককে ৬ মাসের জন্য সাসপেন্ডও করে। বর্তমানে ওই চিকিৎসক ‘ভুয়ো’ এমডি ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন শিবপ্রসাদবাবু। ‘ভুয়ো’ চিকিৎসকের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর শিবপ্রসাদবাবু ফের ওই চিকিৎসকের ডিগ্রি নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছে। ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার শিবপ্রসাদ দে’র তোলা অভিযোগ প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে অভিযুক্ত চিকিৎসক জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ মেনেই চেম্বার চালাচ্ছেন। কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর রেজিস্ট্রেশন-সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে শিবপ্রসাদবাবুর বিরুদ্ধে তিনি মামলাও করেছেন। তাই এখন বিচারাধীন বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। এর আগে সোনারপুরের ঘাসিয়াড়ায় এমনই ‘ভুয়ো’ চিকিৎসককে হাতেনাতে ধরে ফেলেছিল পুলিশ। এবার বর্ধমানের অনলদেবের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেটাই দেখার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.