সাহারা থেকে ড্রিম ১১, ভারতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর মানেই কোম্পানিতে ‘লালবাতি’!
ভারতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে প্রধান স্পনসর ড্রিম ১১-র।
আরও পড়ুন:
সাহারা গ্রুপ বন্ডের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা তুলেছিল। কিন্তু সেবি (SEBI ভারতীয় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড)-র দাবি ছিল, এই টাকা অবৈধভাবে তোলা হয়েছে। ২০১২ সালে সুপ্রিম কোর্ট থেকে সাহারাকে বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দিতে বলা হয়। কিন্তু সেই নির্দেশ পালন করতে পারেনি তারা। ২০১৪ সালে সাহারা গ্রুপের চেয়ারম্যান সুব্রত রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৩-এ তিনি মারা যান।
আরও পড়ুন:
২০১৭-য় স্পনসর হিসেবে আসে চিনের কোম্পানি ওপ্পো। পাঁচবছরের জন্য বিসিসিআইয়ের সঙ্গে ১০৭৯ কোটি টাকার চুক্তি হয়। কিন্তু ভারতের বাজারে ওপ্পোর ব্যবসা বিরাট ধাক্কা খায়। তার উপর চিনের সঙ্গে ক্রমশ সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে ভারতের। নোকিয়া ও ইন্টারডিজিটালের সঙ্গে পেটেন্ট নিয়ে ঝামেলাতেও আর্থিক ক্ষতি হয় ওপ্পোর। দু'বছরের মধ্যে চুক্তি ছিন্ন করে কোম্পানিটি।
ভারতের বহুজাতিক এডটেক কোম্পানি বাইজু'স ২০১৯-এ ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সির মূল স্পনসর হয়। শিক্ষাব্যবস্থার টেকনোলজির প্রসারে দ্রুত নামও করে তারা। স্পনসর হিসেবে ম্যাচ প্রতি ৫ কোটি টাকার চুক্তি ছিল। কিন্তু কোভিডের ধাক্কায় কার্যত দেউলিয়া হয়ে যায় বাইজু'স। ১৫৮ কোটি টাকা বকেয়ার দাবিতে ভারতীয় বোর্ড মামলাও করে। ২০২৩-এ দু'পক্ষের সব চুক্তি শেষ হয়।
কিন্তু সদ্যসমাপ্ত বাদল অধিবেশনে পাশ হওয়া ‘দ্য প্রমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব অনলাইন গেমিং বিল’-এর সুবাদে বন্ধ হতে পারে ড্রিম ১১, মাই ১১ সার্কেলের মতো ফ্যান্টাসি অ্যাপগুলি। যে কারণে ভারতীয় দলের স্পনসর থেকে সরে যেতে হবে ড্রিম ১১-কে। এশিয়া কাপেও সম্ভবত সূর্যকুমার যাদবদের জার্সিতে হয়তো থাকবে না কোনও স্পনসরের নাম।