Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Hambantota airport

চিনের ঋণে নাজেহাল শ্রীলঙ্কা! এবার হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের ‘দখল’ ভারত ও রাশিয়ার

ক্ষতির জেরে বিশ্বের ‘সবচেয়ে ফাঁকা বিমানবন্দর’-এর তকমা পেয়েছে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৪, ১০:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৪, ১০:৪৪

options
link
চিনের ঋণে নাজেহাল শ্রীলঙ্কা! এবার হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের ‘দখল’ ভারত ও রাশিয়ার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের ‘সবচেয়ে ফাঁকা বিমানবন্দর’ হিসেবেই তার পরিচিতি। উচ্চ সুদে চিনের (China) থেকে ঋণ নিয়ে যে বিমানবন্দর নির্মাণ করেছিল শ্রীলঙ্কা প্রশাসন। কেবল ভারত নয়, রাশিয়াও নিচ্ছে এই বিমানবন্দরের দায়িত্ব। দুই দেশের সংস্থাকেই এবার এই বিমানবন্দর লিজ হিসেবে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা সরকার।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে উদ্বোধন হওয়া এই বিমানবন্দরের (Hambantota Airport) নির্মাণ খরচের সিংহভাগই দিয়েছে চিন। শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের নামে নামাঙ্কিত বন্দরটি তৈরি করতে খরচ পড়েছিল প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৬ হাজার কোটি টাকাই দিয়েছিল চিনের এক ব্যাঙ্ক। চড়া সুদে ওই অর্থের জোগান দিয়েছিল তারা। কিন্তু সেই ঋণ শোধ করতে গিয়ে বেকায়দায় পড়েছে ঋণে জর্জরিত দেশটি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বামেরা ক্ষমতায় এলে দ্বিগুণ হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার! ভোটপ্রচারে সৃজনের মন্তব্য নিয়ে শোরগোল]

২০১৬ সাল থেকেই এই বন্দরের দেখভালের জন্য বাণিজ্যিক সঙ্গী খুঁজছিল শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। এদিকে উদ্বোধনের পর থেকেই আর্থিক লাভের মুখ দেখেনি এই বিমানবন্দর। এহেন পরিস্থিতিতে এবার বিমানবন্দরটির দায়িত্ব পেল ভারত ও রাশিয়ার দুই সংস্থা। ভারতীয় সংস্থাটির নাম শৌর্য অ্যারোনেটিক্স প্রাইভেট লিমিটেড। রুশ সংস্থাটির নাম এয়ারপোর্টস অফ রিজিয়নস ম্যানেজমেন্ট। দুই সংস্থার সঙ্গে ৩০ বছরের চুক্তি হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কত টাকার চুক্তি হয়েছে,তা এখনও জানা যায়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, এই চুক্তির অর্থের সাহায্য়েই চিনের ঋণ শোধ করার দিকে এগোবে শ্রীলঙ্কা।

দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষতির মুখে পড়ে রয়েছে হাম্বানটোটা বিমানবন্দর। প্রথমদিকে অবশ্য ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক বিমান ওঠানামা করত। যদিও সংখ্যায় সেগুলো কমই ছিল। কিন্তু অচিরেই সেই সংখ্যা কার্যত শূন্য হয়ে পড়ায় বিমানবন্দরটি জনশূন্য হয়ে পড়ে। আর তাতেই জোটে ‘সবচেয়ে ফাঁকা বিমানবন্দর’ তকমা। এখন দেখার, ভারত ও রাশিয়ার সংস্থার তত্ত্বাবধানে ‘সুদিন’ ফেরে কিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির।

[আরও পড়ুন: ‘যোগ্য’দের চাকরি ফেরানোর দাবি, SSC ভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে বাম-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.