মহাভারতের যুদ্ধ চলেছিল আঠারো দিন। গীতার অধ্যায় সংখ্যাও আঠারো। হিন্দু ধর্মে আঠারোটি মহাপুরাণের উল্লেখ রয়েছে। এই আঠারো সংখ্যার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে হিন্দুধর্মে। একে জ্ঞান, ধর্ম এবং সত্য প্রতিষ্ঠার প্রতীক মানা হয়। সেই প্রতীকী ভাবনা থেকেই এবার অভিনব এক যজ্ঞের আসর বসল উত্তর চব্বিশ পরগনার সন্দেশখালিতে।
সন্দেশখালি ব্লকের কানমারী বাজারে আয়োজিত হল এই বিশ্বশান্তি যজ্ঞ। শ্রী শ্রী মনসা পুজো মেলা উপলক্ষে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মন্মথপুর প্রণব মন্দিরের পরিকল্পনায় এই যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। পরিচালনায় ছিল কানমারী ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ। এই যজ্ঞের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ‘আঠারো’ সংখ্যাটি।
আরও পড়ুন:
একসঙ্গে আঠারোটি যজ্ঞকুণ্ডে এই হোমযজ্ঞ সম্পন্ন হয়। আঠারো জন সন্ন্যাসী এই মহাযজ্ঞ পরিচালনা করেন। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণ কামনায় এই যজ্ঞ করা হয়। মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা। আচার্য শ্রীমৎ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের আদর্শ মেনেই এই আধ্যাত্মিক মহাজাগরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
উদ্যোক্তাদের মতে, এই আঠারোটি কুণ্ড নিছকই যজ্ঞের আয়োজন নয়। এটি বিভিন্ন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার এক মহাসমন্বয়ের প্রতীক। সমাজে ঐক্য এবং শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এমন পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষের মধ্যে আধ্যাত্মিক চেতনা জাগানোও এই যজ্ঞের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল।
সন্দেশখালির মতো এলাকায় এমন এক অভিনব যজ্ঞ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে বিপুল উৎসাহ দেখা গিয়েছে। বহু স্থানীয় ভক্ত ও সাধারণ মানুষ এই যজ্ঞ চাক্ষুষ করতে ভিড় জমিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সর্ষের মধ্যেই ভূত! বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশে সাহায্য সেনা জওয়ানের, গ্রেপ্তার ৩
-
‘তিলক কেটে দিন’, গণপতি দর্শনে গিয়ে পুরোহিতকে আবদার শাহরুখের, বাদশার ভক্তিতে মুগ্ধ নেটপাড়া
-
আইএফএ শিল্ডের চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ্যে, ডুরান্ড হেরে শিল্ডে নজর মোহনবাগানের
-
মধ্যপ্রদেশের পর এবার দিল্লি, সাড়ে ৪ ঘণ্টায় যমুনার ৫৮৫ কেজি বর্জ্য সাফাই বিট্টুর
-
ইমিগ্রেশন ছাড়াই ভারত ছাড়েন ৩ ইতালীয়! অভিযুক্ত কর্মীকে সাসপেন্ড করল এয়ার ইন্ডিয়া