নিজের বক্ষযুগলের সঙ্গে কোন অভিনেত্রীর মিল পেলেন সানিয়া?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খুব তাড়াতাড়িই বলিউডে জনপ্রিয়তা পেয়ে গেছেন পরিণীতি চোপড়া। বলিউডের জার্নিটা অবশ্য তাঁর শুরু হয়েছিল মিডিয়া ম্যানেজার হিসাবে। এমনকী রানি মুখোপাধ্যায়ের পার্সোনাল অ্যাসিসটেন্ট হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। তারপর হঠাৎই একদিন সামনে চলে আসে অভিনয়ের সুযোগ। ব্যস আরও কোনও ভুল করেননি বলিউডের এই বাবলি গার্ল। বেশ কয়েকটি ছবি দিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই তৈরি করে ফেলেছেন নিজস্ব ঘরানা। বক্স অফিসে সেভাবে ধারাবাহিক সাফল্য না পেলেও একটার পর একটা ছবি রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। সর্বদা হাসিখুশি মিষ্টি মেয়ে পরিণীতি কখনই এমন কোন মন্তব্য করেননি যাঁর জন্য বিতর্কে পড়তে হয়েছে, এবার ভাঙলেন তাঁর সেই ইমেজ। নেহা ধুপিয়ার টক শো ‘নো ফিল্টার নেহা’তে এসে ক্যানডিড মুডো ধরা দিলেন পরিণীতি।

2-zfPWCA

আম্বালায় তাঁর পাড়ার ‘আশিক’ থেকে শুরু করে তাঁর পার্টি ম্যানিয়া সবই উঠে এসেছিল আড্ডায়। বলিউডে এতদিন কাটানোর পর আজ তাঁর অকপট স্বীকারোক্তি, তিনি সইফ আলি খানের পাগল ফ্যান। তবে এখানেই শেষ নয়, শেয়ার করলেন সেই একটি দিনের কথা, যেদিন একদিনের জন্য রানি মুখোপাধ্যায়ের পিএ হিসাবে কাজ করেছিলেন তিনি। রানিই তাঁকে বলেছিলেন আশা না ছাড়তে, একদিন নিশ্চয় অভিনেত্রী হবেন পরিণীতি। আর আজ সেই স্বপ্ন যখন সত্যি হয়েছে তখন রানির কথাটাই কানে বাজে তাঁর। তবে একথাও স্বীকার করেছেন রানির সঙ্গে একদিন কাটানো তাঁর কাছে ছিল ফ্যান মোমেন্ট। তবে শুধু রানি নয়, সইফেরও বড় ভক্ত তিনি। সইফের ছবি দেওয়া চিপসের প্যাকেট জমাতেন পরিণীতি। এমনকী সেই কিছু কিছু প্যাকেট এখনও রয়েছে তাঁর আলমারিতে। সিফের প্রতি তাঁর এই প্রেমের কথা পার্টিতে বেশ কয়েকবার তিনি জানিয়েছেন করিনাকে। তিনি নিশ্টিত করিনাও বোর হয়ে গেছেন তাঁর এই প্রেমকাহিনি বারংবার শুনে।

[‘মহিলারা এদেশে যখন এত তুচ্ছ, তখন কাউকেই ভোট দেবে না’]

maxresdefault

তবে এসবের মধ্যে অন্যতম বিস্ফোরক কথাটি তিনি বলেছেন সানিয়া মির্জাকে নিয়ে। কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে সানিয়া মির্জা বলেছিলেন যদি তাঁর বায়োপিক তৈরি করা হয় তাহলে তাঁর চরিত্রে একমাত্র ভাল লাগবে পরিণীতিকে। তার একটাই কারণ। আসলে তাঁদের বক্ষদেশের বেশ মিল রয়েছে। কী বলতে চেয়েছিলেন সানিয়া তা আরেকটু পরিষ্কার করলেন অভিনেত্রী। হঠাৎই একদিন রাত তিনটে নাগাদ তাঁকে ফোন করেন টেনিস তারকা সানিয়া। তখন যুক্তরাষ্ট্র ওপেন খেলছেন সানিয়া। ফোন করে পরিণীতিকে বলেন, ‘আমাকে এক সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেন যে আমার বায়োপিকে আমি কাকে দেখতে চাই, তো আমি তোমার কথা বলেছি। আর কারণ হিসাবে বলেছি, আমাদের দুজনের শারীরিক গঠন এক রকমের বিশেষত আমাদের স্তনের আকার। কাল সকালে সব সংবাদপত্রে এটা দেখতে পাবে। তুমি যাতে চমকে না যাও, তাই আগে থেকে বলে রাখলাম।’ আর সেখান থেকেই শুরু সানিয়ার সঙ্গে পরিণীতির বন্ধুত্ব।

[ঘনিষ্ঠতায় নেটদুনিয়ায় উষ্ণতার পারদ চড়ালেন সিদ্ধার্থ-জ্যাকলিন]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *