হিরের শখ কার না থাকে। যাদের হিরের হার কেনার সামর্থ্য নেই, তাঁরাও চেষ্টা করেন নিদেন পক্ষে আংটি, কানের বা নাকছাবি পরার। কিন্তু জানেন কি ইচ্ছে হলেই বা সামর্থ্য থাকলেই হিরে পরতে নেই? জ্যোতিষশাস্ত্র বলে, হিরে সরাসরি প্রভাব ফেলে মানুষের জীবন, সম্পর্ক, ভাগ্যের উপর।
২৯
জ্যোতিষশাস্ত্র বলে যাদের প্রয়োজন নেই তাঁরা যদি হিরে ব্যবহার করেন, তাহলে ঘনিয়ে আসতে পারে চরম দুর্দিন।
নিশ্চয়ই ভাবছেন তাহলে কারা পরতে পারেন হিরে? জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী যাদের শুক্র দূর্বল, তাঁদের জীবনে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। আর্থিক সমস্যা পিছু ছাড়তে চায় না, বিয়েতে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়।
৪৯
যাদের এধরণের সমস্যা থাকে তাঁরা হিরে পরলে উপকার পান। জানা যাচ্ছে, শুক্রের মহাদশা ও অন্তর্দশায় হিরে পরলে ফল মেলে।
৫৯
তবে হিরেটি প্রাকৃতিক, স্বচ্ছ ও কালো দাগহীন হওয়া আবশ্যক। ভাগ্য ফেরাতে সাধারণত ০.২৫ থেকে ১ ক্যারাটের হিরে পরার পরামর্শ দেন জ্যোতিষরা।
জ্যোতিষবিদদের মতে, হিরে একেবারেই শখের বসে পরার জিনিস নয়। জন্মছকে শুক্রের অবস্থান বিবেচনা করে তবেই পরতে হয়। তথ্য বলছে. নাহলে অযথা সমস্যায় জড়িয়ে পড়া, নেশার প্রতি আসক্তি, চারিত্রিক বিকার, পরকীয়ায় জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়।
৭৯
তবে শুক্রের সমস্যা থাকলেও চাইলেই হিরে পরে নেওয়া উচিত নয়। আগে কয়েকদিন মাথার বালিশের নিচে রেখে ঘুমোনো উচিত, তাতে কোনওরকম সমস্যা না হলে তাহলেই পরিধান করতে পারেন।
৮৯
আর্থিক স্বচ্ছলতা বা শখ থাকলেও জ্যোতিষের পরামর্শ ছাড়া হিরে পরার ভুল করবেন না। সামান্য ভুলে নষ্ট হতে পারে জীবন।
৯৯
হিরে পরার আদর্শ দিন কিন্তু শুক্রবার। পরতে হবে ডান হাতের অনামিকা বা মধ্যমা।
বাবর আজম থেকে শাহিন আফ্রিদি, পাক ক্রিকেটে 'কীর্তিমানে'র সংখ্যা নেহাত কম নয়!
