তিন দশকের পুরনো অভিশাপের কালো মেঘ যেন আবারও ঘনাচ্ছে ব্রিটিশ রাজপরিবারে! ‘ত্যাজ্য’ ছোট ছেলে হ্যারি ও পুত্রবধূ মেগান মর্কেলের প্রত্যাবর্তনের পর যেভাবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে, তাতেই এমন আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে খোলাখুলি নিজের ভয়ের কথা জানালেন প্রিন্সেস ডায়নার ভাই আর্ল স্পেনসার। তাঁর বক্তব্য, ব্রিটিশ মিডিয়া ক্রমাগত হেয় করে চলেছে হ্যারি-মেগানকে, তাঁদের পরিণতিও না ডায়নার মতো হয়। তাঁর এই মন্তব্যও নয়া বিতর্কের জন্ম দিল।
কিন্তু কেন ডায়নার ভাইয়ের আচমকা এই ভয়? আসলে ২৯ বছর আগে, ১৯৯৭ সালের আগস্টে প্যারিসের সুড়ঙ্গে অভিশপ্ত গাড়ি দুর্ঘটনায় তৎকালীন যুবরানির মৃত্যুর অভিশাপ আজও রয়ে গিয়েছে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মাথার উপর। প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব, কর্মচারী ডোডি আল ফায়েদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, দুই পুত্রের মায়ের পরকীয়া, স্বাধীন জীবন উপভোগ করা – এসব নিয়ে সেসময় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে বিস্তর সমালোচনা হয়েছিল। মৃত্যুর আগে তাঁকে সেসব সহ্য করতে হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
কিন্তু কেন ডায়নার ভাইয়ের আচমকা এই ভয়? আসলে ২৯ বছর আগে, ১৯৯৭ সালের আগস্টে প্যারিসের সুড়ঙ্গে অভিশপ্ত গাড়ি দুর্ঘটনায় তৎকালীন যুবরানির মৃত্যুর অভিশাপ আজও রয়ে গিয়েছে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মাথার উপর। প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব, কর্মচারী ডোডি আল ফায়েদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, দুই পুত্রের মায়ের পরকীয়া, স্বাধীন জীবন উপভোগ করা – এসব নিয়ে সেসময় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে বিস্তর সমালোচনা হয়েছিল। মৃত্যুর আগে তাঁকে সেসব সহ্য করতে হয়েছিল।

শুধু তাই নয়, প্রেমিকের সঙ্গে ডায়না কখন কোথায় যাচ্ছেন, তা জানতে একমুহূর্তের জন্যও পাপারাজ্জিদের ক্যামেরা পিছু ছাড়েনি। তাদের নজর এড়াতে গিয়েই প্যারিসের সুড়ঙ্গে এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা, এমন তত্ব দারুণ জোরালো হয়েছিল সেসময়। আর্ল স্পেনসার মনে করেন, এভাবে ক্রমাগত তাঁর বোনের চরিত্র নিয়ে সংবাদমাধ্যম কাটাছেঁড়া করার ফলেই ঘনিয়ে এসেছিল মৃত্যু। এ প্রসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন সেসময় যুবরাজ চার্লসের এক রূঢ় মন্তব্য। তিনি বলেছিলেন, ”মানুষ ডায়নাকে দ্রুতই ভুলে যাবে।”
কাট টু। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর। ছ’বছর আগে রাজপরিবার ছেড়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সংকল্প নিয়ে বেরিয়ে যাওয়া ডায়নার ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি ফিরেছেন ব্রিটেনে। সঙ্গী স্ত্রী, ছেলেমেয়ে। সন্তানদের ব্রিটেনের স্কুলেও ভর্তি করিয়েছেন। অর্থাৎ তাঁর পরিকল্পনা, এবার থেকে নিজের পরিবারের সঙ্গেই থাকবেন। এই মুহূর্তে প্রিন্স চার্লস ক্যানসারে আক্রান্ত। অসুস্থ বাবার কাছে থাকার ইচ্ছা হ্যারির।
কাট টু। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর। ছ’বছর আগে রাজপরিবার ছেড়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সংকল্প নিয়ে বেরিয়ে যাওয়া ডায়নার ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি ফিরেছেন ব্রিটেনে। সঙ্গী স্ত্রী, ছেলেমেয়ে। সন্তানদের ব্রিটেনের স্কুলেও ভর্তি করিয়েছেন। অর্থাৎ তাঁর পরিকল্পনা, এবার থেকে নিজের পরিবারের সঙ্গেই থাকবেন। এই মুহূর্তে প্রিন্স চার্লস ক্যানসারে আক্রান্ত। অসুস্থ বাবার কাছে থাকার ইচ্ছা হ্যারির। তাই আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরও তিনি সব ছেড়েছুড়ে চলে এসেছেন। এখন আর আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপরিবারের সদস্য নন তিনি। পারিবারিক সম্পত্তিতে অধিকার নেই। নিজের থাকা-খাওয়া-সুরক্ষার ব্যবস্থা তাঁকে নিজেকেই করে নিতে হয়েছে।

তারপরও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ চলছেই হ্যারি ও মেগানকে নিয়ে। তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে উঁকিঝুঁকি, লাগাতার ট্রোল করা হচ্ছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলিতে। ছোট ভাগ্নেকে নিয়ে তাই চিন্তিত স্পেনসার। তাঁর আশঙ্কা, সংবাদমাধ্যমের এই বাড়াবাড়িতে না ডায়নার মতো পরিণতি হয় হ্যারি-মেগানের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গিল-রাহুলদের খেয়াল নেই! ক্লান্ত ক্রিকেটারদের না জানিয়েই সূচি তৈরি, নেপথ্যে বোর্ডের ‘লোভ’?
-
আর জি কাণ্ডে যুক্ত নারায়ণস্বরূপ নিগম! অভয়ার বাবা বললেন, ‘উনি যদি জড়িত থাকেন…’
-
দাঙ্গার মাঝে কীভাবে হিন্দুদের বাঁচালেন গোপাল পাঁঠা? ‘৪৬-এর আর্তনাদ’ তুলে ধরবে রাজ্যের এই পুজো
-
প্রেমের সিনেমা নয়, জীবনের ক্যানসার স্টাডি! কেমন হল আদৃতের ‘বেপরোয়া’?
-
বিধানসভায় পাশ শিক্ষক বদলি বিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন দুর্বল হবে না তো?