বাংলাদেশের এই অভিনেত্রীর যেমন রূপ, তেমনই গুণ। বেশ ভালো তর্ক করতে পারেন তিনি।
৪৭
গ্ল্যামার দুনিয়ার নুসরতের পথ চলা শুরু মডেলিংয়ের মাধ্যমে। একাধিক টেলিভিশন কমার্শিয়াল ও খবরের কাগজের বিজ্ঞাপনে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
৫৭
বাংলাদেশি বিউটির ঝুলিতে যেমন ওপার বাংলার 'শাহেনশা', 'অপারেশন সুন্দরবন'-এর মতো সিনেমা আছে, তেমনই রয়েছে এপার বাংলার 'বস', 'আবার বিবাহ অভিযান'-এর মতো ছবি।
ব্যাট হাতে বড় বড় ছক্কা হাঁকাতে সিদ্ধহস্ত তিনি। দস্তানা হাতেও দলকে ভরসা জোগাতে পারেন। তবে তাঁর জীবনের প্রেমের গল্প ক্রিকেট যাত্রার মতোই মনোমুগ্ধকর। স্ত্রী চারুলতা রেমেশের সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা হয়েছিল কলেজ জীবনে। তিরুবনন্তপুরমের ইভানিওস কলেজে পড়াশোনা করতেন তাঁরা। গোটা কলেজেই চর্চা ছিল তাঁদের প্রেম নিয়ে।
২৬
২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বর বিয়ের বাঁধনে বাঁধা পড়েন তাঁরা। যদিও তাঁদের প্রেম আরও পাঁচ বছর আগে থেকে। যা সঞ্জু নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন।
২০১৩ সালের ২২ আগস্ট। ঘড়িতে তখন রাত ১১.১১ মিনিট। চারুলতাকে ‘হাই’ লিখে একটি মেসেজ করেন। সেখান থেকেই কথা শুরু। প্রথমে বন্ধুত্বের অনুরাগ। সেই অনুরাগ থেকে প্রেম।
৪৬
কলেজের পর দু'জনের দেখা হয়নি বহুদিন। কেরিয়ারে মনোনিবেশ করেছিলেন তাঁরা। হিউম্যান রিসোর্সে বিএসসি চারুলতা। স্নাতকোত্তরও করেছেন। কিন্তু দূরত্ব পছন্দ হয়নি সঞ্জুর। চারুলতাকে মেসেজ করেও উত্তর পাননি। এরপর সঞ্জু সটান চলে গিয়েছিলেন চারুলতার কলেজে।
৫৬
চারুলতা সঞ্জুর বড় সমর্থক। বহুবার তাঁকে গ্যালারিতে দেখা গিয়েছে সঞ্জুর হয়ে গলা ফাটাতে। তা সে আন্তর্জাতিক পর্যায়েই হোক কিংবা আইপিএল।
চোখ-মুখ একদম ফ্যাকাশে দেখাচ্ছে? খাওয়াদাওয়ায় অরুচি, পিছু ছাড়ছে না ক্লান্তি? তাহলেই সাধু সাবধান। অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন না তো! এই রোগটিকে অনেকে রক্তাপ্লতাও বলে থাকেন। রোগটি দেখা দিলে প্রথম থেকেই সতর্ক হতে হবে। রক্তাপ্লতার কারণে অনেক সময় মানসিক অবসাদও তৈরি হয়। শুধু তাই নয়, হৃদস্পন্দনের গতিও বাড়তে থাকে। যদিও এই রোগটি পুরুষের তুলনায় মহিলাদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়।
২৯
রক্তে লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলেই অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। এই অবস্থায় রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমতে থাকে। ফলে শরীরে বিভিন্ন জটিল পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।
আমাদের দেশে এই সমস্যা ঘরে ঘরে দেখা যায়। বহু মানুষই এই রোগে আক্রান্ত হন। সাধারণত শরীরে বি ১২ ও আয়রনের ঘাটতি তৈরি হলে রক্তে হিমোগ্লোবিন কমতে থাকে যা থেকে অ্যানিমিয়া দেখা দেয়।
৪৯
শরীরে আয়রনের কমতি দেখা দিলে পাতে রাখুন এমন কিছু খাবার যা আয়রনের ঘাটতি মেটায়। শিমের দানা, পালং শাক, কিশমিশ কুমড়োর বীজ ও গুড় হল আয়রনের প্রাকৃতিক উৎস। এই সব খাবারে অত্যাধিক পরিমাণ আয়রন রয়েছে যা অ্যানিমিয়ায় দারুণ কাজ দেয়।
৫৯
রক্তাল্পতার আরেকটি কারণ ভিটামিন বি ১২-এর ঘাটতি। তাই খাদ্যতালিকায় এমন খাবার অবশ্যই রাখুন যা থেকে ভিটামিন বি ১২ পাওয়া যায়। মাছ, মাংস, ডিম ও দুগ্ধজাত দ্রব্যে ভিটামিন বি ১২-এর ভালো উৎস।
রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে আয়রন যুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু শুধু খেলেই তো হল না! আয়রন শুষে নিতে ভিটামিন সি সাহায্য করে। তাই আয়রনের ঘাটতি মেটাতে ভিটামিন সি আছে এমন খাবারও খেতে হবে বইকি! আমলকি, কমলালেবু, টম্যাটতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এই ধরনের খাবার তালিকায় রাখুন।
৭৯
বীটরুটের জুস খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ে। বীটরুটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। শুধু তাই নয়, রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৬ এবং বি১২ ও ভিটামিন সি। এছাড়াও ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান।
৮৯
ব্রকোলিতে একইসঙ্গে রয়েছে আয়রন ও বি কমপ্লেক্স ভিটামিন। সঙ্গে ভিটামিন এ, সি, ফোলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম। তাই খাদ্যতালিকায় এই সবজি রাখতে ভুলবেন না যেন!
৯৯
সাধারণত সঠিক আহার ও পর্যাপ্ত বিশ্রামেই অ্যানিমিয়া দূর হয়। তবে বেশি সমস্যা দেখা দিলে ফেলে রাখবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তাতেই মিলবে সুরাহা।