নারী শরীরের অজানা কথা, যা জানলে চমকে যাবেন
তথ্যগুলি জানলে চমকে যেতে পারেন আপনি।
আরও পড়ুন:
অ্যাভোকাডোয় থাকে মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। ভিটামিন সি, ই,কে, পটাশিয়াম, ফোলেট এবং ডায়েটারি ফাইবার সমৃদ্ধ এই ফল। যা আমাদের হৃদযন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ভালো। এই ফল নিত্যদিন খাওয়ার ফলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমতে থাকে। অ্যাভোকাডোয় থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। অ্যাটি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ফলটি ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়ক।
এপ্রিলের শুরুতেই হাঁকিয়ে ব্যাটিং করছে গ্রীষ্ম। প্রবল গরমে এখনই বাড়ি থেকে বেরতে গিয়ে ত্রাহি ত্রাহি রব। পাখা ছাড়া ঘরে থাকাই অসম্ভব। এসি চালানোর প্রয়োজনীয়তাও পড়ছে। তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা। শরীর ঠান্ডা রাখা প্রয়োজন। নইলে সমস্যা দেখা দিতে হবে। তাই খাদ্যতালিকায় থাকা প্রয়োজন ডাব। সপ্তাহদুয়েক প্রতিদিন ডাবের জল খেলে পেটে জমা অতিরিক্ত চর্বি ঝরে যাবে। গ্যাসের সমস্যাও দূর হবে।
ডাবের জলে রয়েছে ইলেকট্রোলাইট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন সি। যা শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ওজন নিয়ন্ত্রণ যেমন করে তেমনিই আবার উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও ডাবের জলের জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা ডাবের জল ত্বকের যত্নেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে ডাবের জল। চুলের গোড়া মজবুতও করে ডাবের জল।
আরও পড়ুন:
নারীর শরীরের সুস্থতা এবং সৌন্দর্যে হলুদ একটি অতি পরিচিত ও কার্যকরী প্রাকৃতিক উপাদান। হলুদে থাকা কারকিউমিনই হলুদের জাদুকরী গুণের উৎস। হলুদ ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়িয়ে কালচে দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। আবার বলিরেখা বা বয়সে ছাপ পড়তে বাধা দেয়। শুধু তাই নয় মেনোপজ পরবর্তী সময় নারী শরীরের অস্বস্তি কমায়। ওজন নিয়ন্ত্রণেও হলুদের কার্যকরী প্রভাব প্রায় সকলের জানা।
প্রায় দু'সপ্তাহ একটানা হলুদ ব্যবহার করলেই মিলবে সুফল। সকালে খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেতে পারেন। কিংবা গরম জলে হলুদ ও গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে পান করতে পারেন। ফেসপ্যাক হিসাবেও হলুদ ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে মধু ও টক দইয়ের সঙ্গে কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন। হলুদের সঙ্গে গোলমরিচ খেলেও শরীরের কারকিউমিন শোষণের ক্ষমতা বাড়ে।
নীল বা বেগুনি রঙের সুস্বাদু ফল ব্লু বেরি। যাকে সুপারফুড বললেও কম হবে না। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ ফলটি নারী শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বলা ভালো, ম্যাজিকের মতো কাজ করে ফলটি। একটানা দুই সপ্তাহ এই ফলটি খেলে ত্বকের নানা সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। গরমে ত্বকের প্রদাহের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। রোজকার খাদ্যতালিকায় মহিলারা অবশ্যই রাখুন ব্লু বেরি।
দই বা দুধের সঙ্গে ব্লেন্ড করে কিংবা স্যালাডে ব্লু বেরি দিয়ে খেতে পারেন। তাতে ওজন নিয়ন্ত্রণ হবে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ত্বকের ক্ষেত্রেও ব্লু বেরি বেশ আবশ্যক। আবার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। মরশুম বদলের সময় ব্লু বেরি খেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও।