বজায় থাক দাম্পত্য উষ্ণতা, সন্তান জন্মের পরেও এই কাজগুলি করতে ভুলবেন না
বহু সেলেবেরই সন্তান জন্মের পরেও দাম্পত্য উষ্ণতা অটুট।
বহু সেলেবেরই সন্তান জন্মের পরেও দাম্পত্য উষ্ণতা অটুট। ঠিক যেমন বাইশ গজের সাফল্য উদযাপনে অনুষ্কাই প্রিয় আশ্রয় কোহলির। আবার দীপিকা-রণবীর কিংবা আলিয়ারা যেন আজও একে অপরের প্রেমে মজে। মালতীকে বড় করে তোলার মাঝেও প্রেমে হাবুডুবু খান নিক-প্রিয়াঙ্কা। আপনিও সহজ কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করতে পারেন। তাতেই ফিরবে দাম্পত্য উষ্ণতা। বদলে যাবে দাম্পত্য রসায়ন।
আরও পড়ুন:
প্রথমত, নিজেদের শুধু বাবা-মা বলে ভাববেন না। মনে রাখবেন প্রথমে আপনারা প্রেমিক-প্রেমিকা, দম্পতি। তবেই না আপনাদের মাধ্যমে পৃথিবীর আলো দেখেছে খুদে। তাই নিজেদের দম্পতি ভাবা বন্ধ করবেন না। সন্তানকে দেখভালের মাঝে নিজেদের সময় দিন। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে কমপক্ষে ৩০ মিনিট সময় একসঙ্গে কাটান। সেই সময়ের মধ্যে চেষ্টা করুন সংসার, সন্তানের ভাবনাকে কিছুটা দূরে সরিয়ে রাখার।
সন্তান জন্মের পর প্রত্যেক দম্পতির দিনযাপনে বদল আসে। তাই সেই আগের মতো চাইলেই আর একসঙ্গে মুভি ডেট কিংবা রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া হয়তো সম্ভব নাও হতে পারে। তা নিয়ে মনখারাপ করবেন না। বেশিক্ষণ সময় কাটানোর চেয়ে ছোট ছোট মুহূর্ত তৈরি করুন। কাজের ব্য়স্ততার ফাঁকে জড়িয়ে ধরুন। চুমু দিন। কিংবা হাতের উপর হাত রেখে কিছুক্ষণ বসুন। তাতেই দাম্পত্যের বন্ধন হবে আরও শক্তপোক্ত।
সমাজ এগিয়ে গিয়েছে। পুরুষদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ রেখে কর্মক্ষেত্রে সফল বহু মহিলা। তা সত্ত্বেও অনেকে এখনও মনে করেন, সন্তানকে বড় করে তোলার দায়িত্ব একা মায়েরই। বদ্ধমূল এই ধারণা থেকে বেরনোর চেষ্টা করুন। স্ত্রীর সঙ্গে সন্তানপালনের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নিন। চেষ্টা করুন তাঁর মতো করে খুদের ডায়াপার বদল, খাওয়ানো, ঘুম পাড়ানোর দায়িত্ব নিন। একসঙ্গে দায়িত্ব ভাগাভাগিতে সম্পর্কের শীতলতা দূর হবে।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে বেশিরভাগ পরিবারের সদস্য সংখ্যা কম। তার উপর অধিকাংশ মহিলা কর্মজীবী। তার মাঝে সন্তানকে বড় করে তোলা মুখের কথা নয়। স্বাভাবিকভাবে তাই মহিলার মধ্যে মানসিক উদ্বেগ বাড়তে থাকে। তার ফলে দাম্পত্য অশান্তি তৈরি হয়। কঠিন পরিস্থিতিতে স্ত্রীর পাশে থাকার চেষ্টা করুন। তাঁর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। তাতে সঙ্গিনী অনেকটা চাপমুক্ত হবেন। ফিরবে দাম্পত্য উষ্ণতা।
দিনভর অফিসের ব্যস্ততা সামলে ঘরে ফিরে মোবাইল হাতে বসে থাকার অভ্যাস অনেকের। দাম্পত্য উষ্ণতা বজায় রাখতে ভুলেও মোবাইল হাতে নিয়ে বসে থাকবেন না। অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলুন। সন্তানকে সময় দিন। ঘরকন্নায় খানিকটা সাহায্য করতে পারেন। স্ত্রীর প্রশংসা করুন। তাতেই বাড়বে প্রেম। আরও শক্তপোক্ত হবে দাম্পত্যের ভিত।
নবজাতকের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি তার মাকে নিতে হয়। দিনভর খাওয়ানো, স্নান করানো, ঘুম পাড়ানোর মতো কাজ করতে হয়। ফলে ক্লান্ত হয়ে যান মা। তাই দিনশেষে যৌনতায় সায় দেয় না তাঁর শরীর। তবে শারীরিক সম্পর্ক প্রত্যেক দাম্পত্যে অত্যন্ত জরুরি। যৌনতায় না মাততে চাইলেও একে অপরকে চুম্বন করুন। জড়িয়ে ধরুন। তাতেও দাম্পত্য রসায়ন যে জমে ক্ষীর হবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।