কতদূর পড়াশোনা করেছেন শাহরুখ! বলিউডে পা রাখার আগে কোন পেশায় ছিলেন এই তারকারা?
বর্তমানে সফল তারকাদের মধ্যে অনেকেই আবার অন্য পেশা কিংবা ছাত্রজীবনে ছিলেন ‘স্টার’।
বি-টাউনে তিনি 'কিং'। আট থেকে আশি শাহরুখ খানের জনপ্রিয়তায় বুঁদ। সেই শাহরুখই পড়াশোনায় ছিলেন তুখোড়। অর্থনীতির পড়ুয়া ছিলেন শাহরুখ। হংসরাজ কলেজে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানেই স্নাতক স্তরের পড়াশোনা করেন। এরপর তিনি জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া কলেজে মাস্টার্স ডিগ্রি পাশ করেন। তারই মাঝে আবার ১৯৯২ সালে ঋষি কাপুর ও দিব্যা ভারতীর সঙ্গে 'দিওয়ানা' ছবিতে কাজ করছেন। ব্যস্ত শিডিউলে আর স্নাতকোত্তর পাশ করতে পারেননি তিনি।
আরও পড়ুন:
বলিউড 'শাহেনশা' অমিতাভ বচ্চনের ফিল্মি কেরিয়ারের নেপথ্যেও রয়েছে বহু চড়াই উতরাই। অল ইন্ডিয়া রেডিওতে ভয়েসওভারের কাজ থেকে প্রত্যাখ্যাত হতে হয়েছে তাঁকে। এরপর বিজনেস এক্সিকিউটিভ পদে কলকাতার একটি সংস্থায় কাজ করতেন তিনি। তবে এমনই অদ্ভূত সমাপতন যে মৃণাল সেনের 'ভুবন সোম' ছবিতে কণ্ঠশিল্পী হিসাবেও কাজ করেন। তারপর অবশ্য ধীরে ধীরে বি-টাউনে নিজের আধিপত্য বিস্তার করেন।
অক্ষয় কুমারের জীবন যেন সিনেদুনিয়াকেও হার মানায়। বহু প্রতিকূলতা পেরিয়ে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন তিনি। একসময় রেস্তরাঁয় ওয়েটার, রাঁধুনি হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। বিখ্যাত জুয়েলারি সংস্থাতেও কাজ করতেন। মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষকও ছিলেন অক্ষয়। চিত্রগ্রাহক জয়েশ শেঠের সহযোগী হিসাবে কাজ করেছিলেন। ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার হিসাবে বলিউডে অভিষেক তাঁর। প্রথম ১৪টি ছবি ফ্লপ হয়। কানাডায় এক বন্ধুর কাছে চলে যান। ১৫ তম ছবিতে মেলে সাফল্য।
একের পর এক হিট ছবিতে মন কেড়েছেন তাপসী পান্নু। অভিনেত্রীই ছাত্রী হিসাবে ছিলেন খুবই ভালো। গুরু তেজবাহাদুর ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে স্নাতক হন। ফন্টসোয়াপ নামে একটি অ্যাপও তৈরি করেছিলেন। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাঝে মডেলিংয়ের সুযোগ পান। চ্যানেল ভি থেকে নির্বাচিত হন তিনি। তারপর একে একে একাধিক বিজ্ঞাপন এবং ছবিতে কাজ করেন।
আরও পড়ুন:
পরিণীতি চোপড়াও ক্লাসরুমে এক্কেবারে 'গুড গার্ল'। তিন তিনবারের স্নাতক অভিনেত্রী। বিজনেস, ফিনান্স, অর্থনীতিতে স্নাতক তিনি। পড়াশোনার জন্য লন্ডনেও পাড়ি জমিয়েছিলেন। সেখানে গিয়েই রাঘব চাড্ডার বন্ধুত্ব এবং প্রেম। বর্তমানে তাঁরা দম্পতি। একসন্তানের মা। পড়াশোনার পর যশরাজ ফিল্মসের পাবলিক রিলেশনস কনসালট্যান্ট ছিলেন। এক প্রযোজকের সুনজরে পড়েন। এরপর অডিশন দিয়ে 'লেডিস ভার্সাস রিকি বহেল' ছবিতে সিনে দুনিয়ায় অভিষেক হয় তাঁর।
তাজমহল প্যালেস অ্যান্ড টাওয়ারের ওয়েটার এবং রুম সার্ভিস অ্যাটেন্ডেন্ট হিসাবে পেশাগত জীবন শুরু করেছিলেন বোমান ইরানি। একসময় মায়ের বেকারি সংস্থাও চালান। পেশাগত জীবনে চাপের মাঝে নিজের নেশাকে কখনও ভুলে যাননি তিনি। ফটোগ্রাফির নেশায় ঘুরে বেড়াতেন নানা জায়গায়। আর সেই নেশাই তাঁকে টেনে আনেন গ্ল্যামার দুনিয়ায়। বর্তমানে সকলের মনের কোণে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেতা।
পড়াশোনা করতে পাড়ি দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানে টাকা রোজগারের জন্য গাড়ি ধুয়ে দেওয়ার কাজ করেছেন। স্থানীয় চাইনিজ রেস্তরাঁয় ওয়েটার হিসাবেও কাজ করেছেন রণদীপ হুডা। একটি বিখ্যাত উড়ান সংস্থায় মার্কেটিং টিমেও কাজ করেছিলেন অভিনেতা। তারই মাঝে ফিল্মি দুনিয়ায় সুযোগ পান রণদীপ হুডা। 'মনসুন ওয়েডিং' ছবিতে বি-টাউনে অভিষেক তাঁর।