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:৫৯
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:৫৯
১১১
বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট পাকিস্তানের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বলে শিলমোহর দিয়েছে পাকিস্তান বোর্ড। তবে পাক সরকার জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্বকাপে ভারতের ম্যাচ বয়কট করছে পাকিস্তান। বয়কট নাটক তো 'দুধের শিশু'। পাক ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে যৌনকেচ্ছা, ফিক্সিংয়ের মতো ঘটনা। একবার দেখে নেওয়া যাক, ক্রিকেট ইতিহাসে তাদের গোটা কয়েক 'কীর্তিমালা'।
২১১
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে বিস্ফোরক অভিযোগ ওঠে প্রাক্তন পাক অলরাউন্ডার শাহিদ আফ্রিদির বিরুদ্ধে। ২০০০ সালে এক হোটেলের ঘরে কয়েকজন যুবতীর সঙ্গে ধরা পড়েন আফ্রিদি। দুই সতীর্থও যুবতীদের সঙ্গে হোটেলের ঘরে ছিলেন। আফ্রিদিরা সাফাই দেন, ওই যুবতীরা অটোগ্রাফ নিতে এসেছিলেন। তবে পাক বোর্ড সেই দাবি নাকচ করে দেয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বাদ পড়েন আফ্রিদি।
শ্বশুরের মতো যৌন কেচ্ছায় জড়িয়েছে শাহিন আফ্রিদির নামও। ২০১৯ সালে এক যুবতী এক্স হ্যান্ডেলে শাহিনের আপত্তিকর ভিডিও শেয়ার করেন। তাঁর দাবি, ভিডিও কলে তিনি পাক পেসারের সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেসময়েই আপত্তিকর আচরণ করেন শাহিন। ওই যুবতী বলেন, "শাহিন আমার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিজের যৌনাঙ্গ দেখিয়ে হস্তমৈথুন করতে শুরু করে। এটা কি ঠিক?" তবে এই অভিযোগ মানতে চাননি শাহিন।
৪১১
বল বিকৃতির অভিযোগেও বিদ্ধ হয়েছে পাকিস্তান। কে ভুলতে পেরেছে, ওভালে ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তন টেস্টে সেই বল বিকৃতিকে ঘিরে বিতর্ক? সেই টেস্টের দুই আম্পায়ার নিদান দিয়েছিলেন যে, পাকিস্তান টিম বল বিকৃতি করেছে।
৫১১
২০০৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বল বিকৃতি করার অভিযোগ উঠেছিল পাকিস্তানের নামজাদা পেসার শোয়েব আখতারের বিরুদ্ধে। ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একাধিকবার দেখা যায় শাহিদ আফ্রিদি বলে কামড় দিচ্ছেন। পাকিস্তান ম্যাচ হারে, আফ্রিদিকে ক্ষমাও চাইতে হয়। পরে দুটো টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নির্বাসিত করা হয়।
পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম উল হকের ভাইপো ইমাম উল হক এক মহিলার আপত্তিকর ছবি চেয়ে মেসেজ করেছিলেন। সেই মেসেজের স্ক্রিনশট ভাইরাল করে দেন এক যুবতী। সেসময়েই ফাঁস হয়, একই সময়ে অন্তত সাত থেকে আটজনের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন ইমাম। দীর্ঘ ৬ মাস ধরে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ইমাম।
৭১১
২০১১ সালে সলমন বাট, মহম্মদ আসিফ এবং মহম্মদ আমেরকে স্পট ফিক্সিংয়ের অপরাধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত করে আইসিসি। পরে আমের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে এলেও আসিফ-সলমনের পক্ষে সেটা করা সম্ভব হয়নি।
৮১১
পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক বাবর আজমের নামও জড়িয়েছে যৌন কেলেঙ্কারিতে। সাংবাদিক সম্মেলন করে এক যুবতী দাবি করেন, তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাবর। এমনকি তিনি গর্ভবতীও হয়ে পড়েন। ওই তরুণী আরও দাবি করে, তাঁকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করেন বাবর। তারপর তারকা ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে দায়ের করেন ধর্ষণের মামলা। তিন বছর ধরে এই মামলা চলছে আদালতে।
৯১১
সেলিম মালিক। আতাউর রহমান। দানিশ কানেরিয়া। শের্জিল খান। অতীতে একাধিক পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে আজীবনের নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। এমনকী প্রবাদপ্রতিম ওয়াসিম আক্রম পর্যন্ত সন্দেহের আওতায় ছিলেন। পার পাননি বাবর আজমও। তাঁর বিরুদ্ধেও সাম্প্রতিক সময়ে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ উঠেছিল।
১০১১
মাঠে অভব্যতার রাশি-রাশি ইতিহাস রয়েছে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে ভেঙ্কটেশ প্রসাদকে উদ্দেশ্য করে আমির সোহেলের অশালীন অঙ্গভঙ্গি করা মনে নেই? চার মেরে মাঠের বাইরের দিকে ঈশারা করেছিলেন। তবে পরের বলেই আউট হয়েছিলেন সোহেল।
১১১১
কিরণ মোরেকে ব্যঙ্গ করে জাভেদ মিয়াঁদাদের ব্যাঙের মতো লম্ফন কি ভুলে গিয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা? ১৯৯২ সালের সেই দৃশ্য নিশ্চয়ই দৃষ্টিনন্দন ছিল না।
একধাক্কায় অনেকটা বেড়েছে সিগারেট-সহ তামাকজাত অন্যান্য পণ্যের দাম। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ওই ধরনের পণ্যের উপর ৪০ শতাংশ জিএসটি বসেছে। সঙ্গে অতিরিক্ত সেসও বসানো হয়েছে। ফলে ধূমপায়ীদের কপালে রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ। কারণ, সস্তার সিগারেটের দাম বেড়েছে প্যাকেট প্রতি প্রায় ২২ থেকে ২৫ টাকা। ফলে অনেকেই ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু চাইলেই কী আর ছাড়া যায়। জোর করে নেশা ছাড়তে গেলে আবার অনেকরকম সমস্যাও তৈরি হয়।...
