এর মধ্যেই নুসরতের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানা যায়। ছেলের বাবা হিসেবে যশের নামই নথিভূক্ত করিয়েছেন অভিনেত্রী। তর্ক-বিতর্ককে কখনও পাত্তা দেনননি প্রাক্তন সাংসদ। নিজের মতো করে জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন তিনি। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
নদীমাতৃক দেশ এই বাংলা। গঙ্গা এখানে পবিত্র, পতিতোদ্ধারিণী। তার নিরলস প্রবাহে বঙ্গভূমি হয়ে উঠেছে সুজলা-সুফলা-শস্য-শ্যামলা। যে কোনও পুজোয় গঙ্গাজল আবশ্যক, পবিত্র অনুষঙ্গে। এবারের মাতৃপূজায় তাই প্রাধান্য পেয়েছে সেই গঙ্গানদী।
২৭
জগৎ মুখার্জি পার্কের দুর্গাপুজো এবার ৮৮ তম বছরে পড়ল। আর এবার তাদের পুজোর থিম গঙ্গা। শুধুই নদীদূষণেরল বিরুদ্ধে বার্তা নয়। সভ্যতার বিকাশে গঙ্গার গর্ভে যে পাতাল রেলের লাইন গিয়েছে, তাও উঠে এসেছে তাদের এবারের থিমে। মণ্ডপের আদল মেট্রো স্টেশন।
দেবী দুর্গার গড়ন এবার মা গঙ্গার মতো। দশভুজার মূর্তি তৈরি হচ্ছে এখানেই। শিল্পী সুবল পালের ভাবনায় জগৎ মুখার্জি পার্কের পুজো সেজে উঠছে। এখানে গঙ্গারূপী মাতৃশক্তি দুর্গার বিজয়গাথা।
৪৭
সদ্যই গঙ্গার নিচ দিয়ে পাতাল রেলের পথ গিয়েছে কলকাতা শহরে। হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড। এই পথে নদীগর্ভের নীলচে আভাও চাক্ষুষ করেন যাত্রীরা। পুজোমণ্ডপেও তৈরি হচ্ছে সেই মেট্রো স্টেশন, সেই আবহ। মনে হবে যেন মেট্রোরেলে উঠলেন! তার পোশাকি নাম 'প্ল্যাটফর্ম হাওড়া ময়দান'। ২০১৬ সালে ডাউন বনগা লোকাল থিমে চমক দিয়েছিলেন শিল্পী সুবল পাল। এবার মণ্ডপে মেট্রো এনে তারই পার্ট টু তৈরি করছেন তিনি।
৫৭
গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গা সমতলে নেমে আসার পর থেকেই তার উপর শুরু হয়েছে মানব সভ্যতার অত্যাচার। দূষণে জর্জরিত তার প্রবাহ। আর তা থেকে তাকে মুক্ত করতে এগিয়ে আসতে হবে মানুষকেই। জগৎ মুখার্জি পার্ক শারদোৎসবের মধ্যে দিয়ে সেই বার্তাই তুলে ধরতে চায়। মানব সমাজকে সতর্ক করা হয়েছে।
একসময়ে সভ্যতা শাসাত ডাইনোসরের মতো বৃহদাকার জন্তুরা। ধীরে ধীরে তারা বিলুপ্ত হয়েছে। জগৎ মুখার্জি পার্কের পুজোয় সেই বিবর্তনের বার্তা। ৮৮ তম পুজোয় মণ্ডপে আপনাকে স্বাগত জানাবে ডাইনোসর।
৭৭
দুর্গাপুজো যেমন বাঙালি সংস্কৃতির প্রবাহ, তেমনই সভ্যতার প্রবাহ নিয়ন্ত্রিত হয়েছে গঙ্গা নদী দ্বারা। সুদীর্ঘ তার যাত্রাপথ। ঠিক তেমনই শারদীয়ায় আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের স্রোত বয়ে যায় বাঙালি জীবনে। আর এবার এখানকার পুজো গঙ্গাকেই উৎসর্গ করা হয়েছে।