মৃত্যুর আগে ছেলে রণবীরকে জানিয়েও শেষ ইচ্ছে পূরণ হল না ঋষি কাপুরের!
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের ‘ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ’ – এর পাতায়। চোখ রাখুন
বলিউডের কাপুর সাম্রাজ্যের আদুরে ছেলে চিন্টু। ছোট থেকেই মাতিয়ে রাখতেন পরিবারের সকলকে। দাদু পৃথ্বীরাজ কাপুরের চোখের মণি ছিলেন। কাপুর পরিবারের ইতিহাসে ঋষিই একমাত্র যিনি বাবা রাজ কাপুর এবং দুই ভাই রণধীর ও রাজীবের পরিচালনায় সিনেমা করেছেন। সাদাকালো থেকে রঙিন ফ্রেমের ছবির ইতিহাস খুব কাছ থেকেই পর্যালোচনা করতে পেরেছেন সেই সুবাদে।
আরও পড়ুন:
‘শ্রী ৪২০’ সিনেমার এক গানের দৃশ্যেই পর্দায় প্রথম ধরা দেন। ৩ বছরের খুদে ঋষিকে ‘প্যায়ার হুয়া ইকরার হুয়া’ গানের দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল। তবে অভিনেতা হিসেবে হাতেখড়ি হয় ‘মেরা নাম জোকার’ দিয়ে। ১৫-১৬ বছর বয়সে। এই ক্লাসিক বলিউড ছবিতে ঋষিকে দেখা যায় বাবা রাজ কাপুরের ছোট বয়সের চরিত্রে। অর্থাৎ জুনিয়র জোকার হিসেবে। বলিউড হয়তো তখনই পালস বুঝে গিয়েছিল অভিনেতার। ফর্সা চেহারা, ভরা গাল, একেবারে দুষ্টুমিষ্টি এই...
এরপর সাতের দশকে বাবা রাজ কাপুরের পরিচালনায় ‘ববি’ সিনেমায় মূল চরিত্রে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। বিপরীতে ডিম্পল কাপাডিয়া। তৎকালীন যুবসমাজের বুকে ঝড় তুলে দিয়েছিল ‘হাম তুম এক কামড়ে মে বন্ধ..’ গানটি। বাবা রাজ কাপুরের কড়া নির্দেশ ছিল, গানের দৃশ্যের শুটিংয়ে গলা ছেড়ে গাইতে হবে। যাতে দেখে লিপসিঙ্ক না বোঝা যায়!
বলিউডে তখন সবাই চার্মিং চিন্টু বলেই ডাকত। ভারী আমুদে মানুষ। কথাবার্তাতেই আপন করে নিতেন মানুষকে। তৎকালীন দেশের যুবতীদের হার্টথ্রব ছিলেন ‘চকোলেট বয়’ ঋষি। কত নায়িকাই যে প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছে। শোনা যায়, ‘ববি’ সিনেমার পর ডিম্পল কাপাডিয়ার সঙ্গে তাঁর একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল, কিন্তু বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। টিনা মুনিমের সঙ্গেও বহু হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
অভিনয় জীবনের সেকেন্ড ইনিংসে ‘১০২ নট আউট’, ‘ডি-ডে’ থেকে ‘মুলক’, ‘অগ্নিপথ’, ‘দো দুনি চার’, ‘রাজমা চাওল’ অভিনয় তো করেইছেন। তাঁর সঙ্গে প্রযোজক-পরিচালক হিসেবেও নাম লিখিয়েছিলেন ঋষি। ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম মাইলস্টোন প্রোডাকশন হাউস, আরকে ফিল্মসের ব্যানারে শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘আ অব লট চলে’র পরিচালনা করেছিলেন ঋষি কাপুর। ঐশ্বর্য রাই, অক্ষয় খান্না অভিনয় করেছিলেন। সেই ছবি দিয়েই পরিচালক হিসেবে হাতেখড়ি ঋষি কাপুরের। আর সেটাই ঋষি পরিচালিত...