বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। পালাবদলের পর সেসব বরদাস্ত করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বিজেপি। সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বিজেপি নেতারা। তাঁরা কীভাবে কাজ করবেন, কলেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের দায়িত্ব কী হবে তা স্পষ্ট করে দিল বঙ্গ বিজেপি। বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের এক্তিয়ারও।
মঙ্গলবার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে রাজ্য বিজেপির একটি বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক সুনীল বানসাল, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচাৰ্য, উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ অনেকে। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি, বিধায়করা। এই বৈঠকে কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতিদেরও ডাকা হয়েছিল। সেখানেই কলেজ কীভাবে পরিচালনা করতে হবে সেই সংক্রান্ত একাধিক গাইনডাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, কাজে কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। এমনকী ক্ষমতার অপব্যবহারও রেয়াত করবে না দল। কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতিদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা যেন সরকারি নির্দেশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মকানুন পালন করেই নিজেদের কাজ করেন।
আরও পড়ুন:
রাজ্য বিজেপি নেতারা কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতিদের স্পষ্ট করে দেন, নিয়মিত জিবি বৈঠক ডাকতে হবে। সভার কার্যবিবরণী যথাযথভাবেই লিপিবদ্ধ করে তাতে সই ও সংরক্ষণ করতে হবে। বৈঠকে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর তা তদারকি করতে হবে। এর পাশাপাশি বার্ষিক বাজেট তৈরি, কর্মীদের পিএফ জমার বিষয়টিও সভাপতিকেই দেখতে হবে। কর্মীদের ছুটি, পেনশন, এসিআর, গ্র্যাচুইটির সংক্রান্ত বিষয়েও নজর রাখতে হবে। কলেজ সার্ভিস কমিশনের সুপারিশ ছাড়া কাউকে স্থায়ী শিক্ষক পদে নিয়োগ করা যাবে না। নিয়মিত পড়ুয়াদের হস্টেল, মেস পরিদর্শন করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিতে হবে সভাপতিকে। এর জন্য বিভিন্ন স্পোর্টস ও এনসিসিতে যোগদানের জন্য পড়ুয়াদের উৎসাহ দেবেন তিনি।
তবে দুর্নীতি রুখতে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, কলেজে সুস্থ স্বাভাবিক পঠন পাঠনের পরিবেশ বজায় যাতে বজায় থাকে সেদিকে নজর দেবেন সভাপতি। দায়িত্ব নিয়ে ক্ষমতার অবব্যবহার করা যাবে না। কাউকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া যাবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পঠনপাঠন সংক্রান্ত বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ করবেন না সভাপতিরা। কোনও পড়ুয়া বা কর্মীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বরদাস্ত নয়। ব্যক্তিগত লাভের জন্য ব্ল্যাঙ্ক চেকে সই করা বা কলেজ ফান্ডের যথেচ্ছ ব্যবহার করা যাবে না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
থার্ড আম্পায়ার ছাড়াই খেলা, ভারত-জাপান ম্যাচে নিজেই সিদ্ধান্ত বদলালেন আম্পায়ার, কী বলছে নিয়ম?
-
হড়পা বানের ঝুঁকি কমাতে শুরু হ্রদের জল কমানো, তৎপর সিকিম-সহ প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও ভুটান
-
পরিচয় ফাঁস করেছে নির্যাতিতার! জামুই কাণ্ডে ১২০ সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর পুলিশের
-
‘বিগ বস’ নয়, অন্য শো তাঁতাবেন সৌরভ! বড় বাজি ‘মন্টু পাইলট’-এর
-
একসঙ্গে নয় অন্নপূর্ণা-বিধবা ভাতা! বেছে নিতে হবে যে কোনও একটি, নির্দেশিকা নবান্নের