BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

অবিবাহিত পুরুষদের করোনায় মৃত্যুর আশঙ্কা বেশি! চাঞ্চল্যকর দাবি গবেষকদের

Published by: Paramita Paul |    Posted: October 11, 2020 7:09 pm|    Updated: October 12, 2020 1:22 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবিবাহিত পুরুষদের করোনায় মৃত্যুর আশঙ্কা বেশি। এমনটাই দাবি করছেন গবেষকরা। তবে শুধু বিবাহিত বা অবিবাহিত কি না, তা নয়, করোনায় মৃত্যুর আশঙ্কা কতটা, তা নির্ভর করছে একাধিক সামাজিক-অর্থনৈতিক বিষয়ের উপরও। এমনটাই দাবি করেছেন সুইডেনের স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ভেন ড্রেফি।

নেচার পত্রিকায় প্রকাশিত গবেষণা পত্রে গবেষক ভেন ড্রেফি একাধিক মানদণ্ডের কথা উল্লেখ করেছেন। সেই বিষয়গুলির উপর করোনায় মৃত্যুর সম্ভাবনা নির্ভর করে বলে দাবি তাঁর। এর মধ্যে রয়েছে, অবিবাহিত নাকি অবিবাহিত, উপার্জন, শিক্ষার মান, নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত দেশে জন্ম-সহ একাধিক আর্থ-সামাজিক বিষয়। গবেষক ভেন ড্রেফি বলেছেন,”অবিবাহিত পুরুষ, যাঁদের উপার্জনের পরিমাণ কম ও যাঁদের শিক্ষার মান কম নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত দেশে যাঁদের জন্ম, তাঁদের করে্ানা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই বেশি।”

[আরও পড়ুন : করোনা আবহে সঠিক সময়ে চিকিৎসার অভাব, বাড়ছে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা]

সুইডিস ন্যাশনাল বোর্ড অফ হেলথ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার তালিকাভুক্ত আক্রান্তদের নিয়ে এই গবেষণা করা হয়েছে। এই গবেষণায় যারা অংশ নিয়েছেন তাঁদের বয়স কুড়ি বছরের বেশি। এই গবেষণা শেষে গবেষকের দাবি, যে সমস্ত পুরুষদের শিক্ষার মান কম, উপার্জনও কম তাঁদের মৃত্যুর আশঙ্কা বেড়ে যায়। অন্যান্য রোগের সংক্রমণের ক্ষেত্রেও এই প্যাটার্ন দেখা যায়।

কিন্তু কেন এমনটা হয়? গবেষকরা বলছে, যাঁদের শিক্ষার মান কম তাঁদের মধ্যে যে কোনও রোগের বিষয় সচেতনতা কম হয়। আবার কম উপার্জন করলে চিকিৎসা বা স্বাস্থ্যে ক্ষেত্রে খরচও কম করা যায়। অবিবাহিতদের লাইফস্টাইল অন্যরকম হয় বলে মত গবেষকদের। তাই অবিবাহিত পুরুষের শরীরে অজান্তে বিভিন্ন রোগে দানা বাঁধে। আর তাতে নাকি করোনায় মৃত্যুহার বেশকিছুটা বেড়ে যায়।

এই গবেষণায় বলা হয়েছে, পুরুষদের তুলনায় মেয়েদের করোনায় আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুর সম্ভাবনা অনেকটাই কম। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের করোনায় মৃত্যুর মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুন।

[আরও পড়ুন : শরীরে ভাইরাস কম থাকলেই সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বেশি, বলছেন চিকিৎসকরা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement