কথায় বলে মানুষ চেনা বড় কঠিন। কাউকে চিনতে একটা গোটা জীবনও কম পড়ে যায়। যাকে জীবনের সবটা ভেবে আকড়ে ধরা হয়, একটা সময়ের পর দেখা যায় সেই সব থেকে বড় আঘাতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সেটা প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও। কারণ, আমরা যাকে নিখাদ ভালোবাসা ভাবি, সবসময় কিন্তু তা সত্যি হয় না। অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায়, স্বার্থ পূরণে কেউ কেউ জীবনের অঙ্গ হয়ে ওঠে। স্বার্থ ফুরোলেই ভ্যানিশ হয়ে...
Advertisement
২৮
আসলে খালি চোখে আমরা কাউকে ভালো লাগলেই তা ভালোবাসা বলে ধরে নিই। কিন্তু আদতে কিন্তু তা নয়। দেখা যায় জীবনে চলার পথে কেউ কেউ সঙ্গী হয়ে ওঠে স্রেফ অর্থ, সামাজিক সম্মানের লোভে। যতক্ষণ আপনি এগুলো তাঁকে দিতে পারছেন, ততক্ষণ সব ঠিকঠাক। কিন্তু আপনি বিপদে পড়লেই প্রকাশ্যে চলে আসে আসল বিষয়।
তাই সম্পর্কে জড়ানোর আগে বা থাকাকালীন বুঝে নেওয়া প্রয়োজন আপনার পছন্দের মানুষটা সত্যিই 'শূন্য' আপনাকে ভালোবাসে, সঙ্গ চায় নাকি আপনার পকেট ভর্তি টাকায় আকর্ষণ বোধ করেন তিনি। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক কী করে বুঝবেন সঙ্গী সত্যিই আপনাকে ভালোবাসে নাকি টাকা?
Advertisement
৪৮
নতুন কারও সঙ্গে পরিচয় হলে বা সঙ্গী আপনার কাজ নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করবেন এটা খুব স্বাভাবিক। মাইনে কত তার আন্দাজ পেতে চাওয়াও অপরাধ নয়। তবে তার একটা সীমা রয়েছে। মাইনে নিয়ে অতিরিক্ত আগ্রহ প্রকাশ কিন্তু নেতিবাচক প্রবণতা।
৫৮
বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ২ জনই কর্মরত হন। সেক্ষেত্রে খরচও অর্ধেক অর্ধেক হওয়াই কাম্য। সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবসময় ৫০-৫০ নীতি সম্ভব নয়। তবে দেখবেন সবর্দা আপনিই খরচ করছেন তা যেন না হয়। এটা কিন্তু মোটেই ভালো লক্ষণ নয়।
সঙ্গীকে দামী দামী উপহার দিলে, তাঁর পিছনে পয়সা খরচ করলে তবেই কি তার আপনার প্রতি আচরণ বদলে যায়? অতিরিক্ত ভালোবাসা প্রকাশ করে সঙ্গী? আবার খরচ করতে না পারলেই ভালোবাসা ভ্যানিশ হয়ে যায়? তাহলে কিন্তু স্পষ্ট যে সঙ্গীর ভালোবাসা নির্ভর করে আপনার টাকার উপরই।
৭৮
হয়তো দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্কে আছেন। ঘুরছেন ফিরছেন, দীর্ঘক্ষণ সময় কাটাচ্ছেন। কিন্তু পরিণতির কথা বললেই পিছিয়ে যাচ্ছেন সঙ্গী? তাহলে বুঝে নিন ভালোবাসা নয়, সুবিধা পেতেই আপনার সঙ্গে রয়েছে সে।
৮৮
আপনি বরাবর খরচ করেন সঙ্গীর পিছনে। কিন্তু কোনও কারণে করতে না পরলেই কি বদলে যায় তাঁর আচরণ? মানসিক দূরত্ব তৈরি করে? আপনার উপর চাপ সৃষ্টি করে? তাহলে বুঝে নিন ভালোবাসা নয়, অর্থই আপনার কাছে রেখেছে সঙ্গীকে।
গাড়ির ড্যাশবোর্ডে দেবদেবীর মূর্তি? সামান্য ভুলে হতে পারে চরম ক্ষতি
গাড়ির ড্যাশবোর্ডে দেবদেবীর মূর্তি রাখলে কয়েকটি নিয়ম মানা প্রয়োজন। অবশ্যই ধুলো যেন না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৭:৪৪
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১৭:৪৪
১১০
গাড়ির ড্যাশবোর্ডে দেবদেবী রাখেন অনেকেই। কেউ রাখেন শিবের মূর্তি। কারও পছন্দ গণেশ। কেউবা গাড়ির ড্যাশবোর্ডে রাখেন কামধেনুর মূর্তি। তাঁদের বিশ্বাস, দেবদেবীর মূর্তি রাখার ফলে ইতিবাচক শক্তিতে ভরে ওঠেন গাড়িতে থাকা সকলে। আবার পথ চলতে চলতে কোনও বাধা যেন ছুঁতে পারে না গাড়িচালক থেকে আরোহী কারও। তবে কয়েকটি ভুল করলে হতে পারে ঘোর বিপদ।
২১০
অনেকেই মনে করেন, গাড়ির ড্যাশবোর্ডে রাখা দেবদেবীর মূর্তি দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করে। আবার এটি ইতিবাচক শক্তির আধার। অনেকে সমৃদ্ধির আশা, আধ্যাত্মিক শান্তি এবং ভক্তির প্রতীক হিসাবেও গাড়ির ড্যাশবোর্ডে দেবদেবীর মূর্তি রাখেন। আপনিও চাইলে গাড়ির ড্যাশবোর্ডে দেবদেবীর মূর্তি রাখতে পারেন।
পথের বাধা দূর করতে অনেকে গাড়ির ড্যাশবোর্ডে গণেশের মূর্তি রাখেন। বিঘ্নহর্তার মূর্তি পথ দুর্ঘটনা থেকে চালককে বাঁচাতে সাহায্য করে বলেই মত কারও কারও। এছাড়া গাড়িতে তাঁর উপস্থিতি যেন শান্তির পরিবেশ তৈরি করে। নানা ধাতুর তৈরি গণেশ বাজারে পাওয়া যায়। তবে যেটা ইচ্ছা হল সেটাই কিনে গাড়ির ড্যাশবোর্ডে রাখবেন না। পিতল, রুপো কিংবা কাঠের তৈরি গণেশ রাখুন ড্যাশবোর্ডে।
৪১০
হনুমানজি শক্তি এবং নিরাপত্তার প্রতীক। গাড়ির ড্যাশবোর্ডে তাই হনুমানজির মূর্তি রাখতেই পারেন। অনেকেই বিশ্বাস করেন, পথের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগায় হনুমানজি। শত্রুর কুনজর কাটাতেও সাহায্য করে। সে কারণে অনেকেই গাড়ির ড্যাশবোর্ডে হনুমানজির মূর্তি রাখেন। রুপো কিংবা পিতলের হনুমানজির মূর্তি গাড়িতে রাখতে পারেন।
গাড়ির ড্যাশবোর্ডে সবচেয়ে বেশি রাখা থাকে শিব মূর্তি। হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে শক্তিশালী দেবতাদের মধ্যে একজন। গাড়ির নেতিবাচক শক্তি কাটিয়ে ইতিবাচকতায় ভরিয়ে দিতে চাইলে রাখুন শিব মূর্তি। কাটবে পথের সমস্ত বাধা। শ্রীবৃদ্ধি হবে আপনার।
৭১০
দেবতা ও অসুরদের সমুদ্র মন্থনের সময় কামধেনুর আবির্ভাব। হিন্দু ধর্মে কামধেনুকে গোমাতা হিসাবে পুজো করা হয়। যা পবিত্রতা ও সমৃদ্ধির প্রতীক। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এটি ঘরে এবং কর্মক্ষেত্রে রাখা অত্যন্ত শুভ। নেতিবাচক শক্তি দূর করে আর্থিক উন্নতি হয়। সুখসমৃদ্ধিতে সংসার ভরে ওঠে বলেই মনে করেন বাস্তুশাস্ত্রবিদরা। তাই অনেকে গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কামধেনু মূর্তি রাখেন। পথের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য কামধেনুই হতে পারে আপনার দিশারী।
৮১০
ভালোবাসা, শান্তি, সৌহার্দ্যের প্রতীক ভিত্তাল-রুক্মিণী। মহারাষ্ট্রের পন্ধরপুরের বিখ্যাত মন্দির। ওয়ারকারি সম্প্রদায়ের মানুষজন মন্দিরে ভিড় জমান। এই মূর্তিও অনেকেই গাড়ির ড্যাশবোর্ডে রাখেন। আপনিও রাখতেই পারেন। তাতে আপনার প্রেম আরও গাঢ় হবে। ভিত্তাল-রুক্মিণীর আশীর্বাদে আপনার পথচলা হবে আরও সুগম।
৯১০
শক্তি, সাহসের প্রতীক দেবী দুর্গা। পথের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে চলতে সাহস জোগায় আপনাকে। পথদুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করবে। তাই গাড়ির ড্যাশবোর্ডে অবশ্যই রাখুন দুর্গার মূর্তি। নেতিবাচক শক্তি কাটিয়ে ইতিবাচকতায় ভরে উঠবে আপনার জীবন। তাই আজই সাজান গাড়ির ড্যাশবোর্ড।
১০১০
গাড়ির ড্যাশবোর্ডে দেবদেবীর মূর্তি রাখলে কয়েকটি নিয়ম মানা প্রয়োজন। অবশ্যই ধুলো যেন না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রতিদিন পারলে ধূপ দেখাতে পারেন। গাড়ি না চালালেও একবার কমপক্ষে দরজা খুলুন। প্রণাম করুন ড্যাশবোর্ডে রাখা দেবদেবীকে। তাতেই মিলবে সুফল। আপনার জীবনের উন্নতির গ্রাফ অন্যের ঈর্ষার কারণ হয়ে উঠবে।
নয়ের দশকের পর্দায় পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের ফ্রেমে ঝড় তুলেছিলেন 'অ্যাংরি ইয়ং ম্যান' সঞ্জয় দত্ত। যার 'খলনায়ক' অবতারে আজও কাঁপন ধরে দর্শকমনে! তিন দশক পেরিয়ে এবার ব্লকবাস্টার সেই ছবির সিক্যুয়েল আনতে চলেছেন সঞ্জয় দত্ত। সেই চেনা হাসি, কাঁধ পর্যন্ত লম্বা চুল আর রাফ অ্যান্ড টাফ অ্যাটিটিউড, 'খলনায়ক: রিটার্নস'-এর পোস্টারেই উন্মাদনার পারদ চড়ালেন সঞ্জুবাবা।
সুভাষ ঘাই সৃষ্ট 'বল্লু' বলিউডের অন্যতম কাল্ট ক্লাসিক চরিত্র। এবার মুম্বইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে 'খলনায়ক: রিটার্নস'-এর ২টি লুক প্রকাশ্যে আনলেন সঞ্জয় দত্ত। যেগুলোর একটিতে সঞ্জয়কে দেখা যাচ্ছে গম্ভীর মুখে ধূমপান করতে। আর অন্যটিতে তাঁর সেই চিরচেনা রহস্যময় হাসি!
৪১০
ক্যাপশনে উল্লেখ, 'সব কাহিনির একটা সময় থাকে, আর সেই সময়টা এবার চলে এসেছে।' আদতেই তাই, কিছু কাহিনি শেষ হয়েও যেন রেশ ছেড়ে যায়। আর 'খলনায়ক' তার মধ্যে অন্যতম। তবে জানেন কি, জেলে বসেই এই খলনায়ক সিক্যুয়েলের ভাবনা সঞ্জুবাবার মনে উঁকি দিয়েছিল। কীভাবে?
