৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউন নিয়ে দিল্লিবাসীর মতামত চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: May 12, 2020 4:24 pm|    Updated: May 12, 2020 4:27 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৭ তারিখের পর কি দিল্লিতে লকডাউনের (Lockdown) প্রয়োজনীয়তা রয়েছে? কী চান দিল্লির বাসিন্দারা? লকডাউনের ভবিষ্যত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিজের সিদ্ধান্ত জানানোর আগে দিল্লিবাসীর মতামত জানতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

তৃতীয় পর্বের লকডাউন শেষ হওয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে পঞ্চম দফার বৈঠক সারেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। লকডাউনের ভবিষ্যত কী তা জানতে চাইলে সোমবারের বৈঠকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। ১৫ মে-র মধ্যে প্রতিটি মুখ্যমন্ত্রীকে লকডাউন সংক্রান্ত তাঁদের সিদ্ধান্ত জানাতে বলেন প্রধানমম্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর কাছে তাঁদের মতামত জানতে চান। শুধুমাত্র লকডাউন নয়, দিল্লিতে কি মেট্রো চালু করা উচিত? এই বিষয়েও রাজ্যবাসীর থেকে মতামত জানতে চান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের ক্ষমতায় থেকে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে, সরকারের ক্ষমতায় থেকে জনসাধারণের মত নিয়ে লকডাউন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে চান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাই একটি হোয়াটস অ্যাপ নম্বর ও একটি টোল ফ্রি নম্বরের আয়োজন করেন তিনি। সেখানেই রাজ্যবাসীকে তাঁদের মতামত জানাতে অনুরোধ করেন। এমনকি মতামত জানানোর জন্য একটি মেল আই-ডি তৈরি করে দেন। বুধবার বিকেল ৫ টার পর্যন্ত লকডাউন নিয়ে জনসাধারণের মতামত দেওয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি।

[আরও পড়ুন:কর্মীর দেহে করোনা সংক্রমণ, বন্ধ করে দেওয়া হল এয়ার ইন্ডিয়ার হেডকোয়ার্টার]

সোমবারই বৈঠকের সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, “বিশ্বব্যাপী এই মারণ ভাইরাস মহামারির আকার ধারণ করেছে। গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সংক্রমিত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। ফলে সেই স্থানগুলিকে দ্রুত সংক্রমণ মুক্ত করতে হবে। তবে গ্রামগুলিতে রক্ষা করা বিশেষ প্রয়োজন।” তবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী করোনার সঙ্গে লড়াই করার পাশাপাশি রাজধানীর অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও চাঙ্গা করার আবেদন করেন। তাই কনটেনমেন্ট জোনগুলিকে বাদ দিয়ে দিল্লির বাকি অংশে দোকান-পাট খুলে ব্যবসা শুরু করার অনুমতি চান। এর আগেও অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছিলেন করোনা নিয়েই চলতে হবে। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতা বজায় রেখে দ্রুত পুরোনো ছন্দে ফেরার পরিকল্পনা করতে চান তিনি।

[আরও পড়ুন:বিক্রি ১৬ কোটি টাকার টিকিট, বিশেষ ট্রেনে সফর করবেন আশি হাজার মানুষ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement