৯ আষাঢ়  ১৪২৬  সোমবার ২৪ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

৯ আষাঢ়  ১৪২৬  সোমবার ২৪ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০ দিনের মধ্যে শ্রীনগরে বায়ুসেনার হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ার ঘটনার তদন্ত শেষ হবে বলে জান‌িয়ে দিল ভারতীয় বায়ুসেনা। এর মধ্যেই এই সংক্রান্ত যাবতীয় প্রমাণ প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হবে বলেও জানায় তারা। এরপরই ওই এমআই-১৭ হেলিকপ্টারে থাকা ছ’জন বায়ুসেনা কর্মী ও একজন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যুর জন্য জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। কিন্তু, ১৯৫০ সালের এয়ারফোর্স অ্যাক্ট-এ উল্লেখিত ধারা অনুযায়ী হত্যার অভিযোগ আনা সম্ভব হবে না।

সূত্রের খবর, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শ্রীনগর এয়ারবেস থেকে ইজরায়েলে তৈরি ওই স্পাইডার সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না। কিন্তু, বায়ুসেনা এই ঘটনার দায় নিতে রাজি না হওয়ায় তদন্ত শেষ করতে সময় লাগছে। মিসাইল উৎক্ষেপণ থেকে হেলিকপ্টার ধ্বংসের ঘটনাটি ঘটেছে মাত্র ১২ সেকেন্ডের মধ্যে। তাই ওই হেলিকপ্টারে থাকা বায়ুসেনার কর্মীরা বিষয়টি বুঝেই উঠতে পারেননি। আসলে পুলওয়ামা পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভারতের মিসাইল উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্তের ফলেই এই ঘটনা ঘটেছে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইক করে ভারতীয় বায়ুসেনা। এরপরই ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রবেশ করে পাকিস্তানের প্রায় ২৪টি যুদ্ধবিমান। এর মধ্যে আমেরিকা থেকে কেনা এফ-১৬ বিমানও ছিল।

[আরও পড়ুন-ভোটের পরই স্বস্তি, আয়ের অধিক সম্পত্তি মামলায় অখিলেশকে ক্লিনচিট সিবিআইয়ের]

আরও জানা গিয়েছে, এই খবর পেয়েই তাদের তাড়া করে ভারতীয় বায়ুসেনার আটটি বিমান। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী তরফে কাশ্মীরে সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলও রেডি রাখা হয়েছিল। আচমকা শ্রীনগর বিমানবন্দরে মাটির অনেক কাছাকাছিতে একটি হেলিকপ্টার উড়তে দেখে তারা। তারপরই মিসাইলটি ছোঁড়া হয়। সেসময়ে ওখানে যে সিনিয়র আধিকারিক টার্মিনাল উইপনস ডিরেক্টরের ভূমিকায় ছিলেন তিনিই সম্ভবত এই মিসাইল ছোঁড়ার নির্দেশটি দিয়েছিলেন। হেলিকপ্টারটি শত্রুপক্ষের কিনা তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলেই এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে।

[আরও পড়ুন- রাতারাতি বদলে যাচ্ছে ইভিএম! ভিডিও প্রকাশ করে বিস্ফোরক অভিযোগ বিরোধীদের]

তবে ভারতীয় বায়ুসেনার নিয়ম অনুযায়ী, দেশের আকাশসীমায় থাকা কোনও বিমান বা হেলিকপ্টারকে সংকেত পাঠালে ওই বিমান বা হেলিকপ্টারটিও সংকেতের সাহায্যে পালটা উত্তর দেয়। এর ফলে জানা যায় যে ওই বিমান বা হেলিকপ্টারটি শত্রুপক্ষের নয়। ২৭ তারিখ সংকেত পাঠানোর পরেও ওই হেলিকপ্টারটি কেন কোনও উত্তর দেয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এবিষয়ে শ্রীনগর এয়ারবেস কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনিতে জম্মু ও কাশ্মীর এলাকায় যুদ্ধবিমান ও অন্য আকাশযানের ওঠানামার সমস্ত খবরই থাকে শ্রীনগর এয়ারবেসের কাছে। যদিও এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি, ওই বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের তরফে টার্মিনাল উইপনস ডিরেক্টর ওই হেলিকপ্টারটির বিষয়ে কোনও তথ্য দেওয়া হয়েছিল কিনা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং