Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Xi Jinping

ব্রিকসে ভারতে এসে ‘স্ট্রোকে’ আক্রান্ত হন জিনপিং! প্রকাশ্যে বিস্ফোরক দাবি, অসুস্থ আরও এক রাষ্ট্রনেতা

মোদির ভাষণ চলাকালীন বোঝা যায় জিনপিংয়ের অস্বস্তি। এমনকী সরকারি নৈশভোজেও ছিলেন না তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ১০:১৭

options
link
ব্রিকসে  ভারতে এসে ‘স্ট্রোকে’ আক্রান্ত হন জিনপিং! প্রকাশ্যে বিস্ফোরক দাবি, অসুস্থ আরও এক রাষ্ট্রনেতা zoom
শি জিনপিং। ফাইল ছবি।
Advertisement

দিল্লিতে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে এসে স্ট্রোকে আক্রান্ত হন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তড়িঘড়ি বিশেষ বিমানে তাঁকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে সরাসরি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিস্ফোরক দাবি চিনের বিরোধী দল চায়না ডেমোক্রেসি পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে’র। তবে এ বিষয়ে চিন সরকারি ভাবে কিছু জানা যায়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্যি, সেটা জানা যায়নি।

ব্রিকসের প্রথম দিন ভরা সভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন আয়োজক ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আচমকা ছটফট করতে দেখা যায় চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে। এমনকি জিনপিংয়ের সমস্যা দেখে বক্তৃতাও থামিয়ে দেন মোদি। ভাষণ দিতে শুরু করতেই মঞ্চ থেকে মোদি লক্ষ্য করেন, বসে থাকা জিনপিংয়ের কিছু সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে বক্তৃতা থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। চিনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে থাকা দোভাষীকে জিজ্ঞাসা করেন, সব ঠিক আছে তো? কোনও সমস্যা হচ্ছে? সেদিন ভারতের আয়োজন করা নৈশভোজেও উপস্থিত হননি চিনা প্রেসিডেন্ট। যদিও শেষ পর্যন্ত বোঝা যায়নি ঠিক কী সমস্যা ছিল। এবার ডেমোক্রেসি পার্টির চেয়ারম্যান দাবি করলেন সেসময় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন জিনপিং।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোশাল মিডিয়ায় ওয়ানজুন শিয়ে দাবি করেছেন, শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনের সময়ে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়েছিলেন। দিল্লিতে জরুরি ভিত্তিতে চিনের প্রেসিডেন্টের চিকিৎসা করেন তাঁর সঙ্গে থাকা চিকিৎসকেরা। পরে তাঁকে নিয়ে বেজিংয়ে রওনা দেয় বিশেষ বিমান। বিমানবন্দর থেকে সামরিক হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হয় বেজিংয়ের হাসপাতালে। তড়িঘড়ি সেখানেই হয় তাঁর অস্ত্রোপচার। প্রেসিডেন্ট জিনপিং দিল্লির কোনও হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে চাননি। কারণ তাহলে তাঁর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য ভারতের হাতে চলে যেত। যদিও ওয়ানজুন শিয়ের ওই দাবির সত্যাসত্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলের তরফেও ওই দাবি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে ওই ব্রিকস সমাবেশে এসেই অসুস্থ হয়ে পড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামফোসাও। সাউথ আফ্রিকার ডেপুটি প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, অসুস্থতার জন্য প্রেসিডেন্ট কোনও সরকারি কর্মসূচি করতে পারছেন না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.