২১০
নেশামুক্তির জন্য চা আদর্শ। সিগারেটের জন্য মন আকুল হয়ে উঠলেই মনের মতো করে এক কাপ চা বানান। ধীরে ধীরে তা খান। হাতে সময় না থাকলেও চেষ্টা করুন অন্তত ৫ মিনিট বাইরে থেকে ঘুরে আসার। দেখবেন মুক্ত বাতাসে কিছুটা ভালো লাগবে। তবে ওই সময় ভুলেও ফোন সঙ্গে রাখবেন না। মাঝে মধ্যে বাদাম, চুইংগাম খান।
এক্ষেত্রে দারুণ কাজ করে গান। তবে গান শোনার সময় ভুলেও কথা বলবেন না। সিগারেট খেতে ইচ্ছে করলেই ব্রাশ করুন। তা দিনে একাধিকবার হলেও কোনও সমস্যা নেই। ডায়েরি লেখার অভ্যাস তৈরি করুন।
৪১০
কাছের কোনও বন্ধুকে ফোন করুন। যার কাছে জমানো অনেক কথা বলার আছে। দেখবেন কখন সময় পেরিয়ে গেছে বুঝতেও পারবেন না।
৫১০
সিগারেটের জন্য মন কেমন করলেই ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। ঘর গোছানোর মন দিন। অথবা একটা বই নিয়ে বসে পড়ুন। দেখবেন মনটা অন্যদিকে ঘুরে গিয়েছে।
পছন্দের ফল খেতে পারেন। চাইলে লেবু জলও খেতে পারেন। তাতেও মন ভালো না হলে গাছে জল দিন। বাগানের পরিচর্যা করুন।
৭১০
একইভাবে এক জায়গায় বসে থাকবেন। মাঝে মাঝে স্থান পরিবর্তন করুন। অফিসে থাকলে ডেস্কটাকে অন্যভাবে সাজান।
৮১০
মাঝে মধ্যে পুরনো ছবি দেখুন। খাতা কলম নিয়ে বসে নিজের জন্য একটা রুটিন তৈরি করে ফেলুন। আপনাকে তা ফলে করতেই হবে তা নয়। তবে সিগারেটের জন্য উসখুশ করলে মনটা অন্যদিকে ঘোরানোই এর উদ্দেশ্য।
৯১০
জানলার পাশে বসে আকাশটা দেখতে পারেন। পুরনো বন্ধু, হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনের কথা ভাবতে পারেন। অয়েল মাসাজ নিতে পারেন। তাতেও কাজ না হলে আলমারি গুছিয়ে ফেলুন। দেখবেন চোখের নিমেষে সময় কেটে যাবে।
১০১০
কোনওকিছুতেই যদি কাজ না হয় তাহলে অন্তত সিগারেট খাওয়ার ব্যবধান বাড়ান, সংখ্যা কমান। যদি আগে দিনে ১০ টা সিগারেট খাওয়ার অভ্যেস থেকে থাকে তা একধাক্কায় ৫-এ নামিয়ে আনুন।