দু’হাজারের উপর ইউপিআই লেনদেন করলেই গুণতে হবে অতিরিক্ত ফি। তবে সেই ফি যেন আমজনতার পকেট থেকে না যায় সেটা নিশ্চিত করতে চাইছে মোদি সরকার, এমনটাই সূত্রের খবর। জানা যাচ্ছে, ব্যবসায়ীরা এই অতিরিক্ত ফি আদায় করার জন্য আমজনতার উপর যাতে চাপসৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে কড়া নজরদারির পথে হাঁটতে চলেছে কেন্দ্র। ব্যাঙ্কগুলিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই খবর। গোরক্ষপুরের সাংসদকে এপ্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে এমন ‘বেফাঁস’ করলেন যে এই মুহূর্তে হাসির খোরাক রবি।
রাজনীতির ময়দান হোক কিংবা বিনোদুনিয়া, রবি কিষান চর্চার শিরোনামে বিরাজমান। সিনেপর্দার মতো রাজনীতির রঙ্গমঞ্চেও তাঁর সংলাপ কার্যত সুপারহিট! আতশকাচের নিচেই থাকে তারকা সংসদের মন্তব্য, তা বললে অত্যুক্তি হবে না। ফের আলটপকা মন্তব্য করে আলোচনার কেন্দ্রে গোরক্ষপুরের সাংসদ রবি কিষান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হলে ইউপিআই লেনদেনে অতিরিক্ত ফি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
আরও পড়ুন:
তার আগে অবশ্য এক সাংবাদিক তাঁকে বলেন, মোদির জন্মদিনে তো ভক্তদের প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অকাল দীপাবলি পালিত হয়েছে। এরপরই সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক জানতে চান, অনলাইন লেনদেনে বর্ধিত চার্জের চাপ সাধারণ মানুষ কীভাবে সামলাবেন? রবি কিষান খানিকটা হালকা মেজাজে স্বভাবসুলভ হাস্যরসের ভঙ্গিতে ভোজপুরী ভাষাতেই উত্তর দেন, “কার্ড সে হহিল অউর ক্যায়সে!” যার বাংলা তর্জমা করলে হয় কার্ড থেকে হবে, আর কীভাবে!
ফের সেই সাংবাদিক পালটা বলেন, এই ধরনের চার্জের কারণে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়বেন। রবি কিষান খানিকটা আশ্বস্ত করে বলেন, “না না, সব বড়িয়া হহিল।” যার বাংলা অর্থ না না, সব ভালো হবে। রবির তরফে যথার্থ উত্তর না মেলায় সাংবাদিক যখন এই বিষয়ে আরও দৃঢ়ভাবে আলোকপাত করতে যান, তখন সুকৌশলে তা এড়িয়ে যায় রবি কিষান। তিনি জানান, মোদির জন্মদিনের দিন তিনি সব ইতিবাচক (পজেটিভ) কথা বলবেন। মূল প্রশ্নগুলোর উত্তর না দিয়ে মোদির প্রশংসায় মজে যান।
ये तो गजबे बकलोली है भाई
पत्रकार- दीपावली से पहले दीपावली मना लिया गया है, बहुत खर्चा हुआ है. पेमेंट कैसे होगा
रवि किशन- कार्ड से होई
पत्रकार- UPI वालों का क्या होगा
रवि किशन- UPI के पेमेंट के मतलब का कहल चाहत बाडव ?
आज मोदी जी का जन्मदिन है तो आज मैं सिर्फ पॉजिटिव बात… pic.twitter.com/LoJwSF6mX9
— Priya singh (@priyarajputlive) September 18, 2026
ভিডিওটি ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের একাংশ তাঁর এই আচরণের সমালোচনা করেন। সাধারণ মানুষের প্রকৃত সমস্যাগুলো নিয়ে তিনি গুরুত্ব সহকারে কথা বলেননি। নেটিজেনদের মধ্যে কেউ লিখেছেন, ‘এত নির্লজ্জ! এবিষয়ে কোনও জ্ঞানই নেই।’ অপর এক নেটারগিকের খোঁচা, ‘অশিক্ষিতদের ব্রিটিশদের মতো এদেশ থেকে বিতাড়িত করা উচিত।’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
প্রশ্নফাঁসের পরও জেন জি’র মন বিজেপিতেই! দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় জয় এবিভিপির
-
জুবিনের মৃত্যুবার্ষিকীতে অসম সরকারের রক্তদান শিবিরের আয়োজন, কী বার্তা স্ত্রী গরিমার?
-
জামিন পেলেন না নন্দীগ্রামের কং প্রার্থী, জেলে থেকেই কি ভোটের লড়াই?
-
গ্রেপ্তারি কি সময়ের অপেক্ষা? ক্যানিং পশ্চিমের ঋতপন্থী বিধায়ককে চতুর্থ সমন সিআইডির
-
স্ত্রীকে ছেড়ে প্রেমিকাকে বিয়ে, দ্বিতীয় পত্নীর পরকীয়া ধরে ফেলায় ‘খুন’ যুবক