রাজনীতিকে বিদায় জানিয়েই বিদেশ পাড়ি! বিয়ের জন্মদিনে শুভশ্রীকে ঠোঁটঠাসা চুমু রাজের
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজ যে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন তা বললে অত্যুক্তি হবে না। তাই নিরিবিলিতে নিজের মতো করে মনের মানুষের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন রাজ চক্রবর্তী। অষ্টম বিবাহবার্ষিকী কীভাবে পালন করছেন রাজশ্রী?
ভোটের ফল ঘোষণার ৯৬ ঘণ্টা পরই রাজনীতি নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত নেন পরিচালক। সমাজমাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন '২০২৬-এ রাজনীতির ময়দান ছাড়লেন, শেষ হল রাজনৈতিক জীবনের পথচলা।' জীবনের পাঁচটা বছর ভুলে কোয়ালিটি সময় কাটাচ্ছেন রাজ। কর্মজীবন বা রাজনৈতিক জীবনের গ্লানি কখনওই ব্যক্তিগতজীবনে বহন করেন না। তাই অষ্টম বিবাহবার্ষিকীতে শহর ছাড়লেন রাজ।
আরও পড়ুন:
রাজ সবসময়ই বলেন, তাঁর জীবনে ইউভান-ইয়ালীনির থেকেও বেশি প্রাধান্য পান শুভশ্রী। প্রকাশ্যেই স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা জাহির করেন পরিচালক। বিবাহবার্ষিকীতে সেই ভালোবাসা যে আরও জোরাল হবে সেটাই তো স্বাভাবিক। শুভশ্রীর পোস্টেও মিলল সেই ইঙ্গিত। রাজশ্রীর ঠোঁটঠাসা চুমুতে সোশাল মিডিয়ায় চড়চড়িয়ে বেড়েছে উষ্ণতার পারদ।
আরও পড়ুন:
রাজ-শুভশ্রীর বিবাহবার্ষিকীতে ভক্তরা যেমন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে জানতে চেয়েছেন ইউভান আর ইয়ালিনি কোথায়? সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে আসেননি? এইরকম একাধিক প্রশ্ন জমা পড়েছে মন্তব্যবাক্সে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজ যে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন তা বললে অত্যুক্তি হবে না। তাই নিরিবিলিতে নিজের মতো করে মনের মানুষের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন রাজ চক্রবর্তী।
গলা ফাটিয়ে বা সুর চড়িয়ে নয়, বরং রাজের প্রতি প্রেম নিবেদনই শুভশ্রীর প্রতিবাদের ভাষা। সোশাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি পারিবারিক মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছিলেন। কোনওটায় রাজশ্রীর সম্পর্কের অটুট বন্ধন তো কোনও ছবিতে ইউভান-ইয়ালিনির সঙ্গে ‘ড্যাডি কুল’ রাজের এক ‘নিষ্পাপ’ মুহূর্ত। পোস্টের ক্যাপশনে শুভশ্রী লিখেছিলেন, ‘আমাদের সুপারহিরো, আমাদের গর্ব, আমাদের সুপারস্টার, আমাদের শান্তির জায়গা, আমাদের এক টুকরো পৃথিবী।’