স্টাফ রিপোর্টার: মূক শিশুটি বারবার হাত দিচ্ছিল বাতানুকূল যন্ত্রে। তা সহ্য হয়নি অ্যাপক্যাব চালকের। তাই চলন্ত ক্যাবের ভিতরই শিশুটির হাত মুচড়ে দিয়ে তাকে মারধর করল অ্যাপক্যাব চালক। দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়াহাটে ঘটল এই ঘটনা। গাড়িতে ছিলেন শিশুটির দিদিমা। ওই শিশুটির মা কলকাতার একটি নামী কলেজের অধ্যাপিকা। ঘটনার কথা পেরে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তিনি এবং সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে গড়িয়াহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
[আরও পড়ুন: শহরে বামেদের মিছিলে জনজোয়ার, আলিপুরে মনোনয়ন পেশ পাঁচ প্রার্থীর]
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগকারিণী তাঁর ৬ বছরের ছেলেকে নিয়ে গড়িয়াহাটের একটি স্কুলে এসেছিলেন। দুপুর দু’টো নাগাদ তিনি ডোভার লেন থেকে অ্যাপক্যাবে ওঠেন। ছোটবেলা থেকেই শিশুটি কথা বলতে পারে না। সে ক্যাবে ওঠার আগেই ইশারায় সামনে বসবে বলে দেখায়। তার মা তাকে সামনে বসতে দিয়ে নিজে গাড়ির পিছনের সিটে বসেন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বাতানুকূল গাড়িতে বসার পর তার আকর্ষণের জায়গা হয়ে ওঠে বাতানুকূল যন্ত্রটি। সে তাতে হাত দিতে থাকে। অ্যাপক্যাব চালক তাকে বারণ করে। যেহেতু শিশুটি কথা বলতে পারে না, তাই সে কোনও প্রশ্ন না করে বারবার সেখানে হাত দিয়ে ঠান্ডা হাওয়া অনুভব করতে থাকে।
[আরও পড়ুন: পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, দাড়িভিট হাইস্কুলে পরীক্ষা বয়কট পড়ুয়াদের]
কিন্তু তা পছন্দ হয়নি চালকের। সে এক হাতে স্টিয়ারিং ধরে অন্য হাত দিয়ে শিশুটির হাত ছাড়িয়ে নেয়। ফের শিশুটি হাত দিলে সে হঠাৎই জোর করে তার হাত মুচড়ে দেয়। তাকে চলন্ত অ্যাপক্যাবে মারধর করে। শিশুটি কেঁদে ওঠে। চালকের এই ব্যবহারে হতবাক হয়ে তার দিদি তাঁকে প্রশ্ন করেন। তাঁর সঙ্গে রীতিমতো তর্ক জুড়ে দেয় চালক। রোদের মধ্যে শিশুটিকে নিয়ে তাঁকে নেমেও যেতে বলে। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই অ্যাপক্যাব সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে চালকের বাড়ি কোথায় তা জেনে তাকে ধরার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’
-
তসরের পাঞ্জাবিতে ঠিক যেন বর! প্রাক্তন স্ত্রী সুস্মিতা মা হতেই এবার বিয়ের পিঁড়িতে সব্যসাচী?
-
হাতে ৩৫ লাখি ব্যাগ, ২১ লক্ষের ঘড়ি পরে সংসদে ‘ক্যুইন’, মহুয়ার পর চর্চায় কঙ্গনার ‘ব্যাগবতী’
-
কলকাতায় আসার ঝঞ্ঝাট নেই, এবার চাকদহ থেকে সোজা শিলিগুড়ি! এসি বাস চালু এ সপ্তাহেই
-
ওয়ানডে বিশ্বকাপের দলে ঢুকতে কী করতে হবে? এবার ‘ব্রাত্য’ শামির জন্য এগিয়ে এলেন জাহির খান