৫১০
অভিনেতা নিজেই সেই কাহিনি ভাগ করে নিলেন। সঞ্জয় জানান, "১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় আমি তখন কারাবাস। জেলে আমি প্রায় ৪,০০০ বন্দিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম ,তাঁরা খলনায়ক-এর সিক্যুয়েল দেখতে চান কিনা?" আর ঠিক সেসময়েই তাঁর সহবন্দিরা যে প্রতিক্রিয়া দেন, তাতে তিনি নিজেই হতবাক হয়ে যান!
সঞ্জুবাবা বলেন, "সকলেই প্রায় একবাক্যে রাজি হয়েছিলেন। আমি তাঁদের প্রত্যেককে একপৃষ্ঠা করে গল্প লিখতে বলি। সেই ৪,০০০ পৃষ্ঠা পড়ে শেষ করতে আমার বেশ কিছুটা সময় লেগেছিল বটে, কিন্তু সবক'টা পড়ার পর প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সুভাষজিকে দেখিয়েছিলাম, তখনই তিনি বলেন যে, সিক্যুয়েল তৈরির সিদ্ধান্তে সায় দেন।"
৭১০
আর ২৪ এপ্রিল 'খলনায়ক: রিটার্নস'-এর ঘোষণা করে তিন দশক আগের সেই স্বপ্নকেই বাস্তবায়িত করলেন সঞ্জুবাবা। সঞ্জয় দত্ত জানান, সুভাষ ঘাই ছাড়া 'খলনায়ক'-এর সফর অকল্পনীয়। পাশাপাশি পরিচালককে 'জীবন্ত কিংবদন্তি' বলেও সম্বোধন করেন অভিনেতা। আর যে পরিচালকের হাত ধরে বলিউড এহেন কাল্ট ক্লাসিক চরিত্র উপহার পেয়েছিল, তাঁর কী মত?
৮১০
সিক্যুয়েলের ভাবনায় উচ্ছ্বসিত সুভাষ ঘাই বলছেন, "এটা সঞ্জয় এবং মান্যতার আন্তরিক ইচ্ছা ও আবেগের ফল। আমি নিশ্চিত, আরও ভালো কিছু হতে চলেছে। আমি সবসময় সাহায্যের জন্য প্রস্তুত।" সদ্য 'ধুরন্ধর'-এ এসপি চৌধুরীর চরিত্রে তাক লাগিয়েছেন সঞ্জুবাবা। এবার ৩৩ বছর বাদে 'খলনায়ক' সিক্যুয়েলে কেমন চমক দেন? কৌতূহলী ভক্তরা।
৯১০
১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'খলনায়ক'-এ সঞ্জয় দত্তের 'অ্যান্টি-হিরো' ইমেজ যেমন দর্শকমনে ঝড় তুলেছিল, তেমনই জ্যাকি শ্রফ, মাধুরী দীক্ষিতের অভিনয়ও বহুল প্রশংসিত হয়েছিল। তবে 'খলনায়ক: রিটার্নস'-এ দুই বলিউড তারকাকে পাওয়া যাবে কিনা কিংবা পুরনো গল্পের রেশ ধরেই সিক্যুয়েল শুরু হবে কিনা, সেটা স্পষ্ট করেননি সঞ্জয় দত্ত।
১০১০
খবর, আপাতত চিত্রনাট্যের খসড়া তৈরি হচ্ছে। সুভাষ ঘাইয়ের 'মুক্তা আর্টস'-এর থেকে ছবিটির সিক্যুয়েলের জন্য যৌথভাবে স্বত্ব কিনে নিয়েছে সঞ্জয় দত্তের প্রযোজনা সংস্থা 'থ্রি ডাইমেনশন মোশন পিকচার্স'এবং 'অ্যাসপেক্ট এন্টারটেইনমেন্ট'। তবে উল্লেখ্য, সিক্যুয়েলের লুকে কিন্তু বলিউডের 'আলফা মেল' ট্রেন্ডের আভাস দিয়েছেন সঞ্জয় দত্ত। (ছবি- সংগৃহীত)