Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Samik Bhattacharya

দিল্লির মতো বাংলাতেও চলবে ‘নমো ভারত’? ৪টি হাইস্পিড রুটের প্রস্তাব শমীকের

কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরকে রিপোর্ট-সহ চিঠি জমা দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৫:৫৯

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৫:৫৯

options
link
দিল্লির মতো বাংলাতেও চলবে ‘নমো ভারত’? ৪টি হাইস্পিড রুটের প্রস্তাব শমীকের zoom
শমীক ভট্টাচার্য। ফাইল ছবি
Advertisement

দিল্লির মতো বাংলাতেও এবার চলবে ‘নমো ভারত’? বিজেপি রাজ্য় সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) চারটি হাইস্পিড রুটের প্রস্তাব করেছেন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরকে রিপোর্ট-সহ চিঠি জমা দিয়েছেন।

শমীক ভট্টাচার্যের প্রস্তাবিত চারটি প্রধান করিডর হল: কলকাতা-কল্যাণী-কৃষ্ণনগর-মায়াপুর, কলকাতা-বর্ধমান-দুর্গাপুর-আসানসোল, কলকাতা-ফলতা-ডায়মন্ড হারবার-হলদিয়া-নন্দীগ্রাম, কলকাতা-সাঁতরাগাছি-কোলাঘাট-খড়গপুর-মেদিনীপুর।

শমীক ভট্টাচার্যের প্রস্তাবিত চারটি প্রধান করিডর হল: কলকাতা-কল্যাণী-কৃষ্ণনগর-মায়াপুর, কলকাতা-বর্ধমান-দুর্গাপুর-আসানসোল, কলকাতা-ফলতা-ডায়মন্ড হারবার-হলদিয়া-নন্দীগ্রাম, কলকাতা-সাঁতরাগাছি-কোলাঘাট-খড়গপুর-মেদিনীপুর। কলকাতা-কল্যাণী-কৃষ্ণনগর-মায়াপুর করিডরটি মোট দৈর্ঘ্য হবে ১৩৫ কিলোমিটার। এটি মূলত নদিয়া জেলা এবং সংলগ্ন অঞ্চলের উন্নতি ঘটাবে। আবার ২৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ কলকাতা-বর্ধমান-দুর্গাপুর-আসানসোল করিডরটি শিল্পাঞ্চল আসানসোল ও দুর্গাপুরকে জুড়বে। এখানে মেট্রো সংযোগের প্রস্তাবও রয়েছে। ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ কলকাতা-ফলতা-ডায়মন্ড হারবার-হলদিয়া-নন্দীগ্রাম করিডর। এটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরকে যুক্ত করবে। ময়দান থেকে বজবজ মেট্রোরও সংযুক্তিকরণের কথা ভাবা হচ্ছে। ১৩৫ কিলোমিটারের কলকাতা-সাঁতরাগাছি-কোলাঘাট-খড়গপুর-মেদিনীপুর করিডরটি পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়ার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শমীক ভট্টাচার্যের মতে, এখনও কলকাতা ছাড়া দুর্গাপুর, আসানসোল, খড়গপুর, হলদিয়ার মতো শিল্পশহরগুলি যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক ততটা উন্নত নয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা বলতে শুধুমাত্র ট্রেন কিংবা জাতীয় সড়ক। তাই যদি নতুন এই চারটি করিডর তৈরি করা হয় সেক্ষেত্রে যোগাযোগের গতি বাড়বে। আবার জাতীয় সড়ক এবং রেললাইনের পাশের এই রুটগুলি তৈরি হলে জমি অধিগ্রহণের খরচও কম হবে। তাই কেন্দ্রীয় এনসিআরটিসি-র ধাঁচে কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্য়োগে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল রাপিড ট্রানজিট কর্পোরেশন’ নামে একটি বিশেষ সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক তাঁর আর্জি খতিয়ে দেখুক সেটাই চান শমীক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.