সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৩ সালের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদীদের সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। মঙ্গলবার ঝাড়খণ্ডের হুসেনাবাদে পালামৌর বিজেপি প্রার্থী ভি ডি রামের প্রচারে এসে এই মন্তব্য করেন তিনি।
[আরও পড়ুন-দিল্লির প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী গম্ভীর, জানেন কত সম্পত্তি?]
বলেন, “যতদিন যাচ্ছে ততই কোণঠাসা হচ্ছে মাওবাদীরা। একটা সময় দেশের ১২৬ জেলায় সক্রিয় ছিল মাওবাদীরা। কিন্তু, এখন ৩-৪ টে জেলার মধ্যেই তাদের কাজকর্ম সীমিত হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে তাদের শীর্ষনেতারা যেমন আত্মসমপর্ণ করছে তেমনি অনেকে খতম হচ্ছে পুলিশের গুলিতে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে, আর তিন থেকে চার বছরের মধ্যে তাদের অস্তিত্বও খুঁজে পাওয়া যাবে না। দেশ থেকে সমূলে উৎখাত করা হবে ওদের। ইতিমধ্যে ঝাড়খণ্ডের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোয় লুকিয়ে থাকা বেশিরভাগ মাওবাদীকে নিকেশ করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদেরও খুব তাড়াতাড়ি খতম করা হবে। দেশের নিরাপত্তার পক্ষে বিপদ এরকম বিদ্রোহী ও সন্ত্রাসবাদীদের কোনওভাবে ছাড় দেওয়া যাবে না। পিষে মারা হবে।”
[আরও পড়ুন-গোহত্যা করেছে বিজেপি, টিকিট না পেয়ে বিতর্কিত মন্তব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর]
দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে গিয়ে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা এবং কংগ্রেস ক্ষমতার লোভে হাত মিলিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন রাজনাথ। তবে তাদের সেই লক্ষ্য পূরণ হবে না বলেও দাবি তাঁর। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিরোধীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমকক্ষ নেতা কেউ নেই। যাদের বিরোধী নেতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে, মোদির তুলনায় তারা নিতান্তই বামন।”
[আরও পড়ুন-ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল অসম-অরুণাচল প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা]
তবে শুধু বিরোধীদের সমালোচনা নয়, হুসেনাবাদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উজ্জ্বলা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এবং জন ধন যোজনার মতো উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন রাজনাথ সিং। বলেন, “২০২২ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার শপথ নিয়েছে বিজেপি। লোকসভা ভোটের আগে প্রকাশিত দলের ইস্তেহারেও তা স্পষ্টভাষায় উল্লেখ করা হয়েছে।”
[আরও পড়ুন-‘হিন্দুরা কখনও জঙ্গি হতে পারে না’, দাবি অমিত শাহ’র]
বালাকোটের প্রমাণ চেয়ে বিরোধী দলগুলোর মৃতদেহ দেখতে চাওয়ার দাবিকে কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর দাবি, বায়ুসেনার কাজ ছিল জঙ্গি শিবির ধ্বংস করা। যা তারা করেছে। মৃতদেহ গোনা কাজ নয় বলে তা করেনি। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ তৈরির জন্য দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা অটলবিহারী বাজপেয়ী। কিন্তু, এখন নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের মাটিতে এয়ার স্ট্রাইকের মতো বড় পদক্ষেপ নিলেও বিরোধীরা তাঁর প্রশংসা না করে প্রশ্ন করছে।
পুলওয়ামা হামলার পর প্রায় গোটা বিশ্ব যে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল তাও উল্লেখ করেন রাজনাথ। বলেন, “প্রথমে গুলি চালানো আমাদের নীতি নয়। কিন্তু, কেউ যদি আমাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় তাহলে তার কঠোর প্রত্যুত্তর দেওয়ার অধিকার আমাদের আছে।”
সর্বশেষ খবর
-
স্বরূপ গ্রেপ্তার হতেই খেলা শেষ! প্র্যাকটিস বন্ধ সুরুচির, আদৌ খেলবে শ্রীভূমি-ডায়মন্ড হারবার?
-
চাকরির ‘টোপ’ দিয়ে হাতানো জমিতে প্রাসাদ! জনতার বিক্ষোভে ‘গৃহবন্দি’ তৃণমূল নেতা
-
সরকারি বাড়ি পেতে নিজের তথ্য যাচাই করুন নিজেই! সাধারণের সুবিধার্থে নয়া অ্যাপ আনল রাজ্য
-
অভিনয় থেকে অবসর নিচ্ছেন অক্ষয়! ‘মৃত্যুর ৫ মিনিট আগে…’, কোন ইঙ্গিত খিলাড়ি কুমারের?
-
পুরুষসঙ্গীর প্রয়োজন পড়ে না, নিজেদের ক্লোন বানিয়েই লক্ষ বছর ধরে বংশরক্ষা এই আশ্চর্য মাছের