এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি করা হত ভুয়ো বিজ্ঞাপন। লটারির সেই বিজ্ঞাপন দেখেই আকর্ষণ করা হত ‘টার্গেট’দের। সম্পূর্ণ ভুয়ো তথ্য দিয়ে তৈরি করা হত বিজ্ঞাপনগুলি। সমাজমাধ্যমে এই সব বিজ্ঞাপন দেখেই আকৃষ্ট হতেন একাধিক মানুষ। আর এই ফাঁদে পা দিয়েই মোটা অঙ্কের টাকা খোয়া যাচ্ছিল তাঁদের। এই সাইবার প্রতারণা মামলায় বিহারের ৫ বাসিন্দাকে হুগলির ডানকুনি থেকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে ২০টি মোবাইল, একটি ল্যাপটপ, ২২টি সিম কার্ড, একটি ব্যাঙ্কের পাসবই, ২৩টি ডেবিট কার্ড, এআই দিয়ে তৈরি প্রচুর নকল তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা সাইবার প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গিয়েছে, ডানকুনিতে বসেই প্রতারণা করছিলেন বিহার থেকে আসা প্রতারকরা। সম্প্রতি ডানকুনির সূর্য সেন নগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। এআই ব্যবহার করে একাধিক ভুয়ো তথ্য ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন তৈরি করতেন তাঁরা। সেই বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে দেওয়া হত সমাজমাধ্যমে। সেই বিজ্ঞাপন দেখেই আকৃষ্ট হয়ে যোগাযোগ করতেন সাধারণ মানুষ। সেই সময় তাঁদের নাম, পেশা, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি সংগ্রহ করে ডেটাবেস তৈরি করতেন প্রতারকরা। আপাতত ৪ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকার প্রতারণার হদিশ মিলেছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লটারি জিতেছেন বলে যে সব ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করা হত তাঁদের বাস্তবে কোনও অস্তিত্ব নেই। এআইয়ের মাধ্যমে কাল্পনিক ব্যক্তির নাম দিয়ে বিজ্ঞাপন তৈরি করা হত। এরপর লটারির টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কখনও জিএসটি, কখনও ট্যাক্স আবার কখনও অন্য কারণ দেখিয়ে টার্গেটদের কাছ থেকে টাকা চাওয়া হত। এই নিয়ে এনসিআরপি পোর্টালে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই মামলায় তদন্তে নেমে ডানকুনি থেকে ৫ বিহারের বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, বিহারের অ্যাকাউন্টে ঢুকত সাইবার প্রতারণার টাকা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকর্মা আরাধনায় জমজমাট সিঙ্গুর, টাটাদের কারখানার ধ্বংসস্তূপে শিল্প তৈরির আশা
-
এশিয়াড বিতর্ক চলছেই যাতায়াতের সমস্যায় শুটাররা, সরব মনু ভাকেররা
-
‘অভিষেক বলেছিলেন…’, ছেলের মৃত্যুতে তৃণমূল সাংসদকে দায়ী করে বিস্ফোরক হাসিরানি
-
গেম খেলতে খেলতে রাত কাবার? রাত জেগে বসে থাকার ভয়ংকর মাশুল হার্টে!
-
‘টাকা চাইলেই কানের গোড়ায় থাবড়ে দেবেন’, ‘তোলাবাজ’দের কড়া শাস্তির নিদান বিজেপি বিধায়কের