এবার পুজোয় কমলা রঙের পোশাক পরবেন কলকাতা পুলিশের স্বেচ্ছাসেবকরা। সেইমতো কুড়ি হাজার স্বেচ্ছাসেবকের জন্য পোশাকের ডিজাইন করল লালবাজার। লালবাজারের এক কর্তার মতে, ওই পোশাক পরে যাতে দীর্ঘসময়ের জন্য ভলান্টিয়ার তথা স্বেচ্ছাসেবকরা আরামে ডিউটি করতে পারেন, সেরকমই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্রের খবর, পুজোর আগেই এই ২০ হাজার পোশাক ও টুপির জন্য ৮৯ লাখ টাকা খরচ করা হবে।
লালবাজার জানিয়েছে, পুজোর (Durga Puja 2026) আগে আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়। সাধারণত তাঁদের হাফ হাতা টি শার্ট পরে ডিউটি করতে হত। এই বছর অক্টোবর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে পুজো। কলকাতা পুলিশের কর্মী ও আধিকারিকরা ছাড়াও হোমগার্ড এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদেরও চতুর্থী থেকে পুজোর ডিউটি করতে হয়। এই ডিউটি চলে দশমী পর্যন্ত। এরপরও থাকে বিসর্জনের ডিউটি। কিন্তু পুজোর সময় ভাঙড়-সহ সারা কলকাতার আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ট্রাফিক মসৃণ রাখার জন্য পুলিশ নির্ভর করে স্বেচ্ছাসেবকদের উপর। স্কুল, কলেজের ছাত্রছাত্রী ছাড়াও এনসিসি ও বিভিন্ন এলাকার ক্লাবের সদস্যদেরও স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে পুলিশ নিয়োগ করে। মহালয়ার পর সংশ্লিষ্ট ডিভিশনে ওই স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
পুলিশের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করা কর্তব্যরত ওই স্বেচ্ছাসেবকদের পোশাক বা ইউনিফর্মকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই পুজোর এক মাস আগেই কলকাতা পুলিশ ইউনিফর্মের ডিজাইন তৈরি করেছে। লালবাজার জানিয়েছে, দু’ধরনের কমলা রঙের পোশাক তৈরি করা হচ্ছে। ফুল হাতা কলার-সহ ওই জামার রং হচ্ছে গাঢ় কমলা ও হালকা কমলা রঙের। পুলিশ ১২ হাজার গাঢ় কমলা ও ৮ হাজার হালকা কমলা রঙের পোশাক ডিজাইন করেছে। পোশাকের সামনের দিকে সাদা রঙে থাকবে কলকাতা পুলিশের লোগো। তার সঙ্গে সামনে ছোট অক্ষর ও পিছনে বড় অক্ষরে লেখা থাকবে ‘কলকাতা পুলিশ ভলান্টিয়ার’। এ ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য থাকছে কমলা রঙের টুপি। লালবাজার ২০ হাজার পোশাকের জন্য ৭৩ লাখ ও টুপির জন্য ১৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে। পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, এই পোশাক পরেই স্বেচ্ছাসেবকদের একটি অংশ রাস্তায় থাকবে ট্রাফিক সামলানোর জন্য। এ ছাড়াও কলকাতার প্রত্যেকটি বড় মণ্ডপ, যেখানে প্রত্যেক বছরই দর্শনার্থীদের ভিড় হয়, সেখানে স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হবে। তাঁরা মূলত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার উপর নজর রাখবেন। এ ছাড়াও কোনও মণ্ডপে অতিরিক্ত সংখ্যক দর্শনার্থী এলেও যাতে মণ্ডপের ভিতর ভিড় জমে না থাকে, সেই কাজও স্বেচ্ছাসেবকরা করবেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘জয় জয় রাম’ গানেই ঘুচল গোমাংস ভক্ষণের অভিশাপ, ‘রঘুনন্দন’ রণবীরে মুগ্ধ নিন্দুকরাও!
-
স্যালাড যখন সুপারফুড, মেদ ঝরাতে বানিয়ে ফেলুন বিরাট কোহলির পছন্দের খাবার
-
ভেঙে চুরমার শচীনের আরেকটি রেকর্ড! ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’কে পিছনে ফেলে ইতিহাস অখ্যাত তারকার
-
৫ মাসেই মোহভঙ্গ! জোটে থাকা সত্ত্বেও উপনির্বাচনে বিজয়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী প্রার্থী দিচ্ছে বামেরা
-
‘লেজার হেয়ার গ্রোথ ক্যাপ’ নিয়ে হইচই সোশাল মিডিয়ায়! এই যন্ত্রে সত্যিই টাকে চুল গজায়?